ভিডিও কনফারেন্সে শপথ নেবেন হাইকোর্টের ১৮ বিচারপতি
সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ জন অতিরিক্ত বিচারপতিকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ফুল কোর্ট সভায় নয়, বরং আজ শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শপথ নিতে যাচ্ছেন তারা।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেলা তিনটায় ১৮ বিচারককে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এ পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে বেলা তিনটায় অনুষ্ঠেয় পূর্বঘোষিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফুল কোর্ট সভা বাতিল করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারপতিদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো।
এর আগে শুক্রবার ১৮ জন বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর শুক্রবার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে এ নিয়োগ দিয়েছেন।
এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ মে এই ১৮ জনকে দুই বছরের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
নিয়োগ স্থায়ীর বিষয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানান।
স্থায়ী হওয়া বিচারপতিরা হলেন— আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক (সাবেক জেলা জজ) মো. আবু আহমাদ জমাদার, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমান, বিচারপতি কামরুল ইসলাম মোল্লা, বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান, বিচারপতি ফাতেমা নজীব, বিচারপতি এস এম আব্দুল মবিন,বিচারপতি খিজির হায়াত লিজু, বিচারপতি শশাংক শেখর সরকার, বিচারপতি মোহাম্মদ আলী, বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীম,বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খান,বিচারপতি মো. খায়রুল আলম, বিচারপতি আহমদ সোহেল, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান, বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর ও বিচারপতি ড. কে এম হাফিজুল আলম।
উল্লেখ্য, বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তারা।
