Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
April 10, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, APRIL 10, 2026
স্বৈরাচার, শোভাযাত্রা ও মুখোশ 

ফিচার

সালেহ শফিক
14 April, 2022, 01:05 pm
Last modified: 14 April, 2022, 01:12 pm

Related News

  • বর্ষবরণ শোভাযাত্রার নাম বারবার বদল কেন?
  • পহেলা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বন্ধে হাইকোর্টে রিট
  • ‘মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ’ নয়, এখন থেকে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় শোকে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আতশবাজি–পটকা ফাটিয়ে ঢাকায় নববর্ষ উদযাপন
  • 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' নতুন নামে স্বীকৃতি পেতে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে: ইউনেস্কো

স্বৈরাচার, শোভাযাত্রা ও মুখোশ 

মধ্যযুগে লিঙ্গ, শ্রেণী, বর্ণ, গোত্র আড়াল করতেই মুখোশের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। কার্নিভাল বা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বৈষম্যের স্বীকার হতো না মুখোশের কারণেই। মানে এতে সবাই মিলে আনন্দ করার সুযোগ মিলত।
সালেহ শফিক
14 April, 2022, 01:05 pm
Last modified: 14 April, 2022, 01:12 pm
ছবি-সংগৃহীত

তেত্রিশ বছর পেরোচ্ছে এবার ঢাকার মঙ্গল শোভাযাত্রা। যশোর শোভাযাত্রার বয়স অবশ্য এর চেয়ে চার বছর বেশি। সেটা ১৯৮৫ সাল। স্বৈরাচারের কবলে দেশ। ঢাকা চারুকলা থেকে পড়াশোনা শেষ করে নিজের শহর যশোরে ফিরলেন মাহবুব জামাল শামীমসহ আরো কয়েকজন। গড়ে তুললেন চারুপীঠ নামের শিল্পচর্চা প্রতিষ্ঠান।

একুশ দিয়েছিল প্রেরণা

শামীমরা ওই বছরই বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে শোভাযাত্রা করার পরিকল্পণা করে। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরিই চিন্তার দরজা খুলে দেয়। শেষ চৈত্রের রাতেই শামীমরা কাজে লেগে যান। সারারাত ধরে তৈরি করেন পরী, পাখি আর বাঘের মুখ। নতুন বছরের প্রথম দিনে চারুপীঠের ছেলেমেয়েরা পাঞ্জাবী আর শাড়ি পরে শোভাযাত্রা শুরু করে। ঢোলের তালে নেচে নেচে  শহর ঘোরে। এটিই আমাদের দেশে বর্ষবরণের প্রথম শোভাযাত্রা। আগে থেকেই যশোরে সুরধনী, উদীচীর মতো সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বেশ শক্তিশালী ছিল। পরের বছর তারাও যোগ দিল শোভাযাত্রায়, প্রায় সাড়ে তিন হাজার মুখোশ তৈরি হয়েছিল সে বছর। তারপর থেকে ফি বছরই হচ্ছিল যশোরে।

ছবি-সংগৃহীত

এলো ১৯৮৯ সাল। স্বৈরাচারের সঙ্গী তখন স্বাধীনতা বিরোধীরাও। তুঙ্গে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনও। ঢাকায় চলল নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি। কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীরা নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেল একটু। প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠল গান, কবিতা আর শিল্পকর্ম। কিন্তু শাসকের চোখে তখন রক্ত উঠে গেছে। সব কিছুতেই তার ভয়, সন্দেহ। চারুকলার ছাত্ররা প্রেরণা পেল যশোর থেকে। অবশ্য আগের বছর মানে ১৯৮৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জয়নুল আবেদিনের জন্মবার্ষিকী পালনকালে শোভাযাত্রার একটা মহড়া হয়ে গিয়েছিল। তাতে মুখোশ, রঙপাত্র ও দশাসই কলম নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন শিল্পাচার্যের ছাত্রছাত্রীরা।

বর্ষবরণ প্রস্তুতিতে সোনারগাঁয়ের লোকশিল্প জাদুঘরের কাঠের হাতিটির মতো করে হাতির কাঠামো বানানো হলো যেটি ছিল ১১ ফুট উচু। হাতির গায়ের চামড়া হিসাবে চট লাগানো হলো।  সাইদুল হক জুইস বাঘের একটা মুখোশ বানালেন। আরো তৈরি হয়েছিল ১৪টি ঘোড়া, ৮০০ মুকুট আর মুখোশ আরো ৬০টি। ঢাকিরা শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিল ১০টি ঢাক নিয়ে।

