Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
March 22, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MARCH 22, 2026
মুহিত স্মরণে: হৃদয়ে বহতা সুবাস

মতামত

সেলিম জাহান
30 April, 2022, 07:05 pm
Last modified: 01 May, 2022, 01:08 pm

Related News

  • কেন সুশীল সমাজ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা আছে? 
  • সাখাওয়াত স্যার শুধু শিক্ষকই ছিলেন না, ছিলেন বহুজনের অভিভাবকও
  • স্মৃতিতে একুশ: সত্তর থেকে আজ
  • জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে কাঠামোগত সংস্কার ও সমৃদ্ধি: প্রতিশ্রুতি এবং বাস্তবতা 
  • বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রাণিবিদ্যা: শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মক্ষেত্রের বিশ্লেষণ

মুহিত স্মরণে: হৃদয়ে বহতা সুবাস

চা খেতে খেতে দীর্ঘ আলোচনা হতো আমাদের দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য, রাজনীতি এ অর্থনীতি সম্পর্কে। আমার কাছ থেকে নানান বাংলা বই তিনি ধার করতেন এবং অতিদ্রুত শেষ করে সেগুলো আবার আমাকে ফেরত দিতেন। কখনও কখনও আমার ঘরের কোনার আরামকেদারায় আধশোয়া হয়ে তিনি বই পড়তেন, আমি দাপ্তরিক টেবিলে বসে আমার কাজ করতাম। আমার ঘরের দেয়াল থেকে মেঝে পর্যন্ত ফরাসী জানালা দিয়ে পূর্বী নদী দেখা যেত। মাঝে মাঝে পড়া ছেড়ে তিনি জানালার ধারে গিয়ে দাঁড়াতেন, চুপ করে নদী দেখতেন। একদিন জল দেখতে দেখতে আমার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হেসে বলেছিলেন, 'আমি সিলেটের লোক। হাওড়-নদী দেখে বড় হয়েছি। জলের প্রতি তাই আমার আকর্ষণ বড় প্রবল।'
সেলিম জাহান
30 April, 2022, 07:05 pm
Last modified: 01 May, 2022, 01:08 pm
প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ছবি: সংগৃহীত

চলে গেলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরিণত বয়সেই তাঁর প্রয়াণ—তবু মনে হয় তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন আরো দীর্ঘ হলে আমরাই উপকৃত হতাম তাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর প্রজ্ঞা থেকে। ছাত্রজীবনে ছিলেন তুখোড় শিক্ষার্থী, কর্মজীবনে দক্ষ আমলা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে এবং পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে তাঁর মেধার ছাপ রেখেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই দীর্ঘতম সময় ধরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।

মুহিত সাহেবের সুনাম ও সুখ্যাতির সঙ্গে পরিচিতি দীর্ঘদিনের—সেই আশির দশক থেকে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে চাক্ষুষ পরিচয় নব্বুইয়ের দশকে নিউইয়র্কে। নব্বুইয়ের দশকে আমি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন দপ্তরে যোগ দেই। আমাদের দপ্তরটি ছিল ফার্স্ট অ্যাভিনিউ এবং ফর্টি ফিফথের মোড়ে 'উগান্ডা হাউসে'। তার ঠিক উল্টোদিকে মুহিত সাহেবের একটি ফ্ল্যাট ছিল। আমি সে সময়ে মানব উন্নয়ন দপ্তর ও প্রতিবেদনের উপপ্রধান, যার প্রধান ছিলেন পাকিস্তানের ভূতপূর্ব অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ড. মাহবুবুল হক।

একদিন আমাদের দপ্তরের সামনেই রাস্তায় ড. হক আমার সঙ্গে মুহিত সাহেবের পরিচয় করিয়ে দেন। প্রথম পরিচয়েই আমি আকৃষ্ট হয়েছিলাম তাঁর উদ্যম, প্রাণশক্তি আর গতিময়তায়। তখন তিনি পরামর্শক হিসেবে মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের জন্যে 'মানব উন্নয়নের অর্থায়ন' শীর্ষক একটি গবেষণাপত্র রচনা করছেন।

