কর্মকর্তাদের গাড়িতে ৩০%, বর্জ্যবাহী গাড়িতে ২০% জ্বালানি কম বরাদ্দের নির্দেশ দক্ষিণ সিটির
বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কর্মকর্তাদের গাড়িতে ৩০%, বর্জ্যবাহী গাড়িতে ২০% জ্বালানি কম বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালামের নির্দেশে সংস্থার ব্যয় সংকোচন ও সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই দপ্তর আদেশ জারি করেছে ডিএসসিসি।
দপ্তর আদেশে জানানো হয়, বিদুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ ৩০% কমিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়া, শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে নিয়োজিত যানবাহনের ক্ষেত্রেও জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ ২০% কমাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বলা হয়েছে, পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজে গাড়ির ব্যবহার সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নেওয়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো হলো:
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দিনের বেলা পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অফিসে বিদ্যমান বৈদ্যুতিক বাতির অর্ধেক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় লাইটের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া অফিস চলাকালীন ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন ছাড়া চালানো যাবে না। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা অবশ্যই ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় বাতি, ফ্যান ও এসি বন্ধ করার পাশাপাশি অফিসের করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো যাবে না। অফিস সময় শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে এবং সব ধরনের আলংকারিক আলোকসজ্জা পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডিএসসিসির সব বিভাগ ও আঞ্চলিক অফিসকে এই নির্দেশ কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক। সংস্থার সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ স্বাক্ষরিত দপ্তর আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
