Skip to main content
  • মূলপাতা
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
January 01, 2026

Sign In
Subscribe
  • মূলপাতা
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, JANUARY 01, 2026
উচ্চ বাজির নির্বাচনের বছর: ২০২৬ কি বাংলাদেশের রাজনীতি–অর্থনীতিতে ধারাবাহিকতা ফেরাবে?

বাংলাদেশ

শাখাওয়াত লিটন & টিটু দত্ত গুপ্ত
01 January, 2026, 11:05 am
Last modified: 01 January, 2026, 11:05 am

Related News

  • জাতীয় নির্বাচন: স্বতন্ত্র ও ৫১ দলের ২,৫৬৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন
  • পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ ছাড়িয়েছে
  • ২০ দিনেই শেষ এনসিপির ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’
  • নির্বাচনি ব্যয়ের ২৫ লাখ টাকার সীমা উঠল, কঠোর নজরদারির তাগিদ বিশেষজ্ঞদের
  • গফরগাঁওয়ে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতার সমর্থকদের রেললাইনে আগুন

উচ্চ বাজির নির্বাচনের বছর: ২০২৬ কি বাংলাদেশের রাজনীতি–অর্থনীতিতে ধারাবাহিকতা ফেরাবে?

শাখাওয়াত লিটন & টিটু দত্ত গুপ্ত
01 January, 2026, 11:05 am
Last modified: 01 January, 2026, 11:05 am
১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে কাটানোর পর দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, গত ২৫ ডিসেম্বর দলীয়ভাবে তাঁকে বিশাল এক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ছবি: রাজীব ধর/ টিবিএস

২০২৫ সালের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়—বাংলাদেশের ইতিহাসে এত ঘটনাবহুল বছর আর আসেনি। আর সামনে তাকালে নতুন বছর শুরু হচ্ছে বড় প্রত্যাশা নিয়ে, তবে সঙ্গে আছে চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকির পাহাড়। দেশের মন্থর অর্থনীতি ও অনিশ্চিত রাজনীতির জন্য এটি এমন এক 'মেক অর ব্রেক' অথবা 'সফলতা-ব্যর্থতার নির্ধারক' বছর, যার নজির আগে দেখা যায়নি।

২০২৫ সালের একেবারে শেষ প্রান্তে, ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং তার এক মাস আগে আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ—এই দুটি ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। এসব ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক রূপান্তর সামনে। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে এইচ এম এরশাদের স্বৈরশাসনের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর এই প্রথম এমন একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যেখানে গত চার দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা দুই প্রভাবশালী নেতা—খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা—কেউই থাকছেন না।

এদিকে এখন 'মবোক্র্যাসি' নামে পরিচিত মব সহিংসতার উত্থান, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি ধ্বংস, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যা, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক, ঘনায়মান অনিশ্চয়তার মধ্যেই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, তারেক রহমানের দেশে ফেরা—এসবই সদ্য বিগত বছরের বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।

নতুন বছরে প্রত্যাশা ঘুরপাক খাচ্ছে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, যেটি রাজনৈতিক রূপান্তরের পাশাপাশি অসুস্থ অর্থনীতির জন্যও গেম-চেঞ্জার হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২৬ সাল কার্যত একটি নির্বাচনী বছর—ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিয়ে যার শুরু। এরপর সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ হাজারো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন। রাজনৈতিক রূপান্তরের জন্য এটি হতে পারে একেবারে উপযুক্ত বছর।

তবে ভবিষ্যতের সুর বেঁধে দেবে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই। একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন জাতীয় ও তৃণমূল—উভয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। এমনকি দলীয় সরকারের অধীনেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো তুলনামূলকভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হতে পারে।

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ইতোমধ্যে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে দেখা দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নজিরবিহীন উত্থান ক্ষমতার দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর একটিতে পরিণত হয়েছে। বছরের শেষ দিকে এসে এনসিপির জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ায় নির্বাচনের গুরুত্ব ও ঝুঁকি আরও বেড়েছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় এলে রাজনীতি ও অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে—এ নিয়ে অনেকেই অনিশ্চিত, কারণ দলটি কখনোই এককভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেনি।

