গোপালগঞ্জে ৭ ভোটকেন্দ্রের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে গোপালগঞ্জে ৭টি ভোটকেন্দ্রের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে গোপালগঞ্জ-২ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের অন্তর্গত বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের আশপাশে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
যেসব ভোটকেন্দ্রের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে সেগুলো হলো— গোপালগঞ্জ শহরের মধ্যপাড়ার বীণাপাণি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নিচু পাড়া এলাকার রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, নীলার মাঠ এলাকার শহীদ মাহবুব আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাঝিগাতী ১০ পল্লী নেছার উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়, দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গুয়াদানা বিন্দুবাসিনী উচ্চ বিদ্যালয়।
বিস্ফোরণের শব্দে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করে আলামত জব্দ করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্যরাও বিস্ফোরণস্থলগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সরোয়ার হোসেন জানান, '৫ থেকে ৭টি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মূলত ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত চলছে।'
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের পৌরসভা সংলগ্ন বাগানের পাশের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছিল। এছাড়া গত জানুয়ারি মাসে জেলা ও দায়রা জজের কলেজ রোডের বাসভবন, শহরের বেদ গ্রামের আনসার ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর, গোবরা এলাকার গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এবং গত ডিসেম্বর মাসে জেলা স্টেডিয়াম এলাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মূল গেটের সামনের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
