প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ এই আমন্ত্রণপত্রটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও জোরদার করার নতুন উদ্যোগের ইঙ্গিত মিলছে। দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে ধর্মীয় ও জনসম্পৃক্ততার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রমবাজারের পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এর পরিধি বাড়ছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগস্ট মাসেও সৌদি আরব বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ এবং আরও দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কের শুরুটা কিছুটা বিলম্বিত হলেও ১৯৭৫ সালে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। হজ, ধর্মীয় যোগাযোগ ও জনশক্তি রপ্তানির মধ্য দিয়ে সম্পর্কের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, তা পরবর্তী সময়ে বিস্তৃত অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতায় প্রসারিত হয়েছে।
সৌদি আরব বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারগুলোর একটি। দেশটিতে কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের একটি প্রধান উৎস। একই সঙ্গে সৌদি আরব বাংলাদেশের প্রধান হজ গন্তব্য এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগও অত্যন্ত সুদৃঢ়। ফলে রিয়াদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
