শুল্কহারের কারণে বাজার হারাব না, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর হারও মোটামুটি একই রকম: আনোয়ার উল আলম
বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের ওপর আরোপিত শুল্কের পরিমাণ ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন।
আজ শুক্রবার (১ আগস্ট) শুল্ক নিয়ে হোয়াইট হাউসের এক ঘোষণায় নতুন এই শুল্কহারের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ চেম্বার অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর (বিসিআই) সভাপতি এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ টিবিএস কে বলেন, 'এটা খুশির খবর যে শুল্ক কমার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কম্পিটিটিভ (প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ) থাকবো, শুল্ক রেট (শুল্কহার) এর কারণে আমরা অন্য দেশের কাছে বাজার হারাবো না। কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর শুল্ক হারও মোটামুটি একই রকম।'
তিনি বলেন, 'তবে সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেল মার্কেটে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। আমেরিকার গবেষণা তথ্য-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০ শতাংশ শুল্ক বাড়লে আমেরিকান কনজিউমারদের ডিমান্ড (ভোক্তাদের চাহিদা) কমে যাবে ৩৫ শতাংশ। আর আমরা যে কম দামের পোশাক রপ্তানি করি, এখানেই ডিমান্ড (চাহিদা) কমবে বেশি।'
আনোয়ার উল আলম বলেন, 'তাই আগামী এক থেকে দেড় বছর আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে অর্ডার কিছুটা কমতে পারে, তারপর এটা ঠিক হবে। সামগ্রিকভাবে শুল্ক কমে ২০ শতাংশ হওয়ায় আমরা খুশি।'
