‘সাকিবের পাশে আছে বিসিবি, ও প্রয়োজন মনে করলে দেশে চলে যাবে’
সাকিব আল হাসান যখন দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ খেলায় ব্যস্ত, তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য তখন ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি। স্বাভাবিকভাবেই এমন খবরে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। দেশে ফিরে আসার কথা ভাবছেন তিনি। তবে সাকিব এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকায় দলের সঙ্গে থাকা বিসিবির নির্বাচক ও সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার।
হৃদরোগে আক্রান্ত সাকিবের মা শিরিন আক্তার ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি। নিউমোনিয়া ও জ্বর নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি সাকিবের দুই কন্যা ও ছেলে। এ ছাড়া সম্মিলিত সামরিক হাতপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি ক্যান্সার আক্রান্ত সাকিবের শাশুড়ি। তাদের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে সাকিবের দেশে ফেরার বিষয়টি।
হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন, এমন অবস্থায় সাকিবের পাশে আছে বিসিবি। প্রয়োজন মনে করলে তিনি দেশে ফিরে আসবেন। তবে এখন পর্যন্ত সাকিবের দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
হাবিবুল বাশার বলেন, 'এ বিষয়ে সাকিব এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। সে নিয়মিত খবর রাখছে তার পরিবারের সদস্যদের। পুরোটাই নির্ভর করছে ওই দিকের পরিস্থতির ওপর। এখন সে যাবে নাকি থাকবে, এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। কাল সকালে ওখানকার অবস্থা বুঝে সাকিব সিদ্ধান্ত নেবে।'
বিসিবি সাকিবের পাশে আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'এমন অবস্থায় সব ক্রিকেটারের পাশেই থাকে বিসিবি। সাকিবের পাশেও আছে বিসিবি, সাকিব যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে দেশে চলে যাবে। এখন পর্যন্ত সাকিব কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পুরোটাই নির্ভর করছে তারা কতখানি রিকোভার করে কিংবা কতটা খারাপের দিকে যায়, সেটার ওপর। হয়তো কাল এ ব্যাপারে বলা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত তার ফিরে যাওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।'
অনেক আগে থেকেই হৃদরোগে ভুগছেন সাকিবের মা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হলেও এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি শিরিন আক্তারের শারীরিক অবস্থা।
সাকিবের ছেলে আইজাহ আল হাসান ও দ্বিতীয় কন্যা সন্তান ইরাম হাসান নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত। বড় মেয়ে আলাইনা হাসান অউব্রির ঠান্ডা জ্বর। তারা তিনজনই দাদির সঙ্গে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাদের শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। তবে ক্যান্সারে আক্রান্ত সাকিবের শাশুড়ির শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ। সিএমএইচে তার চিকিৎসা চলছে।
