চলছে সীমিত পরিসরে ঢিলেঢালা লকডাউন
রাজধানীতে ঢিলেঢালা ভাবে চলছে লকডাউন। সড়কগুলোতে দেখা গেছে তীব্র যানজট। চলছে প্রাইভেট কার, সিএনজি, মোটরসাইকেল ও রিক্সা।
সকাল থেকে অনেক পথচারীকে যাত্রীবাহী বাস না পাওয়ায় পায়ে হেঁটেও গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা যাচ্ছে।
মকসুদুল ইসলাম, কল্যাণপুর থেকে বারডেম হাসপাতালে এসেছেন বৃদ্ধা মাকে ডাক্তার দেখাতে। তিনি বলেন,গণপরিবহন না থাকায় বহু কষ্ট অনেক টাকা ভাড়া দিয়ে সিএনজি করে এসেছি। এরকম লকডাউন আমাদের মতো গরীবের কোন কাজে আসছে না, উল্টো বাড়তি গাড়ি ভাড়া আর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
লকডাউনেও কেন রাস্তায় নেমেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মোটরসাইকেল রাইডার শাফায়েত বলেন, আগে একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক ছিলাম, করোনার সব বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে এ পেশায় এসেছি, এখন লকডাউন থাকলেও পেটের দায়ে চুপিসারে হলেও আমাদের মতো গরীবের বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
কাওরান বাজার মোড়,বাংলামটর,শাহবাগ ইত্যাদি এলাকা ঘুরেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী লকডাউন মুখী তৎপরতা তেমন চোখে পড়েনি। নেই কোন নতুন চেকপোস্টও।
এ ব্যাপারে জোনের ট্র্যাফিক সার্জেন্ট মোর্শেদুল ইসলাম টিবিএস কে বলেন, আমরা আজ থেকেই বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়েছি, পাবলিককে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করছি।ইতোমধ্যে মধ্যে রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের সংখ্যা বেশ কমেছে বলে মনে হচ্ছে। যদি সরকার থেকে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয় তাহলে আমরা আরও বেশি কঠোর হবো।
তবে রাস্তায় যাত্রীবাহী বাসের সংখ্যা কম থাকলেও বিভিন্ন অফিসের নির্দিষ্ট বাস ঠিকই চলাচল করছে।
