ছাত্রলীগ নেতার প্যারোল প্রসঙ্গে করা প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন, 'কৃষি ছাড়া বলব না'
নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলার নেতাকে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তির প্রসঙ্গে কোনো কথা বলতে চাননি স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে কথা বলতে চাননি তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া এবং জেলগেটে দূর থেকে দেখার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বলে সাংবাদিকরা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে।
কিন্তু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'না, আমি কৃষি ছাড়া কোনো উত্তর দেবো না। আমি কৃষি ছাড়া বলবে না। আপনারা কৃষির উপরে জিজ্ঞেস করেন।'
এ সময় একজন সাংবাদিক তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'আপনি ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের কারো জামিন দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন, এটা নিয়ে তোলপাড় হয়ে গেছে।'
এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের জামিন দেওয়া না। আমি ক্রিমিনালদের জামিন দেওয়ার বিরুদ্ধে।'
এ সময় বারবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কৃষির ওপরে প্রশ্ন করতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।
কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা বারবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে এ বিষয়ে কথা বলতে হবে এবং তিনি দায়বদ্ধ বলে উল্লেখ করলেও কোনো উত্তর দেননি তিনি।
তিনি বলেন, 'আমি দায়বদ্ধ না।'
বাগেরহাট সদর উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও নয় মাসের শিশু সন্তান সেজাদ হাসান নাফিজের মরদেহ দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাননি।
এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে সাদ্দামের বাড়ি থেকে স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পাশেই পড়ে ছিল তার নয় মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের দেহ।
যেটির ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায় ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে তার প্যারোলের আবেদন করা ও না করা নিয়ে তার এবং যশোর জেলা প্রশাসনের দুই ধরনের বক্তব্য রয়েছে।
সাদ্দাম বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে আছেন।
