Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
May 10, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MAY 10, 2026
সস্তা ল্যাপটপের যুগ কি তবে শেষ হতে চলল?

বাংলাদেশ

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
06 April, 2026, 04:40 pm
Last modified: 06 April, 2026, 06:33 pm

Related News

  • সড়কে লাল বাতি অমান্য বা হেলমেট ছাড়াই চলছেন? ঢাকার রাস্তায় এখন নজর রাখছে এআই ক্যামেরা
  • ‘ব্যবস্থা নাও, নইলে ওরা মেরে ফেলবে’: এআই যেভাবে মানসিক বিভ্রমে জড়াচ্ছে ব্যবহারকারীদের
  • এআই স্টার্টআপ ম্যানাস কিনতে মেটার ২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি আটকে দিল চীন
  • পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, ‘যিশুর’ বেশে ছবি পোস্টের পর এবার প্রকাশ্যে বাইবেল পাঠের ঘোষণা ট্রাম্পের
  • এআই যেভাবে ইরান যুদ্ধে প্রভাব ফেলছে—কোন পথে আগামীর সমরকৌশল?

সস্তা ল্যাপটপের যুগ কি তবে শেষ হতে চলল?

এআই ডেটা সেন্টার তৈরির প্রবল প্রতিযোগিতার কারণে বাজারে কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যের ডিভাইসগুলো।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
06 April, 2026, 04:40 pm
Last modified: 06 April, 2026, 06:33 pm
ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে একটি পিসি তৈরির জন্য মাদারবোর্ড, প্রসেসর এবং ডিডিআর৫ মেমোরি কিনতে খরচ পড়েছিল প্রায় ৮০০ ডলার। অথচ কয়েক সপ্তাহ আগে একই যন্ত্রাংশ কিনতে গিয়ে দেখা যায়, খরচ ঠেকেছে ১ হাজার ২০০ ডলারে!

এই আকাশছোঁয়া দামের পেছনে রয়েছে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব। কেউ এআই ব্যবহার করুক বা না করুক, দৈনন্দিন জীবনে এর উত্তাপ এখন স্পষ্ট। এআই ডেটা সেন্টার তৈরির প্রবল প্রতিযোগিতার কারণে বাজারে কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যের ডিভাইসগুলো।

কম্পিউটার আরও দামি হচ্ছে

পিসির যন্ত্রাংশ ও ল্যাপটপের বাজারে এই দাম বৃদ্ধির আঁচ এরই মধ্যে লেগেছে। ফোন ও অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের দাম বাড়াও প্রায় নিশ্চিত।

গত শরৎ থেকেই সাধারণ পিসির মেমোরি বা র‍্যামের দাম আকাশছোঁয়া। গত গ্রীষ্মের তুলনায় এই দাম এখনও প্রায় ৩০০ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এসএসডির দামও তীব্রভাবে বেড়েছে; কিছু ক্ষেত্রে তা দ্বিগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

ফলে প্রচণ্ড চাপে পড়েছে ল্যাপটপের বাজার। শুল্ক এড়াতে কোম্পানিগুলোর আগে থেকে মজুত করা পণ্যের কারণে ২০২৫ সালের মডেলগুলোর দাম কিছুটা স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের নতুন মডেলগুলোর দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

গত ৯০ দিনে ওয়্যারকাটার-এর বর্তমান পছন্দের এসএসডি ‘লেক্সার এনএম৭৯০ ১ টেরাবাইট’-এর খুচরা মূল্যের ইতিহাস। ছবি :কিপা/এনওয়াইটি

উদাহরণস্বরূপ, ডেলের ২০২৫ সালের 'প্রিমিয়াম ১৪' মডেলের দাম ছিল ১ হাজার ৫৫০ ডলার। অথচ তাদের নতুন 'এক্সপিএস ১৪' বাজারে এসেছে ২ হাজার ডলারের বেশি দামে। একইভাবে আসুসের 'জেনবুক ডুয়ো'-এর দাম ১ হাজার ৭০০ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের সংস্করণে ২ হাজার ৪০০ ডলারে ঠেকেছে। অন্যান্য নির্মাতারাও একই পথে হাঁটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাশ্রয়ী মূল্যের ডিভাইসের সংকট প্রকট হতে পারে।

ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম বাড়ার পাশাপাশি এর কনফিগারেশনও আগের চেয়ে দুর্বল হতে পারে। গ্রাফিক্স কার্ডগুলো আবারও দামি ও দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠছে। এই প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না ভিডিও গেম কনসোলও। সরবরাহ ঘাটতির কারণে ভালভ-এর 'স্টিম মেশিন' বাজারে আসা পিছিয়ে গেছে। সনির নতুন প্লেস্টেশন এবং নিনটেনডোর 'সুইচ ২'-এর দাম ও বাজারে আসার সময় নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

গত বছর শুল্ক এড়াতে মজুত বাড়ানো বা কারখানা স্থানান্তরের মতো নানা কৌশল নিয়েছিল কোম্পানিগুলো। কিন্তু ২০২৬ সালে এসব কৌশল আর কাজে আসছে না। কারণ, এখন উৎপাদনের মূল খরচই বিশ্বজুড়ে বেড়ে গেছে।

কেন এমনটি ঘটছে

সহজ কথায়, এআই ডেটা সেন্টার ও হার্ডওয়্যারে বিপুল বিনিয়োগের কারণেই প্রযুক্তিপণ্যের এই বাজার ব্যবস্থা পাল্টে গেছে। আর এর পুরো দায়ভার চাপছে সাধারণ ভোক্তাদের ঘাড়ে।

সাধারণ ডিভাইসের যন্ত্রাংশ তৈরিতে যেসব কাঁচামাল লাগে, এআই কোম্পানিগুলো বিপুল অর্থের বিনিময়ে ঠিক সেগুলোই কিনে নিচ্ছে। অভাবনীয় এই চাহিদার সুযোগে পিসির যন্ত্রাংশ বিক্রেতারাও দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে নির্মাতারা এখন সাধারণ ডিভাইসের বদলে এআই-নির্ভর যন্ত্রাংশ তৈরিতেই বেশি ঝুঁকছেন। এই বাড়তি খরচের পুরোটাই শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের পকেট থেকে যাচ্ছে এবং সামনে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে চলেছে।

মেমোরি এবং স্টোরেজের সরবরাহ শৃঙ্খল

আমাদের ব্যবহৃত প্রতিটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস মাত্র গুটিকয়েক কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল। পিসি ও স্মার্ট ডিভাইসের প্রায় সব মেমোরি এবং স্টোরেজ চিপ তৈরি করে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রন।

একইভাবে, আধুনিক প্রসেসরগুলোর সিংহভাগই তৈরি হয় তাইওয়ানের টিএসএমসি এবং স্যামসাংয়ের মতো হাতে গোনা কয়েকটি কারখানায়। সাধারণ ফোন বা ল্যাপটপের পাশাপাশি এআই সার্ভার তৈরিতেও এই একই যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সীমিত কারখানা ও কাঁচামালের কারণে এসব কোম্পানির উৎপাদন বাড়ানোর একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।

গত শরতে যন্ত্রাংশ সরবরাহের এই চেনা হিসাব পুরোপুরি পাল্টে যায়। ওপেনএআই ঘোষণা দেয় যে, তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্সের উৎপাদিত মেমোরির একটি বিশাল অংশ কিনে নিয়েছে। এই চুক্তি বিশ্বজুড়ে র‍্যাম সরবরাহের প্রায় ৪০ শতাংশ দখল করে নিতে পারে। এই একটি ঘোষণাই যন্ত্রাংশের বাজারে রীতিমতো যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়।

