থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালু করতে চায় সরকার; বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জাপানি রাষ্ট্রদূতের
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা আজ ঢাকায় তাঁর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় তাদের মধ্যে বেসামরিক বিমানখাতে চলমান সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর সরকারি উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে এ বৈঠকটি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যক্রমের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পটি জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা–জাইকা'র আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্পটির সফট লঞ্চ করা হয়, তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার এক বছরের বেশি সময় পার হলেও টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।
২০২৫ সালের নভেম্বরে টার্মিনালের পরিচালনা ও আয়-বণ্টন কাঠামো নিয়ে বাংলাদেশ ও জাপান পক্ষের মধ্যে আলোচনায় মতপার্থক্য দেখা দেওয়ায় আলোচনা ভেঙে যায়। তবে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক নির্দেশনার পর আলোচনার প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করে পূর্ণাঙ্গ পরিচালন শর্ত চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ আশা করছে, তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে ঢাকার বিমানবন্দরে দীর্ঘদিনের যাত্রীজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, যাত্রী ও কার্গো পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে এবং বিমান খাতে বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
