জ্বালানি সাশ্রয়ে গণপরিবহন ব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত পরিহারের আহ্বান সরকারের
জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার না করে গণপরিবহন ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত পরিহার এবং সম্ভব হলে শেয়ারিং বা 'কার-পুলিং' ব্যবস্থা অবলম্বনের জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল আমদানি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্ন সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে সরকার আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও দেশের সকল সচেতন নাগরিককে জ্বালানি সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা অবিলম্বে গ্রহণের অনুরোধ করছে সরকার।
প্রাকৃতিক গ্যাস সাশ্রয়ের অনুরোধ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, রান্না ও অন্যান্য কাজে গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ের জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গ্যাস পাইপলাইন ও বার্নার নিয়মিত পরীক্ষা করে গ্যাসের লিকেজজনিত অপচয় রোধ করতে হবে এবং অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে।
দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয় বলেছে, সকল সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে অফিস চলাকালীন ও অফিস-পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং অতিরিক্ত জ্বালানির ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
