কৃষক স্মার্ট কার্ড চালুর প্রস্তাব নাগরিক প্ল্যাটফর্মের
এসডিজি বাস্তবায়নে সারাদেশের সব প্রকৃত কৃষকের জন্য স্মার্ট কার্ড সেবা বিতরণের সুপারিশ করেছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। দেশের নারী-পুরুষ উভয় এক দশমিক ৬৫ কোটি কৃষক পরিবারকে এ সুবিধার আওতায় সব ধরনের সেবা পৌছানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এর উদ্যোগে আয়োজিত "জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ : আগামী সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ" শিরোনামে অনুষ্ঠিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর অতিরিক্ত পরিচালক (রিসার্চ) তৌফিকুল ইসলাম খান।
নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডির ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন।
তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকারের পরিচালিত 'পার্টনার' প্রকল্প পরিমার্জনের মাধ্যমে কৃষকদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এজন্য বাড়তি কোনো বরাদ্দের দরকার হবে না। ডিজিটাল কৃষি সম্প্রসারণ সেবা ও ই-ভাউচার ভর্তুকি বাস্তবায়নে বার্ষিক বরাদ্দ প্রায় ১৫৯ কোটি টাকা।
এছাড়া, চিকিৎসা ব্যয়ের দুশ্চিন্তার প্রতিকার ও প্রতিটি জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে 'জাতীয় স্বাস্থ্য কার্ড' চালুর মাধ্যমে পরিবারপ্রতি বছরে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ চালুর প্রস্তাব করেছে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।
প্রথম ধাপে বয়স্কভাতার আওতাভুক্ত দেশের ৬১ লাখ বয়স্ক ব্যক্তিকে এ সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি। এতে বছরে মোট ব্যয় হবে ৬১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ শতাংশ।
এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হলে দরিদ্র ও বয়স্করা জরুরি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন না। চিকিৎসার খরচ মেটাতে আর সর্বস্বান্ত হবেন না দরিদ্র, বয়স্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া, যুব ক্রেডিট কার্ড চালুর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের ভবিষ্যৎ গড়তে বছরে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা চালু করা ও 'সর্বজনীন ন্যূনতম আয়' হিসেবে দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য প্রতি মাসে ৪৫৪০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি।