প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না থাকতে অন্যান্য এআই কোম্পানিগুলোও দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে মেমোরি ও স্টোরেজ কিনে নিতে শুরু করে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের পণ্যের বাজারে তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং পিসির যন্ত্রাংশের দাম রকেটের গতিতে বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কিছু যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক ২০২৬ সালের জন্য তাদের পুরো মজুত এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

পরিস্থিতি ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে

নিকট ভবিষ্যতে এই সংকট কমার কোনো লক্ষণ নেই। শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেল ও এইচপি আগেই সতর্ক করেছে যে, উৎপাদন খরচ সব ক্ষেত্রেই বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব মোকাবিলায় তারা পণ্যের ডিজাইনে পরিবর্তন আনা এবং দাম বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে।

অ্যাপল তাদের ৬০০ ডলারের নতুন 'ম্যাকবুক নিও' দিয়ে এই স্রোতের বিপরীতে হাঁটার চেষ্টা করছে। আইফোন ১৬-এর প্রসেসর ব্যবহার করে এর খরচ কমানো হয়েছে। আইডিসি-র বিশ্লেষক জিতেশ উবরানি মনে করেন, অ্যাপলের এই আক্রমণাত্মক দাম নির্ধারণ অন্য ব্র্যান্ডগুলোকে কঠিন প্রতিযোগিতায় ফেলবে। তবে এই ল্যাপটপের স্টোরেজ ও মেমোরি সীমিত হওয়ায় এর পারফরম্যান্স ব্যাহত হতে পারে। অন্যদিকে, অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুক প্রো এবং এয়ার মডেলগুলোর দাম এরই মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

গ্রাফিক্স কার্ডের তালিকায় শীর্ষ পছন্দের ‘এক্সএফএক্স স্পিডস্টার সুইফট এএমডি রাডেওন আরএক্স ৯০৬০ এক্সটি (৮ জিবি)’-এর আমাজনের দামের ইতিহাস।ছবি: কিপা/এনওয়াইটি

লেনোভো, এইচপি এবং ডেলের মতো কোম্পানিগুলোর পুরোনো মজুত শেষ হয়ে আসছে। আইডিসির বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৭ সাল পর্যন্ত মেমোরির এই চড়া দাম বজায় থাকতে পারে। এর প্রভাব স্মার্টফোন ও গেমিং কনসোলের বাজারেও পড়বে।

যন্ত্রাংশ নির্মাতাদের উৎপাদন বাড়ানোর কোনো তাড়াও নেই। কারণ, ভবিষ্যতে এআই-এর চাহিদা কমে গেলে তারা উদ্বৃত্ত পণ্য নিয়ে লোকসানে পড়তে চান না। সব মিলিয়ে দাম কমার আগে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হওয়ারই আশঙ্কা বেশি।

এখন কেনা উচিত নাকি অপেক্ষা করা ভালো?

আগামী দুই বছর নতুন কম্পিউটার কেনা যে বেশ খরুচে ব্যাপার হতে যাচ্ছে, তা নিশ্চিত। এআই-এর এই উন্মাদনা যদি সাময়িকও হয়, তবু সহসাই দাম আগের জায়গায় ফিরবে না। বিশ্লেষকদের মতে, দাম একবার বাড়লে প্রতিযোগিতা না হওয়া পর্যন্ত তা কমানো কঠিন।

ক্রেতাদের পকেটের জোর অনুযায়ী বাজারে এখন মাঝারি ও প্রিমিয়াম পণ্যেরই আধিপত্য থাকবে। সাশ্রয়ী বা এন্ট্রি-লেভেলের পণ্যের দেখা মেলা ভার হবে।

তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, সত্যিই নতুন কম্পিউটার প্রয়োজন কি না, তা আগে ভেবে দেখুন। যদি পিসি তৈরি করতে চান, তবে অপেক্ষা না করে এখনই যন্ত্রাংশ কিনে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ ২০২৭ সালের আগে এই সংকট কাটছে না।

