জাকসু নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম, ১০ ছাত্রী হলে শূন্য পদ ৫৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ৩১৫ পদের বিপরীতে চূড়ান্ত প্রার্থী হয়েছেন ৬২২ জন। এর মধ্যে বিভিন্ন পদে ছাত্র ৪৪৯ ও ছাত্রী ১৭৩ জন।
কেন্দ্রীয় সংসদে ১৭৯ প্রার্থীর মধ্যে ছাত্র ১৩৩ এবং ছাত্রী ৪৬ জন। তবে সহ-সভাপতি (ভিপি)সহ পাঁচটি শীর্ষ পদে কোনো ছাত্রী প্রার্থী হননি। অথচ এই নির্বাচনে মোট ভোটারের অর্ধেকই ছাত্রী।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১১ হাজার ৯১৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ১০২ এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৮১৭ জন। অর্থাৎ মোট ভোটারের ৪৮.৮ শতাংশই ছাত্রী।
এ নির্বাচনে ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত ছয়টি পদ আছে। সেগুলো হলো- সহ-সম্পাদক (এজিএস), সহ-ক্রীড়া সম্পাদক, সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক এবং কার্যকরী সদস্যের তিনটি পদ।
সংরক্ষিত এই পদগুলোতে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৩৫ জন।
তবে শীর্ষ পদগুলোর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ১০ প্রার্থীর মধ্যে কোনো ছাত্রী নেই। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৯ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন মাত্র দুইজন ছাত্রী। শুধু সংরক্ষিত নারী সহ-সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন ৬ জন।
এছাড়া সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৮, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৩, তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে ৭ এবং পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে ৭ প্রার্থীর মধ্যে নেই কোনো ছাত্রী।
তবে পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে ৬, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৮, নাট্য সম্পাদক পদে ৫, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে ৮, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক পদে ৭ প্রার্থীর মধ্যে একজন করে ছাত্রী রয়েছেন।
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৯ এবং সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৮ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন দুইজন করে ছাত্রী আছেন।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছাত্রীদের ১০টি হলে শূন্য রয়েছে ৫৯ পদ। আবার ৬৫ পদে প্রার্থী হয়েছেন একজন করে।
সবমিলিয়ে ১১টি ছাত্র ও ১০টি ছাত্রী হলের ৩১৫টি পদের মধ্যে একজন করে প্রার্থী রয়েছেন ১৩১ পদে। শূন্য রয়েছে ৬৮ পদ।
উল্লেখ্য, জাকসুর হল সংসদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতিটি হলে ১৫টি পদে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।