সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার সেই ৩ সাক্ষী আবারও রিমান্ডে
টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে আবারও চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
র্যাবের একটি দল টেকনাফের মারিশবুনিয়া এলাকা থেকে গত ৯ আগস্ট পুলিশের দায়ের করা মামলার এ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনে ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছিল।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দীন ও মোহাম্মদ আইয়াস। এর আগে গত ১২ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
রিমান্ডের জন্য ১৪ আগস্ট তাদের র্যাবের হেফাজতে নিয়ে ২০ আগস্ট জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও তথ্য জানতে তাদের ফের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। সেই অনুযায়ী তাদের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাবের এএসপি খাইরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খাইরুল ইসলাম বলেন, 'সিনহা মামলার আসামিদের মধ্যে এই তিনজন পাবলিক। এর আগে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলাম। তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পেয়েছি। কিন্তু অন্য আসামিদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে আজকের রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য মিলিয়ে দেখার জন্য মূলত তাদের রিমান্ডে নেওয়া।'
গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।
ওই ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী প্রথমে কক্সবাজার জেলা কারাগার ও পরে আদালতের সাতদিনের রিমান্ড আদেশের প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে র্যাব। পরে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো চারদিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়।
