৩ প্রতিষ্ঠান থেকে 'এলএলবি পাস', ৭ বছর পর এবার হলফনামায় 'স্বশিক্ষিত' গাজীপুরের বিএনপি প্রার্থী রিয়াজুল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান। এর আগে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি দলের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তবে এই দুই নির্বাচনে তার জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যে বড় ধরনের অসংগতি ও গড়মিল পাওয়া গেছে।
শাহ রিয়াজুল হান্নান এবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া তার দুটি হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, এলএলবি পাস করার সাত বছর পর তিনি নিজেকে 'স্বশিক্ষিত' হিসেবে দাবি করেছেন।
২০১৮ সালের নির্বাচনের হলফনামায় রিয়াজুল তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে 'এলএলবি' উল্লেখ করেছিলেন। সে সময় তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করার একটি সত্যায়িত সনদপত্রের ফটোকপিও দাখিল করেন। কিন্তু আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিল করা হলফনামায় তিনি তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার স্থানে লিখেছেন 'স্বশিক্ষিত'।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রিয়াজুল হান্নান যখন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তিনি অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুটি সনদ ব্যবহার করেছিলেন।
ওই দুই সনদের তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজুল হান্নান ২০১০ সালে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০১২ সালে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করেন। আর ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৯৯৩ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে এলএলবি পাস করেছিলেন।