সেই সূত্রে তিনি প্রায়শই তাঁর ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে রাস্তা পার হয়ে আমার দপ্তরে চলে আসতেন। চা খেতে খেতে দীর্ঘ আলোচনা হতো আমাদের দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য, রাজনীতি এ অর্থনীতি সম্পর্কে। আমার কাছ থেকে নানান বাংলা বই তিনি ধার করতেন এবং অতিদ্রুত শেষ করে সেগুলো আবার আমাকে ফেরত দিতেন। কখনও কখনও আমার ঘরের কোনার আরামকেদারায় আধশোয়া হয়ে তিনি বই পড়তেন, আমি দাপ্তরিক টেবিলে বসে আমার কাজ করতাম। আমার ঘরের দেয়াল থেকে মেঝে পর্যন্ত ফরাসী জানালা দিয়ে পূর্বী নদী দেখা যেত। মাঝে মাঝে পড়া ছেড়ে তিনি জানালার ধারে গিয়ে দাঁড়াতেন, চুপ করে নদী দেখতেন। একদিন জল দেখতে দেখতে আমার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হেসে বলেছিলেন, 'আমি সিলেটের লোক। হাওড়-নদী দেখে বড় হয়েছি। জলের প্রতি তাই আমার আকর্ষণ বড় প্রবল।'

নানান বিষয় নিয়ে বিতর্ক করতে তিনি ভালোবাসতেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর পড়াশোনা, জ্ঞানের বিস্তৃতি, যুক্তির ধার আমাকে মুগ্ধ করতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেই তর্ক-বিতর্ক চলত। কখনও কখনও আমরা মতৈক্যে পৌঁছুতাম, কখনও কখনও মতানৈক্য থেকেই যেত। আমার সঙ্গে তাঁর 'বাহাস' (তাঁর ভাষায়) মুহিত সাহেব খুব উপভোগ করতেন। পরবর্তী কোনো এক সময়ে তিনি বেনুর বাবার কাছে আমার পড়াশোনার বিস্তৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তাঁর মুখে অনবরত শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর প্রশংসা শোনা যেত।

মুহিত সাহেবের রসবোধ ছিল প্রখর। বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক সময়ে এমন সব রসাত্মক মন্তব্য করতেন যে হেসে গড়িয়ে পড়তাম। তাঁর গল্পের ঝুলিটিও ছিল বিরাট। তাঁর বিস্তৃত অভিজ্ঞতা সে ঝুলিকে আরও ঋদ্ধ করেছে।

কিছুদিন পরে বেনু যখন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর মূল্যায়ন বিভাগে কাজ করত, তখন মুহিত সাহেব সেই বিভাগের পরামর্শক ছিলেন। বেশ কটি প্রকল্পের মূল্যায়নে ওঁরা দু'জন একসঙ্গে কাজ করতেন। বেনুকে তিনি খুব স্নেহ করতেন এবং ও অসুস্থ হলে পরে তিনি খুবই ব্যথিত হয়েছিলেন। নিউইয়র্কে তাঁর সঙ্গে বেশ দেখা হতো, কিন্তু তিনি ঢাকায় চলে এলে সে বাঁধন আলগা হয়ে যায়। তবু নানান জনের মাধ্যমে তাঁর খোঁজ-খবর করতাম, তিনিও আমাদের হাল-হকিকত জানতে চাইতেন।

মুহিত সাহেবের সঙ্গে শেষ দেখা হয় বেশ কবছর আগে। বেনু তখন প্রয়াত এবং আমি মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের কার্যভার গ্রহণ করেছি। ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে ঢাকায় এলে আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যাই। তখন তাঁর বাসভবন ছিল কামাল আতাতুর্ক সড়কের ওপরে। তাঁর ড্রইংরুমে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সে ঘরে বাতি কম ছিল এবং মোটা পর্দা টানা ছিল। তিনি ঘরে ঢুকেই অস্থির হয়ে তাঁর লোকজনকে বলতে লাগলেন, 'আরো বাতি জ্বালিয়ে দাও এবং সব পর্দা সরিয়ে দাও। আমি সেলিমকে একটু ভালো করে দেখি। ওকে আমি বহুদিন দেখি নি।' তাঁর সেই মমতা আমার হৃদয় স্পর্শ করেছিল।

