নতুন শুরুতে জোড়া গোল রোনালদোর, ম্যাচ জিতলেন মেসি-এমবাপ্পেরা
নামে প্রীতি ম্যাচ হলেও খেলার ধার দেখে সেটি বোঝার উপায় ছিলো না। বিশেষ করে সৌদি সম্মিলিত একাদশের খেলোয়াড়দের আচরণে ম্যাচটিকে বেশ বড় কোনো প্রতিযোগিতার মনে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের কাছে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে হেরেছে রোনালদোর অধিনায়কত্বে খেলতে নামা অলস্টার একাদশ।
সৌদি আরবের ফুটবলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর প্রথম ম্যাচ ছিলো এটি। একইসাথে তার এবং লিওনেল মেসির প্রায় তিন বছর পর মুখোমুখি লড়াইও ছিলো এটি। হতাশ করেননি দুই মহাতারকার কেউই।
রোনালদো করেছেন জোড়া গোল, আর ম্যাচে হওয়া ৯ গোলের প্রথমটি মেসির। দুজনকেই ম্যাচের ৬০ মিনিটে তুলে নেন নিজ নিজ দলের কোচ। নেইমার-এমবাপ্পেদেরকেও ৬০ মিনিটের বেশি মাঠে থাকার সুযোগ দেননি পিএসজি কোচ ক্রিস্তোফ গালতিয়ের।
তুলে নেওয়ার আগেই অবশ্য নিজেদের ঝলক দেখিয়েছেন মহাতারকাদের সবাই। ম্যাচের মাত্র ৩ মিনিটে মেসির এগিয়ে দেন পিএসজিকে। ৩৪ মিনিটে সৌদির দলটিকে সমতায় ফেরান রোনালদো। নতুন অধ্যায়ের প্রথম গোলটি তিনি করেন পেনাল্টি থেকে।
এরপর ৩৯ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন পিএসজির বার্নার্ট, দশজনের দল নিয়েও কম যায়নি প্যারিসিয়ানরা। মার্কিনিওস আবারো এগিয়ে দেন তাদের। যদিও যোগ করা সময়ে দ্বিতীয়বারের মতো সমতা ফেরান রোনালদো। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগেই পিএসজিকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন নেইমার, পেনাল্টি মিস করেন তিনি।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকেই রামোসের গোলে ম্যাচে তৃতীয়বারের মতো এগিয়ে যায় পিএসজি, এবার সৌদি সিজন নাম নিয়ে খেলা দলটিকে আরেকবার সমতায় ফেরান জাং হাইয়ুন সু। এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। মেসির শট সিজনের ডিফেন্ডারের হাতে লাগায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
সেখান থেকে গোল করতে কোনো ভুল হয়নি কিলিয়ান এমবাপ্পের। ৪-৩ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। এই গোলের পরই রোনালদো, মেসি, নেইমার, এমবাপ্পেদের তুলে নিলে ম্যাচের রং ফিকে হয়ে যায়।
৭৮ মিনিটে পিএসজির এগিয়ে যাওয়ার ব্যবধান বাড়ান একিতিকে। ৯০ মিনিটে সিজনের হয়ে একটি গোল শোধ করেন রোনালদোর ক্লাব আল-নাসের সতীর্থ এন্ডারসন তালিস্কা। পিএসজির ৫-৪ গোলে এগিয়ে থাকা অবস্থায় ম্যাচ শেষ হয়।
সৌদি সিজনের হয়ে এশিয়ার ফুটবলে অভিষেক হওয়া রোনালদো আল-নাসেরের হয়ে মাঠে নামতে পারেন ২২ জানুয়ারি।
