যারা বউ পেটায়, তাদের চেহারা কি আলাদা হয়?
বাংলাদেশে প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন নারী, অর্থাৎ শতকরা ৭৬ জন তাদের জীবনে অন্তত একবার জীবনসঙ্গী বা স্বামী কর্তৃক সহিংসতার শিকার হয়েছেন–যার মধ্যে রয়েছে শারীরিক, যৌন, মানসিক এবং অর্থনৈতিক সহিংসতা এবং নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ।
গত এক বছরে (২০২৪) শতকরা ৪৯ জন নারী এ ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
চিন্তার কথা হলো, এই তিনজন ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন ভুক্তভোগী, অর্থাৎ শতকরা ৬২ জন, কখনোই প্রকাশ করেননি যে তারা সহিংসতার মুখোমুখি হন বা হয়েছেন।
উদ্বেগজনক এই তথ্যটি উঠে এসেছে 'নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০২৪' এ। সারাদেশে নারী ও মেয়েদের ওপর সহিংসতার ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল জরিপটি পরিচালনা করেছে। জরিপে প্রকাশিত এই তথ্য দেখে বিস্মিত হলেও, অবিশ্বাস করার কোন উপায় নেই। কারণ গৃহ অভ্যন্তরে নারী নির্যাতনের ঘটনা বছরের পরে বছর ঘটেই চলছে।
নতুন বছরের (২০২৬) প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ১০৬ জন নারী গৃহ সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এই সহিংসতার মধ্যে রয়েছে স্বামী, স্বামীর পরিবার ও নিজের পরিবারের সদস্যদের দ্বারা নির্যাতন। এদের মধ্যে ৪১ জনকে স্বামী হত্যা করেছে বলে অভিযোগ আছে। নিজ পরিবারের সদস্যদের হাতে নিহত হয়েছেন ১৩ জন। নিগৃহীত হয়ে ২৬ জন নারী আত্মহত্যা করেছেন। (সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র)
ফিরে তাকাই ২০২৫ সালের দিকে। গৃহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৫৬০ জন নারী। এরমধ্যে ২১৭ জনকে স্বামী হত্যা করেছে বলে অভিযোগ আছে। নিজ পরিবারে হত্যা শিকার হয়েছেন ৫১ জন। আর আত্মহত্যা করেছেন ১৬৮ জন নারী। (আসক)
জরিপের তথ্য মতে, অর্ধেকেরও বেশি নারী শতকরা ৫৪ জন জীবদ্দশায় স্বামীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। যৌন সহিংসতার শিকার নারীদের মধ্যে ৬০ শতাংশ গত ১২ মাসে একাধিকবার সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন।
ভয়াবহ ব্যাপার হলো গর্ভাবস্থায়, বিবাহিত নারীদের মধ্যে ৭.২% জন শারীরিক সহিংসতার এবং ৫.৩% যৌন সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন, যা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। অথচ এই সময়টাতে একজন নারী সবদিক থেকেই শান্তি ও নিরাপদে থাকবেন বলে ধারণা করা হয়।
বাংলাদেশে স্ত্রী নির্যাতন কতটা হচ্ছে, এটা বোঝার জন্য ওপরের জরিপটি একমাত্র নয়। বিশ্বের যেসব দেশে স্বামী বা সঙ্গীর হাতে নারী নির্যাতনের হার বেশি, সেসব দেশের তালিকায় ৪র্থ স্থানে উঠে এসেছিল বাংলাদেশের নাম সেই ২০২১ সালে। দেশের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নারীদের ৫০ শতাংশই জীবনে কখনও না কখনও সঙ্গীর হাতে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। (সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)।
স্ত্রী নির্যাতনে বাংলাদেশের পুরুষরা যতোই সামনের অবস্থানে থাকুক না কেন, অধিকাংশ পুরুষ মনে করে স্ত্রীকে নির্যাতন করে তারা কোনো অন্যায় করেননি এবং এজন্য তারা লজ্জিতও নয়।
দেশের শহর ও গ্রামের শতকরা ৬৩ ভাগ পুরুষ এখনও মনে করেন, 'সহবাসে রাজি না হলে বউকে মারাটা জায়েজ।' অন্যদিকে শতকরা ৬২ জন পুরুষ বিশ্বাস করে যে এমনও সময় আসে, যখন বউয়ের নিজের কাজের জন্যই তার মার খাওয়াটা উচিত হয়ে যায়। (সূত্র: ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের করা জরিপ)
