Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
October 04, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, OCTOBER 04, 2026
মিসরীয় ভাস্কর্যগুলোর নাক ভাঙা কেন?

ফিচার

টিবিএস ডেস্ক
18 June, 2020, 09:50 pm
Last modified: 18 June, 2020, 10:29 pm

Related News

  • দাস ব্যবসার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে ব্রিটেনকে আফ্রিকানদের ভাস্কর্য নির্মাণ করতে বলল জাতিসংঘ; বলল আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথাও
  • বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেবে সরকার
  • ইতিহাস গড়ে শেষ ষোলোতে মিসর, ফিলিস্তিনকে জয় উৎসর্গ করলেন কোচ
  • শেষ মুহূর্তে গোল বাতিল, বিশ্বকাপ স্বপ্ন সুতোয় ঝুলছে ইরানের; প্রথমবার নক আউটে মিসর
  • ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথম জয়ে গ্রুপ পর্বেও শীর্ষে মিসর

মিসরীয় ভাস্কর্যগুলোর নাক ভাঙা কেন?

ভাস্কর্যের 'জ্যান্ত' হয়ে ওঠার বিশ্বাস থেকে মানব প্রতিমা ভেঙে ফেলার এই চর্চা মিসরীয় ইতিহাসের একদম শুরু থেকেই চলছিল।
টিবিএস ডেস্ক
18 June, 2020, 09:50 pm
Last modified: 18 June, 2020, 10:29 pm
খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের মিসরীয় শাসক ফারাও তৃতীয় সেনওস্রেটের ভাস্কর্যের অংশবিশেষ। ছবি: দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট, নিউইয়র্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিন মিউজিয়াম সমৃদ্ধ হয়ে আছে প্রাচীন ভাস্কর্যে। সেটির ইজিপসিয়ান আর্ট গ্যালারিতে আশা দর্শণার্থীদের কাছ থেকে কিউরেটর এডওয়ার্ড ব্লেইবার্গকে একটি প্রশ্ন বারবার শুনতে হয়েছে: 'ভাস্কর্যগুলোর নাক ভাঙা কেন?'

ইজিপসিয়ান, ক্ল্যাসিকেল ও প্রাচীন 'নিয়ার ইস্টার্ন' আর্টের ব্যাপক সংগ্রহের তদারকি করেন ব্লেইবার্গ। প্রথম প্রথম এ ধরনের প্রশ্ন শুনে তিনি চমকে যেতেন। ধরে নিয়েছিলেন, ভাস্কর্যগুলো নষ্ট। কোনো ভাস্কর্য একদমই নষ্ট হয়নি- কী করে সেটা বুঝবেন, সেই পাঠ নিতে ইজিপটোলজির ওপর প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

১৩৫৩-১৩৩৬ খ্রিস্টপূর্বের একটি ভাস্কর্যে কোনো এক রানির মুখের অংশবিশেষ

কী পেলেন উত্তর, চলুন জানা যাক সিএনএনের সূত্র ধরে।

হাজারও বছরের পুরনো কোনো শিল্পকর্ম দেখতে ভাঙা কিংবা বিচ্ছিন্ন মনে হওয়াই স্বাভাবিক। তবু দর্শকদের প্রশ্নটি মাথায় রেখে গবেষণা চালিয়ে গেলেন ব্লেইবার্গ। জানতে পারলেন, কী কারণে বেশিরভাগ মিসরীয় ভাস্কর্যেরই এই 'খুঁত' রয়েছে।

মনে রাখা দরকার, হিউম্যান ফর্ম বা মানব রূপের ইমেজগুলোতে শক্তির প্রকাশ ঘটানো ছিল প্রাচীন মিসরীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তারা বিশ্বাস করতেন, দেব-দেবীর ভাস্কর্য বা চিত্রের ভেতর দেবশক্তি বিরাজ করে। এমনকি কোনো মানুষের ভাস্কর্যও যদি বানানো হয়, সেই ভাস্কর্যের ভেতর বিশেষ শক্তি বিরাজ করবে বলে ধারণা ছিল তাদের। এ কারণে ভাস্কর্যের 'অপশক্তি'কে খর্ব করে দিতে এই খুঁতের আবির্ভাব।