মুখোশ নিয়ে কথা

গ্রিসের জাতীয় পুরাতত্ত্ব জাদুঘরে ৩৭০০ বছরের পুরোনো সোনার মুখোশ রক্ষিত আছে। শুরুতে একে রাজা আগামেমননের ডেথ মাস্ক বলে মনে করা হয়েছিল। অনেক গবেষক দাবি করেন ৪০০০ বছর আগেও মুখোশের চল ছিল বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা আর আফ্রিকায়। জাদু ও ধর্মবিশ্বাসকে কেন্দ্র করে মুখোশের ব্যবহার ছিল ওই সব অঞ্চলে। ভারতবর্ষে শিবের বন্দনায় মুখোশের ব্যবহার ছিল। মহাদেব, কালী, শিব-পার্বতীর মুখোশের ব্যবহার দেখা যায় ভারতবর্ষে। মানুষের পশু প্রীতি থেকে বাঘ, সিংহ, কুমির, বানর, প্রজাপতি, পাখি, সাপ ইত্যাদির মুখোশ তৈরি হয়েছে। মুখোশ তৈরি হয় সাধারণত কাপড়, কাঠ, কাগজ, শোলা, মাটি দিয়ে।

ছবি-সংগৃহীত

একজন শিল্পী জুইস

রংপুরে সাইদুল হক জুইসের জন্ম ১৯৬০ সালে। স্নাতক হয়েছেন ১৯৮২ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে। এমএফএ শেষ করেন ১৯৮৫ সালে। তাকে বলা হয় মুখোশের মাস্টার। ভাজ করা কাগজ তার কাজের মাধ্যম। পেপার ফোল্ডিংয়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। গড়েছেন দশাসই সব মুখোশ। ফ্যান্টাসি কিংডম এবং আরব বসন্ত তার বহুল আলোচিত আর্ট সিরিজ। বিদেশেরও কিছু কার্নিভালে তিনি মুখোশ গড়েছেন। তাঁর শিল্পকর্ম পরিবেশ-প্রকৃতি ও সমাজ সচেতন। কখনো তিনি প্রতিবাদী, কখনোবা বিদ্রুপাত্মক। বড় বড় শিল্পকর্ম গড়েন যেন বেশি মানুষ আকৃষ্ট হয়। তবে শিল্পকে ব্যয়বহুল করার তিনি ঘোর বিরোধী। ১৯৯২ সালে তার গড়া মুখোশের প্রথম প্রদর্শনী হয়। ঢাকা আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের পুরো উৎসবস্থল তিনি ২০০০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর নকশা করেছেন। ডেনমার্কের কোপেনহেগেন কার্নিভালে তিনি মুখোশ ও বাঁশে গড়া শিল্পকর্ম উপস্থাপন করেন। ২০১০ সালে জার্মানীর কোলন কার্নিভালেও তিনি মুখোশ নিয়ে অংশ নেন।

শিল্পী সাইদুল হক জুইস; ছবি- মোহাম্মদ আসাদ

মুখোশ এখন ডেকোরেটররাও বানাতে পারছে: সাইদুল হক জুইস 

কিভাবে মুখোশের প্রতি আকৃষ্ট হলেন?

ছোটবেলা থেকেই মেলায় মেলায় ঘুরতাম। মুড়িমুড়কি কিনতাম। সাদা রসের ভিয়েন দেওয়া হাতি, ঘোড়া খাওয়ার চেয়ে দেখতামই বেশি। তারপর চৈত্র জুড়ে দেখতাম কালী নাচ। বিশেষ করে সংক্রান্তিতে কালীর মুখোশ পরে নাচতে দেখতাম অনেককে। এভাবেই কখন যে মনের মধ্যে বাসা বেধে ফেলেছে মুখোশ তা বুঝতেও পারিনি।

অনেক দেশের মুখোশ নিশ্চয়ই দেখেছেন। কাদের মুখোশ সেরা?