এতভাবে নিপীড়নের শিকার হওয়ার পরেও নারী কেন আইনের দ্বারস্থ হন না বা চিকিৎসা সুবিধা নেন না? এর উত্তর হচ্ছে, চিকিৎসা ও আইনি সহায়তার জন্য নারীদের এখনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়, নারীর হাতে সে পরিমাণ অর্থ থাকে না। আর পরিবার ও সমাজের ক্ষতিকর প্রভাব বা সামাজিক রীতিনীতি অনেক নারীকে নীরব থাকতে বাধ্য করে।
তাছাড়া ২ জনের মধ্যে ১ জনেরও কম নারী (৪৮.৫ শতাংশ) জানেন যে কোথায় সহিংসতার অভিযোগ জানাতে হয়, এবং মাত্র ১২.৩ শতাংশ নারী হেল্পলাইন ১০৯ সম্পর্কে জানেন।
স্বামীর কাছে মারধরের শিকার হয়ে সমাজের উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত মেয়েরা স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চান। নানা ধরনের আইনি পরামর্শ নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত তারা কোনোটাই গ্রহণ করেন না। বরং কেউ সন্তান নেন, কেউ মার খেতেই থাকেন, কেউ বিষণ্নতায় ভোগেন এবং অধিকাংশই নির্যাতন হজম করতে করতে অভ্যস্থ হয়ে যান।
এই পরিস্থিতি একজন নির্যাতিত নারীর স্বাভাবিক জীবনযাপনকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করে। অনেকে গ্লানি সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বা নিহত হন। মূলত সমাজ কী বলবে এই শঙ্কা থেকে অধিকাংশ নারী স্বামীকে তালাক দেন না বা কোনো মামলা করেন না। এছাড়া আছে আশ্রয়ের অভাব, আর্থিক অসঙ্গতি ও সহযোগিতার অভাব।
গ্রামের নিরক্ষর বা স্বল্পশিক্ষিত নারীর অবস্থা আরও করুণ। এদের অধিকাংশই মনে করেন স্বামী ভাত দেয়, তাই মারতে পারে। এছাড়া সহবাসে তুষ্ট না হলে, বাচ্চার দেখাশোনায় ত্রুটি হলে, স্বামীকে না বলে বাইরে গেলে এবং মুখে মুখে তর্ক করলে স্বামী পেটাতে পারে। তাদের অনেকেই বিশ্বাস করেন নারীর অবস্থান স্বামীর নীচে, কাজেই মার খাওয়াটা জায়েজ।
তাই জরিপে দেখা যায়, পরিষেবা চাওয়ার হার উদ্বেগজনকভাবে কম। সহিংসতার শিকার মাত্র ১৪.৫ শতাংশ নারী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন এবং ৭.৪ শতাংশ নারী আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। নারীরা সাধারণত স্থানীয় নেতা ও পুলিশের সাহায্য নেন।
কেন পুরুষ স্ত্রীকে মারধর করে? বিভিন্ন কেস স্টাডি পর্যালোচনা করে আমরা দেখেছি এই কেন'র কোনো উত্তর নেই। ভাত দিতে দেরি হলে, হাতের কাছে জিনিস খুঁজে না পেলে, কন্যা সন্তানের জন্ম দিলে, সারাদিন রান্নার পর শরীরে তেল-মশলার গন্ধ পেলে, খেটে খাওয়া নারী সময়মতো মজুরি না পেলে, স্বামী ঘুমানোর সময় বাচ্চা কাঁদলে, স্বামীর চাহিদা মতো সহবাসে রাজি না হলে, কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরতে দেরি হলে, নিজের অর্জিত টাকা স্বামীর হতে পুরোটা তুলে না দিলে এবং এরকম আরও অনেক তুচ্ছ কারণে স্ত্রীকে মার খেতে হয়। যৌতুকের জন্য বউকে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করা এবং মেরে ফেলা হয়। সাধারণত এই মারধরের সঙ্গে পরিবারের সবাই জড়িত থাকে।
আমাদের সমাজ ব্যবস্থা নারীর মনকে এমন করে কব্জা করে রেখেছে যে নিপীড়িত হওয়াটাকে নারী মনে না নিলেও, মেনে নিতে বাধ্য হন। আর তাই আরেকটি সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, দেশের চারজন বিবাহিত নারীর একজন নারী ৫টি কারণে স্বামীর হাতে মার খাওয়াকে যৌক্তিক মনে করেন।
