জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিতে বিট ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ে জোর দেওয়ার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের
পুলিশকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। তিনি বলেছেন, "জনবান্ধব পুলিশিং গড়ে তুলতে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করতে হবে। মানুষ যেন তাদের কাঙ্ক্ষিত আইনি সেবা থানা থেকে পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।"
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মার্চ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি ডিএমপির প্রতিটি এলাকায় 'ফুট পেট্রোল' বা পায়ে হেঁটে টহল জোরদার করার নির্দেশ দেন। এছাড়া থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। কোনো ধরনের অপরাধ যেন থানা এলাকায় সংঘটিত হতে না পারে, সে জন্য কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, "জনগণের প্রত্যাশা আমাদের ওপর অনেক। আমরা যেন তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি, সে জন্য আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।"
মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মার্চ মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) সানা শামীনুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি প্রমুখ।