সেরা কারোরটাই বলা ঠিক না। সবারই নিজস্বতা রয়েছে। তবে আফ্রিকান মুখোশ মশহুর। ওদের ওখানে জাদুবিশ্বাসের চর্চা হতো অনেক থেকেই, এখনো হয়। তাই পূজার উপকরণ হিসাবেই মুখোশ লাগে। ভুটান আর শ্রীলংকার কাঠের মুখোশও আকর্ষণীয়। মুখোশের বাহার দেখা যায় চীন আর জাপানেও। সেখানে লোক আচারের অংশ মুখোশ। শিল্পী পিকাসো অফ্রিকার মুখোশের ভক্ত ছিলেন। ওইসব মুখোশ তার কাজে পরিবর্তন এনেছে। পিকাসোর মশহুর ছবি এভিগননেও মুখোশের ব্যবহার দেখবেন। আমাদের কামরুল হাসানও মুখোশ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন।

শোভাযাত্রায় মুখোশের ব্যবহার হয় প্রচুর, কারণ কি?

মধ্যযুগে লিঙ্গ, শ্রেণী, বর্ণ, গোত্র আড়াল করতেই মুখোশের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। কার্নিভাল বা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বৈষম্যের স্বীকার হতো না মুখোশের কারণেই। মানে এতে সবাই মিলে আনন্দ করার সুযোগ মিলত। ১৩ শতকে ভেনিস কার্নিভাল দিয়ে এর শুরু। নারীরা কার্নিভালগুলোয় মুখ ও মাথা না ঢেকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেত না। তাই তারা মুখে রঙ মেখে, পরচুলা পরে মানে নানান কায়দা করে শোভাযাত্রায় অংশ নিত। 

আমাদের বৈশাখী মুখোশের বৈশিষ্ট্য কি?

শুরুটা যখন হয়েছিল তখন ছিল স্বৈরাচারের যুগ। স্বাধীনতাবিরোধীরাও সদম্ভে ঘুরে বেড়াত। তখন আমাদের প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল শেকড় অনুসন্ধানের, ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের।  বৈশাখ উদযাপনের ইতিহাস আমাদের বহু পুরোনো। বৈশাখী মেলার বয়স কয়েকশ বছরের। আমরা শোভাযাত্রার জন্য কাপড় খুঁজতে গিয়েছিলাম ইসলামপুরে। সেখানে কাপড়ের দোকানে তাকভর্তি রঙিন কাপড় দেখে কৌতূহলী হয়েছিলাম। দোকানী বলেছিলেন, এগুলো বৈশাখের পোশাকের কাপড়। জেলায় জেলায় নিয়ে যাবে বেপারীরা। শহরের বৈশাখের ইতিহাস বেশিদিনের নয় কিন্তু গ্রামে-গঞ্জে লোকের মাঝে বৈশাখ অনেক আগে থেকেই আছে।

ছবি-টিবিএস

আপনি বৈশাখী মুখোশ কি কি করেছেন?

প্রথমবার করেছিলাম বাঘের মুখোশ। তারপর লম্বা বড় পাখি, মহররমের ঘোড়া ইত্যাদি। তখন আমাদের টাকাপয়সার খুব টানাটানি ছিল । তাই কম দামি উপকরণ দিয়েই কাজ করতাম। আরেকটি ব্যাপার নজর রাখতাম, যেন মুখোশ বা পুতুলগুলো ওজনে হালকা হয় মানে বয়ে নেওয়া যায় সহজে। পুতুল বা মুখোশগুলো প্রমাণ সাইজের হতো,  এর কারণ হলো লোকে যেন ভালো করে দেখতে পায়। পুতুল ঘোড়ার কথা ধরুন, অনেকের বাড়িতেই আছে, আগে অনেকবারই দেখেছেন, কিন্তু এটা যখন ২০ ফুট বড় হয়ে যায় তখন তার চেহারাই বদলে যায় মানে পুতুলটি তখন ডাকতে থাকে, আমাকে দেখো, আমাকে দেখো।  তার আহ্বান এড়ানো তখন কঠিন হয়।

পুতুলের গড়নে দেশে দেশে ফারাক কেমন?

মাটি যদি মূল উপকরণ হয় তবে সাদৃশ্য দেখবেনই। আবার পার্থক্যও দেখবেন সেটা ঐতিহ্যের আর অভিজ্ঞতার। আমাদের এখানে নারীর (দেবী দুর্গা, কালীর কথা ভাবুন) প্রতি সম্মান দেখানোর চল বহু পুরোনো। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ছিল আমাদের। তাই আমাদের নারীমূর্তির এক বিশেষ ধরণ আছে যা অন্য দেশে পাবেন না।

আপনারা কি পুতুলগুলো হুবহু কপি করতেন?