আচারনিষ্ঠতার জায়গা থেকেই বেশির ভাগ ভাস্কর্যের জায়গা হতো সমাধিস্তম্ভ আর প্রার্থনালয়গুলোতে। ব্লেইবার্গ বলেন, 'অতিপ্রাকৃতিক শক্তির কাছে নিজেদের নিবেদন করার জন্য' প্রচুর খরচ করতেন প্রাচীন মিসরীয়রা। সমাধিস্তম্ভে তারা এ ভাবনা থেকেই খাবারও দিয়ে দিতেন, যেন মৃত লোকটির পরকালে কাজে লাগে! প্রার্থনালয়গুলোতে দেব-দেবীর পাশাপাশি রাজা কিংবা অন্যান্য অভিজাত লোকের নিজ খরচে বানানো ভাস্কর্যও জায়গা পেত।

আচার-অনুষ্ঠান চলাকালে 'এই দুনিয়া ও অতিপ্রাকৃতিক শক্তির মধ্যে একটি মিলনবিন্দু হিসেবে বিবেচিত হতো ভাস্কর্যগুলো,' বলেন ব্লেইবার্গ। আর সেই শক্তিকে খানিকটা খর্ব করার উদ্দেশ্যেই ভাস্কর্য ভাঙার রেওয়াজ চালু হয়।

মিসরীয় রানি হাতশেপসুতের ভাস্কর্য

ব্লেইবার্গ বলেন, 'ভাস্কর্যের শরীরের যে অংশটি ভাঙা হয়েছে, সেটি আর সক্রিয় হতে পারবে না,' এমনটাই বিশ্বাস ছিল। নাক না থাকলে ভাস্করে বিরাজ করা আত্মাটি নিঃশ্বাস নিতে পারবে না; এর ফলে ওই শক্তিটি 'মারা' যাবে। হাতুড়ি দিয়ে কোনো দেবতার ভাস্কর্যের কান ভেঙে ফেলা মানে ছিল, ওই দেবতা আর প্রার্থনা শুনতে পাবে না।

'ভাস্কর্যের কাজ আসলে কী- সে সম্পর্কে মিসরীয়দের একটা পরিষ্কার বোঝাপড়া হয়ে গিয়েছিল ফারাও যুগে,' বলেন ব্লেইবার্গ। এমনকি সমাধিস্তম্ভে হানা দেওয়া ছিঁচকে চোরও বিশেষ কিছু অনুষঙ্গ চুরি করার ব্যাপারে আগ্রহী ছিল; ভাবত, যদি ভাস্কর্যের বিশেষ অংশ সে ভেঙে না ফেলে, তাহলে তার ভেতরে থাকা মৃত লোকটি একদিন ঠিকই প্রতিশোধ নেবে।

ভাস্কর্যের 'জ্যান্ত' হয়ে ওঠার বিশ্বাস থেকে মানব প্রতিমা ভেঙে ফেলার এই চর্চা মিসরীয় ইতিহাসের একদম শুরু থেকেই চলছিল। উদাহরণ হিসেবে যদি ইচ্ছেকৃতভাবে খানিকটা ভেঙে ফেলা বা বিকৃত করে দেওয়া ফারাও যুগের মমিগুলোর কথা ধরি, সেটি আসলে 'মমিতে থাকা লোকটির শক্তিকে খর্ব করে দেওয়ার একেবারের সাংস্কৃতিক বিশ্বাস থেকে' উৎপত্তি, বলে জানিয়েছেন ব্লেইবার্গ।

খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ভাস্কর্য

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিশ্বাসেরও বদল ঘটেছে। বদল ঘটেছে ভাস্কর্যগুলো সম্পর্কে বিশ্বাস বা বোঝাপড়ায়ও। মিসরে খ্রিস্টান যুগে, অর্থাৎ, প্রথম থেকে তৃতীয় শতাব্দীতে ভাস্কর্যের ভেতর বাস করা দেশজ দেব-দেবীকে পৌত্তলিক প্রেত হিসেবে গণ্য করে ভয় পাওয়া হতো। পৌত্তলিকতার বিনাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যে এগুলোর ওপর বারবার হামলা চালানো হয়েছে।