অনেকক্ষণ গল্প করেছিলেন সেদিন। খুব খুশি হয়েছিলেন আমি মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের হাল ধরেছি বলে। বেনুর কথা উঠেছিল অবশ্যাম্ভাবীভাবে। ওঁদের যৌথ কাজের সময়কার বহু গল্প বলেছিলেন, খোঁজ নিয়েছিলেন আমাদের কন্যাদের, জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তাঁর বন্ধু-বান্ধবদের, বিশেষত জাতিসংঘের পরিপ্রেক্ষিতে। যখন চলে আসি, তখন প্রধান ফটক পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ভদ্রতা, সৌজন্য এবং সহৃদয়তা আমাকে মুগ্ধ করেছিল।

না, তাঁর সঙ্গে আমার ভীষন নৈকট্য ছিল না, কিংবা তাঁর সঙ্গে আমার প্রায়শই দেখা হত, এমনও নয়, আমাকে তাঁর কাছের মানুষও বলা যাবে না। তবু প্রয়াত জনাব আবুল মা'ল আবদুল মুহিতের সঙ্গে আমার এমন এক মানবিক সম্পর্ক ছিল যাঁর উষ্ণতা, গভীরতা এবং মায়াময়তার সুবাস আমি হৃদয়ে অনুভব করি।


  • সেলিম জাহান: বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক। শিক্ষকতা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগসহ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে।
  • [লেখাটি সেলিম জাহানের ফেসবুক পোস্ট থেকে সংগৃহীত]
     

 

Related Topics

টপ নিউজ

আবুল মাল আবদুল মুহিত / শ্রদ্ধাঞ্জলি / স্মরণ / মতামত

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: সিএনএন
    ট্রাম্পকে পাশ কাটাতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা: হরমুজ দিয়ে যেভাবে তেল নিচ্ছে বিভিন্ন দেশ
  • ছবি: এপি
    রুবিও আর হেগসেথের বাড়ির ওপর ড্রোন, সামরিক কর্মকর্তারা হতবাক 
  • ফাইল ছবি
    ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর শঙ্কা: নৌযান চলাচলে সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
  • ইরানের একটি স্বল্পপাল্লার মিসাইল। ফাইল ছবি: এএফপি
    'স্কোর ২০-এ ২০'; এখনও পুরোদমে ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে ইরান: আইআরজিসি
  • ছবি: রয়টার্স
    জ্বালানি তেল ও এলএনজি সংকট কমাতে ২ বিলিয়ন ডলারের নতুন তহবিলে নজর বাংলাদেশের
  • ফাইল ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস
    ঈদের দিন ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

Related News

  • কেন সুশীল সমাজ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা আছে? 
  • সাখাওয়াত স্যার শুধু শিক্ষকই ছিলেন না, ছিলেন বহুজনের অভিভাবকও
  • স্মৃতিতে একুশ: সত্তর থেকে আজ
  • জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে কাঠামোগত সংস্কার ও সমৃদ্ধি: প্রতিশ্রুতি এবং বাস্তবতা 
  • বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রাণিবিদ্যা: শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মক্ষেত্রের বিশ্লেষণ

Most Read

1
ছবি: সিএনএন
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পকে পাশ কাটাতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা: হরমুজ দিয়ে যেভাবে তেল নিচ্ছে বিভিন্ন দেশ

2
ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

রুবিও আর হেগসেথের বাড়ির ওপর ড্রোন, সামরিক কর্মকর্তারা হতবাক 

3
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর শঙ্কা: নৌযান চলাচলে সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

4
ইরানের একটি স্বল্পপাল্লার মিসাইল। ফাইল ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

'স্কোর ২০-এ ২০'; এখনও পুরোদমে ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে ইরান: আইআরজিসি

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

জ্বালানি তেল ও এলএনজি সংকট কমাতে ২ বিলিয়ন ডলারের নতুন তহবিলে নজর বাংলাদেশের

6
ফাইল ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস
বাংলাদেশ

ঈদের দিন ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net