লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর ১০ আসনে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, সরেননি বিএনপির বিদ্রোহীরা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার ১০টি সংসদীয় আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি আসনে ৩ জন এবং নোয়াখালীর ছয়টি আসনে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনে ২৯ জন এবং নোয়াখালীর ছয়টি আসনে ৪৭ জনসহ দুই জেলায় মোট ৭৬ জন বৈধ প্রার্থী নির্বাচনি লড়াইয়ে থাকলেন।
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ১০ দলীয় জোট ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মাহবুব আলমকে সমর্থন দিয়ে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। এছাড়া লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে জাকের পার্টির তছলিম এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. কেফায়েত হোসেন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
নোয়াখালী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইয়েদ আহমেদ, নোয়াখালী-২ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী তোফাজ্জ্বল হোসেন, নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদদীন মওদুদ এবং একই আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আলী আহমদ তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া নোয়াখালী-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হলেও জেলাজুড়ে আলোচনায় থাকা বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়েননি। নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
একইভাবে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ও হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তানভির উদ্দিন রাজীব এবং আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে নির্বাচনি লড়াইয়ে টিকে রইলেন।
