বিকল্প শ্রমবাজারের খোঁজে ইউরোপের ৭ দেশের সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ সরকারের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে বিকল্প নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, 'এর অংশ হিসেবে ইউরোপের ৭টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। দেশগুলো হলো— সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল, রাশিয়া। এর বাইরে অন্যান্য দেশেও বিকল্প শ্রমবাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।'
আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে কর্মী নিয়োগকারী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের সফরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'
তিনি বলেন, 'এর বাইরে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহকে শ্রমবাজার অনুসন্ধানপূর্বক বাংলাদেশি কর্মীর পেশাভিত্তিক চাহিদা নিরূপণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনের সুপারিশ মোতাবেক প্রয়োজন অনুসারে দেশভিত্তিক স্থানীয় লবিস্ট, বিশেষজ্ঞ ফার্ম নিয়োগ করা হবে। মালয়েশিয়া শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণের জন্য কাজ চলছে।'
তারেক রহমান বলেন, 'থাইল্যান্ডে শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে সে দেশে কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের ব্যাপক চাহিদা থাকায় সে দেশে কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধির জন্য জাপানি ভাষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো হয়েছে।'
তিনি সংসদে আরও বলেন, '৫৩টি টিটিসিতে (কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। তাছাড়া, জাপানিসহ রাশিয়া, আরবি, জার্মান, ইতালীয় ভাষার প্রশিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভাষার ৪১ জন প্রশিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।'