অবশ্যই না। শিল্পী কখনোই হুবহু কপি করে না। পুরোনোকে নতুন করাও শিল্পীর কাজ। গোড়ার দিকে আমরা স্কুলগুলোতেও গিয়েছি। ছাত্রছাত্রীদের বলতাম তোমরা নিজেরা মুখোশ করে নিয়ে এসো, সেগুলো দিয়েই শোভাযাত্রা সাজাব। পরিকল্পনামতো কাজও হয়েছিল কিছু কিন্তু এখন দেখছি চারুকলার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও কপি করার ঝোঁক বাড়ছে। এটা মোটেও ভালো কিছু নয়।

বৈশাখ, শোভাযাত্রা, মুখোশ ইত্যাদি দিয়ে ফল কি পেলেন?

আনন্দ পেয়েছি, আনন্দ জোগান দিয়েছি। কার্নিভাল মানে তো আনন্দই। এখন দেখবেন ডেকোরেটররাও মুখোশ বানাচ্ছে, বিক্রিও হচ্ছে নিশ্চয়ই, মানে এর বাজারটাও বড় হয়েছে। এটাও একটা প্রাপ্তি। তারপর আমরা ঢোল বাজিয়ে মৌলবাদীদের মর্মে আঘাত করেছি। প্রাপ্তি কম নয়।

আগামীতে কি করবেন ভাবছেন?

কাজ অনেক জমে আছে। আমি শিল্পের মুক্তিতে বিশ্বাসী। আমি চাই শিল্প বেড়িয়ে আসবে গ্যালারি থেকে, বড়লোকের ড্রইংরুম থেকে। শিল্প তার সৌন্দর্য প্রকাশ করবে এভিনিউতে, স্ট্রিটে। আগামীতে মুখোশের ফ্রি ওয়ার্কশপ করানোর কথা ভাবছি। যেন সবাই শিখতে পারে, ছড়িয়ে দিতে পারে শিল্প।
 

Related Topics

টপ নিউজ

মুখোশ / মঙ্গল শোভাযাত্রা / বর্ষবরণ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: গ্যালো ইমেজ/অরবিটাল হরাইজন/কোপার্নিকাস সেন্টিনেল।
    তেহরানের ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ‘টোলবুথ’ চিরতরে বদলে দিতে পারে মধ্যপ্রাচ্যকে
  • জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের
    জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের
  • মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির
    মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির
  • ফাইল ছবি
    ‘মুক্তিযোদ্ধারা যাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন’ সেই তালিকা থেকে জামায়াতের নাম বাদের দাবি বিরোধীদলীয় নেতার
  • অলংকরণ: টিবিএস
    যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ
  • ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ (বামে) এবং সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনির (ডানে)। ছবি: কিস্তান সরকারের সৌজন্যে
    ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতা করতে চাপ দিয়েছিল হোয়াইট হাউজ

Related News

  • বর্ষবরণ শোভাযাত্রার নাম বারবার বদল কেন?
  • পহেলা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বন্ধে হাইকোর্টে রিট
  • ‘মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ’ নয়, এখন থেকে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’: সংস্কৃতিমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় শোকে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আতশবাজি–পটকা ফাটিয়ে ঢাকায় নববর্ষ উদযাপন
  • 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' নতুন নামে স্বীকৃতি পেতে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে: ইউনেস্কো

Most Read

1
ছবি: গ্যালো ইমেজ/অরবিটাল হরাইজন/কোপার্নিকাস সেন্টিনেল।
আন্তর্জাতিক

তেহরানের ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ‘টোলবুথ’ চিরতরে বদলে দিতে পারে মধ্যপ্রাচ্যকে

2
জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের
অর্থনীতি

জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের

3
মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির
অর্থনীতি

মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির

4
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

‘মুক্তিযোদ্ধারা যাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন’ সেই তালিকা থেকে জামায়াতের নাম বাদের দাবি বিরোধীদলীয় নেতার

5
অলংকরণ: টিবিএস
বাংলাদেশ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ

6
ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ (বামে) এবং সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনির (ডানে)। ছবি: কিস্তান সরকারের সৌজন্যে
আন্তর্জাতিক

ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতা করতে চাপ দিয়েছিল হোয়াইট হাউজ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net