এদিকে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে বিএনপিকে নির্বাচনে নেতৃত্ব দিতে আসা তারেক রহমানের পাশে এবার থাকছেন না তার মা খালেদা জিয়া—যিনি ১৯৯১ সাল থেকে আপসহীন নেতৃত্বে দলকে নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত খালেদা জিয়ার মৃত্যু ভোটারদের মধ্যে সহানুভূতির আবহ তৈরি করতে পারে, যা জামায়াত জোটের বিপক্ষে তারেক রহমানের লড়াইয়ে সহায়ক হতে পারে।

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায় অর্থনীতি

২০২৫ শেষ হওয়ার সময় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল থাকায় বৈদেশিক ভারসাম্য উন্নত হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার চাপও কিছুটা কমেছে। তবে এই পুনরুদ্ধার এখনও ভঙ্গুর।

রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দুর্বলই রয়ে গেছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের গত বছরের শুল্ক বাড়ানোর ধাক্কা বাংলাদেশ কিছুটা সামলাতে পেরেছে এবং পরে তা ২০ শতাংশে নামানো হয়। তবুও ভারত ও চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে, যা রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশের মূল্যগত সুবিধাকে ক্ষয় করছে।

ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছেই—বিদেশি ঋণ পরিশোধের অঙ্ক এখন প্রায় মাসিক ঋণ ছাড়ের সমান। দেশের ভেতরে বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির, কর্মসংস্থান দুর্বল, আস্থা কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশোধনী পদক্ষেপে পরিস্থিতির অবনতি কিছুটা থামলেও ব্যাংকিং খাত এখনো চাপে—মোট ঋণের এক-তৃতীয়াংশের বেশি খেলাপি। তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ দেওয়া তো দূরের কথা, অনেক ক্ষেত্রে আমানতকারীদের চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খাচ্ছে। পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ কার্যকরভাবে করা হলে তা ব্যাংকিং সুশাসনে মোড় ঘোরাতে পারে।

রাজস্ব ব্যবস্থাও চাপের মধ্যে। কর-জিডিপি অনুপাত প্রায় ৭ শতাংশে আটকে—যা বিশ্বে অন্যতম সর্বনিম্ন। প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধের মুখে সংস্কার থমকে থাকায় সরকার উন্নয়ন ব্যয় কমিয়ে নিয়মিত ব্যয় ও নির্বাচন-সংক্রান্ত খরচ মেটাতে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরশীল হচ্ছে।

জ্বালানি নিরাপত্তাও আরেকটি বড় দুর্বলতা। এক্ষেত্রে কিছু উন্নতি—নবায়নযোগ্য জ্বালানি চুক্তি ও ২০২৬ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরীক্ষামূলক চালুর সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশ এখনো আমদানি করা জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, যা বৈশ্বিক দামের ওঠানামার ঝুঁকিতে থাকে।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে প্রায় ৪ শতাংশে। মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও এখনো উচ্চ এক অঙ্কের ঘরে রয়েছে—যা অর্থনীতিবিদদের ভাষায় এক ধরনের স্ট্যাগফ্লেশনের পর্যায়, অর্থাৎ যেখান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দুর্বল, কিন্তু ক্রয়ক্ষমতা ক্ষয়মান এবং কর্মসংস্থান স্থবির।

এই প্রেক্ষাপটে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের ধারণা, একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আস্থা ফিরিয়ে আনবে, আটকে থাকা বিনিয়োগের দ্বার উন্মুক্ত করবে এবং পুনরুদ্ধারের পথ তৈরি করবে।

এই প্রত্যাশার ভিত্তিও আছে। মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মাইক টাচটনের গবেষণাসহ বিভিন্ন গবেষণা দেখায়—অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে, বিজয়ী যেই হোক না কেন, বিনিয়োগ বাড়ে এবং অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স শক্তিশালী হয়। কারণ সুষ্ঠু নির্বাচন প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন ও নীতির পূর্বানুমেয়তার বার্তা দেয়—যা বিনিয়োগকারীদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের জন্য বার্তা স্পষ্ট—অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এখন আর শুধু রাজস্ব বা মুদ্রানীতির ওপর নির্ভর করছে না, রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনটির শান্ত পরিবেশ নির্বাচন কমিশনকে আশাবাদী করেছে যে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব।

