১১ দলীয় জোট গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করবে: হামিদুর রহমান আযাদ
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সংসদে গঠনমূলক ও কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান আযাদ।
শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এর আগে জোটের ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত তিনি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ১১ দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট, আমরা সংসদে গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করব। জনস্বার্থে, দেশের স্বার্থে নতুন সংসদ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আমরা আন্তরিক হবো। সেক্ষেত্রে আমরা সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই। যদি বাধাপ্রাপ্ত হই, কেউ যদি আইনানুগ না হয়ে ভিন্নভাবে দাবিয়ে দিতে চায়, সেক্ষেত্রে আমরা তো রাজপথে আছি।
তিনি বলেন, গতকালই আমাদের কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ছিল। এটা ১১ দলীয় ঐক্য হিসেবে সংসদে ও সংসদের বাইরে ভূমিকা পালন করবে— এই সিদ্ধান্ত। যেহেতু আমরা যৌথভাবে নির্বাচন করেছি, দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যখন যে ভূমিকা রাখা উচিত দেশের স্বার্থে, জনস্বার্থে, জাতির স্বার্থে আমরা সে ভূমিকা একসাথেই পালন করব।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে নানা অনিয়মের, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রশ্ন উঠেছে। এই নির্বাচনে ফলাফল কারচুপির কথা উঠেছে। যেগুলোর অনেক কিছু প্রমাণ হচ্ছে। সেখানে আমরা আইনি প্রক্রিয়া অবলম্বন করব। আরপিও অনুযায়ী যে প্রক্রিয়া আছে, সে অনুযায়ী আমরা যেসব আসনে কারচুপি হয়েছে, এভিডেন্স আছে, স্বল্প ব্যবধানে হারানো হয়েছে বা ফলাফলের ব্যবধান দেখানো হয়েছে জয় পরাজয়ের ক্ষেত্রে, সে আসনগুলো চিহ্নিত করে স্ব স্ব আসন থেকে পুনর্গণনার আবেদন করা হয়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা বলেছিলাম গেজেট প্রকাশের পূর্বে সে আসনগুলোর আবেদন গ্রহণ করে ফলাফল স্থগিত রেখে পুনর্গণনার ব্যবস্থা করা হোক। ইলেকশন কমিশন যেটা করেছে—১২ তারিখ ইলেকশন হয়ে গেল, ১৩ তারিখ গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। একেবারে তড়িঘড়ি করে। যে কারণে অনেকে আবেদন করার সুযোগ পেয়েছে, অনেকে পান নাই। কারণ নির্বাচনি মাঠ থেকে ঢাকায় এসে এটা করতে হয়েছে।