ল্যাপটপ কিনতে চাইলে ২০২৫ সালের মডেলগুলো পুরোনো দামে থাকতেই কিনে ফেলা ভালো। তা না হলে বছরের শেষে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি টাকা গুনতে হবে। ওয়্যারকাটার ডিলস-এর সম্পাদক নাথান বারো জানিয়েছেন, 'কম দামি ল্যাপটপের মজুত ফুরিয়ে এলেই সেগুলোতে ছাড় দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে এবং দাম বাড়বে।'

নতুন ল্যাপটপ কেনা বাজেটের বাইরে গেলে ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবা যেতে পারে। অথবা বর্তমান ডিভাইসটিকে মেমোরি ক্লিন আপ বা হালনাগাদ করে আরও কিছুদিন ব্যবহার উপযোগী রাখার চেষ্টা করাই হবে সবচেয়ে সাশ্রয়ী সিদ্ধান্ত।

Related Topics

টপ নিউজ

ল্যাপটপ / সস্তা ল্যাপটপ / এআই

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: অক্ষিতা চন্দ্র/দ্য আটলান্টিক
    সিগারেটের দিন ফুরিয়ে আসছে—কারণ কী?
  • গভর্নর বিমানে ওঠার আগমুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হতে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলেন বিজয়: যেভাবে শেষ হলো চার দিনের নাটকীয়তা
    গভর্নর বিমানে ওঠার আগমুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হতে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলেন বিজয়: যেভাবে শেষ হলো চার দিনের নাটকীয়তা
  • ছবি: পিটিআই
    নাটকীয়তার অবসান, ভিসিকে-র নিঃশর্ত সমর্থনে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি
  • অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। ছবি: পিটিআই
    ৫+২+২+২-২: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠনের অঙ্ক মিলছে না কেন?
  • পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু
    পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু
  • ছবি: টিবিএস
    ভারত ও চীনের মধ্যে বাংলাদেশ ‘ফুটবল’ হবে না, রেফারি হতে পারে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

Related News

  • সড়কে লাল বাতি অমান্য বা হেলমেট ছাড়াই চলছেন? ঢাকার রাস্তায় এখন নজর রাখছে এআই ক্যামেরা
  • ‘ব্যবস্থা নাও, নইলে ওরা মেরে ফেলবে’: এআই যেভাবে মানসিক বিভ্রমে জড়াচ্ছে ব্যবহারকারীদের
  • এআই স্টার্টআপ ম্যানাস কিনতে মেটার ২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি আটকে দিল চীন
  • পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, ‘যিশুর’ বেশে ছবি পোস্টের পর এবার প্রকাশ্যে বাইবেল পাঠের ঘোষণা ট্রাম্পের
  • এআই যেভাবে ইরান যুদ্ধে প্রভাব ফেলছে—কোন পথে আগামীর সমরকৌশল?

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: অক্ষিতা চন্দ্র/দ্য আটলান্টিক
আন্তর্জাতিক

সিগারেটের দিন ফুরিয়ে আসছে—কারণ কী?

2
গভর্নর বিমানে ওঠার আগমুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হতে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলেন বিজয়: যেভাবে শেষ হলো চার দিনের নাটকীয়তা
আন্তর্জাতিক

গভর্নর বিমানে ওঠার আগমুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হতে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলেন বিজয়: যেভাবে শেষ হলো চার দিনের নাটকীয়তা

3
ছবি: পিটিআই
আন্তর্জাতিক

নাটকীয়তার অবসান, ভিসিকে-র নিঃশর্ত সমর্থনে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি

4
অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। ছবি: পিটিআই
আন্তর্জাতিক

৫+২+২+২-২: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠনের অঙ্ক মিলছে না কেন?

5
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু
বাংলাদেশ

পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু

6
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

ভারত ও চীনের মধ্যে বাংলাদেশ ‘ফুটবল’ হবে না, রেফারি হতে পারে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net