২০২৫ সালের শেষভাগের অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ব্যবসায়ীরা—সমাজের অন্যান্য অংশের মতোই—আশা করছেন, নির্বাচন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তারা আশা করছেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিলে নীতিনির্ধারণে ধারাবাহিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা ফিরে আসবে।

আশাবাদের আরেকটি কারণ আছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ফেব্রুয়ারিতে তিনটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনটি হবে চতুর্থ। কোনো একক মাসে এতগুলো জাতীয় নির্বাচন হয়নি। ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তরের মাইলফলক। ১৯৭৯ সালের নির্বাচন ১৯৭৫ সালের সামরিক আইন পর্বের অবসান ঘটায়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনকে বলা হয় প্রথম সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, যা দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করে। আর ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একতরফা ও বিতর্কিত হলেও—তা সংবিধান সংশোধনের পথ খুলে দেয় এবং তৎকালীন রাজনৈতিক সংকট নিরসনে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্ম দেয়।

গেল বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম হবে। "এই নির্বাচন সেই নতুন বাংলাদেশের দরজা খুলে দেবে।"

এখন দেখার বিষয়, অন্তর্বর্তী সরকার কীভাবে 'ধাত্রী'র ভূমিকা পালন করে—যেমনটি প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বলেছেন—যাতে এই জন্মপ্রক্রিয়া "সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে" সম্পন্ন হয়।

একই সঙ্গে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই—সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটের কথাও। 'হ্যাঁ' না 'না'—যে ফলই আসুক, সেটিই নির্ধারণ করবে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের ভবিষ্যৎ, যেখানে নতুন সংসদের জন্য বড় ধরনের সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব রয়েছে।

সব মিলিয়ে, নতুন বছরটি কেবল একটি নির্বাচনী বছর নয়—এটি বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতির জন্য সত্যিকারের 'মেক অর ব্রেক' বছর।

 

Related Topics

টপ নিউজ

রাজনীতি / অর্থনীতি / জাতীয় নির্বাচন / ২০২৬ / বিশ্লেষণ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • তাসনিম জারা। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
    দেশে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ, বিদেশে স্বামীর আয় ৬৫ লাখ
  • হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের
    হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের
  • আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
    হলফনামা : আমির খসরুর সম্পদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, আয় ১ কোটি ৫৯ লাখ
  • আবুধাবিতে পৌঁছানোর পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে (বামে) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান (ডানে)। ছবি: এসপিএ
    দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ব ছাপিয়ে যেভাবে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল সৌদি আরব ও আরব আমিরাত
  • মেট্রোরেল। ফাইল ছবি: মুমিত এম/টিবিএস
    সন্ধ্যা ৭টা থেকে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন
  • জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ফাইল ছবি: বাসস
    হলফনামা অনুযায়ী ব্যবসা থেকে বছরে ৯ লাখ আয় সারজিস আলমের

Related News

  • জাতীয় নির্বাচন: স্বতন্ত্র ও ৫১ দলের ২,৫৬৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন
  • পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ ছাড়িয়েছে
  • ২০ দিনেই শেষ এনসিপির ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’
  • নির্বাচনি ব্যয়ের ২৫ লাখ টাকার সীমা উঠল, কঠোর নজরদারির তাগিদ বিশেষজ্ঞদের
  • গফরগাঁওয়ে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতার সমর্থকদের রেললাইনে আগুন

Most Read

1
তাসনিম জারা। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
বাংলাদেশ

দেশে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ, বিদেশে স্বামীর আয় ৬৫ লাখ

2
হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের
বাংলাদেশ

হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের

3
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বাংলাদেশ

হলফনামা : আমির খসরুর সম্পদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, আয় ১ কোটি ৫৯ লাখ

4
আবুধাবিতে পৌঁছানোর পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে (বামে) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান (ডানে)। ছবি: এসপিএ
আন্তর্জাতিক

দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ব ছাপিয়ে যেভাবে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল সৌদি আরব ও আরব আমিরাত

5
মেট্রোরেল। ফাইল ছবি: মুমিত এম/টিবিএস
বাংলাদেশ

সন্ধ্যা ৭টা থেকে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন

6
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ফাইল ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

হলফনামা অনুযায়ী ব্যবসা থেকে বছরে ৯ লাখ আয় সারজিস আলমের

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net