কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড, ডিআর কঙ্গোর বিদায়
বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে বড় অঘটনের ইঙ্গিত দিয়েছিল আফ্রিকা জায়ান্ট ডিআর কঙ্গো। তবে খাদের কিনারা থেকে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি এনে দেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এরপর ৮৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন কেইন। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে অবশেষে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।
ম্যাচের শুরুতেই ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়ে লিড নেয় আন্ডারডগ হিসেবে মাঠে নামা ডিআর কঙ্গো। মাত্র ৭ম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার দুর্দান্ত এক নিচু শট জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে কঙ্গো রীতিমতো আধিপত্য দেখাতে শুরু করে।
পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ইংল্যান্ড বল পজেশনে অনেক এগিয়ে থাকলেও বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। জুড বেলিংহামের দুটি নিশ্চিত হেড গোল হওয়ার হাত থেকে বাঁচান তিনি। এমনকি প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে হ্যারি কেইনের খুব কাছ থেকে নেওয়া শটটিও রুখে দেন এই গোলরক্ষক। এর মাঝে বক্সে কেইন ফাউলের শিকার হলে ভিএআর পরীক্ষায় পেনাল্টি থেকেও বঞ্চিত হয় থ্রি লায়ন্সরা। বিরতির ঠিক আগে কঙ্গো তাদের ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু ইয়োনে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কঙ্গো।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় ইংল্যান্ড। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পান হ্যারি কেইন। বাম প্রান্ত থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত এক ক্রস ডি-বক্সের ভেতরে খুঁজে পায় কেইনকে। নিখুঁত হেডে এমপাসিকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি। এটি চলতি বিশ্বকাপে কেইনের চতুর্থ গোল। কেইনের এই গোলের মাধ্যমে ইংল্যান্ড ম্যাচে প্রাণ ফিরে পায় এবং আটলান্টার গ্যালারিতে থাকা ইংলিশ সমর্থকদের মধ্যেও স্বস্তি ফেরে।
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে বক্সের সামান্য বাইরে গর্ডনের কাছ থেকে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে যান কেইন। এরপর ডান পায়ের জোরালো শটে পাঠিয়ে দেন জালে।
আগামী ৬ জুলাই আজটেকা স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোতে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।