সপ্তম দশকে মুসলমানরা মিসর দখল করে নিলে, পণ্ডিতরা আন্দাজ করলেন, এইসব প্রাচীন আচারনিষ্ঠ অনুষঙ্গের প্রতি ভয় কেটেছে মানুষের। এ সময়ে ওইসব পাথুরে ভাস্কর্যকে নিয়মিতভাবেই ছেঁটে আয়তক্ষেত্র আকারে দালান নির্মাণ কাজের ব্লক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

'প্রাচীন প্রার্থনালয়গুলো ছিল শিল্পের খনি', ব্লেইবার্গ বলেন, 'আপনি যদি মধ্যযুগীয় কায়রোর ছবির দিকে তাকান, দেয়ালে প্রচুর প্রাচীন মিসরীয় অনুষঙ্গের দেখা পাবেন।'

মিসরীয় সভ্যতার সেই প্রাচীন যুগের যে শিল্পকর্মগুলো এখনো টিকে রয়েছে, সেগুলোকে ফাইন আর্টের একেকটি মাস্টারপিস হিসেবে গণ্য করার মতো। এ প্রসঙ্গে ব্লেইবার্গ মনে করিয়ে দেন, "প্রাচীন মিসরীয়দের অভিধানে 'শিল্প' বলে কোনো শব্দ ছিল না। তারা এগুলোকে 'উপকরণ' হিসেবেই গণ্য করতেন।"

Related Topics

টপ নিউজ

মিসর / প্রাচীন সভ্যতা / ভাস্কর্য

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: বিজনেস ইনসাইডার
    ইলন মাস্কের সঙ্গে হঠাৎ বিচ্ছেদ, শেষ খুদে বার্তা প্রকাশ করলেন চার সন্তানের মা শিভন জিলিস
  • ছবি: বলিউড হাঙ্গামা
    চীনকে ‘ইতিবাচকভাবে’ উপস্থাপনের পর সরকারের সবুজ সংকেত পেল সালমানের আটকে থাকা সিনেমা
  • ছবি: সংগৃহীত
    ‘এ বিষয়ে আমাদের কোনো বিকল্প ছিল না’: ভারতে হাসিনার অবতরণ প্রসঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদী
  • ফাইল ছবি/সংগৃহীত
    রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে 
  • ছবি সৌজন্যে: হোয়াইট হাউস
    ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের ছবি প্রকাশ
  • ছবি: সংগৃহীত
    ৩ হাজার কোটি টাকার এলইডি বাল্বের বাজারের অর্ধেকই মান-সনদহীন, চাপে নিয়ম মেনে চলা উৎপাদকরা

Related News

  • দাস ব্যবসার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে ব্রিটেনকে আফ্রিকানদের ভাস্কর্য নির্মাণ করতে বলল জাতিসংঘ; বলল আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথাও
  • বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেবে সরকার
  • ইতিহাস গড়ে শেষ ষোলোতে মিসর, ফিলিস্তিনকে জয় উৎসর্গ করলেন কোচ
  • শেষ মুহূর্তে গোল বাতিল, বিশ্বকাপ স্বপ্ন সুতোয় ঝুলছে ইরানের; প্রথমবার নক আউটে মিসর
  • ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথম জয়ে গ্রুপ পর্বেও শীর্ষে মিসর

Most Read

1
ছবি: বিজনেস ইনসাইডার
আন্তর্জাতিক

ইলন মাস্কের সঙ্গে হঠাৎ বিচ্ছেদ, শেষ খুদে বার্তা প্রকাশ করলেন চার সন্তানের মা শিভন জিলিস

2
ছবি: বলিউড হাঙ্গামা
বিনোদন

চীনকে ‘ইতিবাচকভাবে’ উপস্থাপনের পর সরকারের সবুজ সংকেত পেল সালমানের আটকে থাকা সিনেমা

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

‘এ বিষয়ে আমাদের কোনো বিকল্প ছিল না’: ভারতে হাসিনার অবতরণ প্রসঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদী

4
ফাইল ছবি/সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে 

5
ছবি সৌজন্যে: হোয়াইট হাউস
বাংলাদেশ

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের ছবি প্রকাশ

6
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

৩ হাজার কোটি টাকার এলইডি বাল্বের বাজারের অর্ধেকই মান-সনদহীন, চাপে নিয়ম মেনে চলা উৎপাদকরা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net