২০১৯ সালে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জ ডিপার্টমেন্ট একটি জরিপে দেখেছে যে উত্তরদাতাদের প্রায় কেউই বিয়ে পরবর্তী ধর্ষণকে নারীর প্রতি সহিংসতা বলে মনে করে না। সমাজ মনে করে স্ত্রীর শরীরের ওপর তার স্বামীর অধিকার আছে। স্বামী যখন ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা তার স্ত্রীকে ভোগ করতে পারেন এবং এজন্য চড়-থাপ্পর দেওয়াটাও জায়েজ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, শতকরা ২৭.৩ শতাংশ নারীই বলেছেন তারা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ও স্বামীর জোরজবরদস্তির কারণেই যৌনমিলনে বাধ্য হন। অন্যদিকে নির্যাতিত শিশু ও নারীর বাবা-মায়েরা বলেছেন, এই বিষয়ে তারা কোনো কথা শুনতে চান না। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সবই বৈধ, এমনকি মারধরও।
শিক্ষায়, আয়-অর্জনে নারীরা এগিয়ে এসেছেন ঠিকই, অথচ সমাজে এখনো তাদের অধস্তন অবস্থান কেন? কারণ এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় নারীকে ছোট করে দেখা হতো অতীতকালে এবং এখনো। সমাজ ধারণা করে শিক্ষিত, স্বল্পশিক্ষিত ও নিরক্ষর যাই হোক না কেন, নারী দুর্বল। নারীর আয়ের ওপর অধিকার পুরুষের। রাষ্ট্র, সমাজ, অর্থনীতি, পেশা, সংস্কৃতি, ধর্ম সবক্ষেত্রে বোঝার সক্ষমতা নারীর চাইতে পুরুষের বেশি।
এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য সুবিধা, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা, স্নেহ-ভালবাসা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবার তাদের মেয়ে সন্তানের চেয়ে ছেলে সন্তানকে অগ্রাধিকার দেয়।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাতীয় নারী সুরক্ষা হেল্পলাইন '১০৯'-এর তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের শিকার নারীর জন্য সহায়তা চেয়ে কল এসেছে ৪৮,৭৪৫টি।
অন্যদিকে জাতীয় জরুরি সেবা '৯৯৯'-এর তথ্য অনুসারে, জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সাড়ে ৮ মাসে নারী নির্যাতনের ঘটনায় ১৭ হাজার ৩৪১টি কল এসেছে। এর মধ্যে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগে কল এসেছে ৯,৭৪৬টি। এসব কলের মধ্যে শুধু স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে ৯,৩৯৪টি।
দশ বছর আগেও প্রকাশিত জরিপে দেখা গিয়েছিল স্বামীর ঘরেই নারী বেশি মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। তবে নারীর ওপর সহিংসতা বা নির্যাতনের বিষয়টি নানাভাবে আলোচনায় এলেও মানসিক নির্যাতনের বিষয়টি অনেকটাই আড়ালে থেকে যায়। মানসিক নির্যাতনের বিষয়ে যে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তা-ও বেশির ভাগ ভুক্তভোগী নারীর অজানা।
নারীদের মধ্যে বেশিরভাগই শারীরিক ও অর্থনৈতিকসহ অন্যান্য নির্যাতনকেই অপরাধ বলে মনে করেন। মানসিক নির্যাতনও যে অপরাধ সেটাও অনেকে জানেন না। মৌখিক নির্যাতন, অপমান, অবজ্ঞা, ভয় দেখানো বা এমন কোনো উক্তি করা, যার মাধ্যমে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাকে মানসিক সহিংসতা অর্থে বোঝানো হয়েছে।
এছাড়া হয়রানি, ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, অর্থাৎ স্বাভাবিক চলাচল, যোগাযোগ বা ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা মতামত প্রকাশে বাধা দেওয়াও এ নির্যাতনের অন্তর্ভুক্ত।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ইনস্টিটিউটে পারিবারিক কলহের কারণে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যারা চিকিৎসার জন্য আসেন, তাদের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশই স্বামীর দ্বারা শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার। মানসিক নির্যাতনের শিকার উচ্চবিত্তরা চিকিৎসার জন্য দ্রুত এলেও মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীরা আসেন অনেক পরে, যখন সমস্যাটা মারাত্মক আকার ধারণ করে। আর নিম্নবিত্ত ব্যক্তিরা এখানে এ ধরনের সমস্যা নিয়ে আসেন না। (সূত্র: প্রথম আলো)
যারা বউ পেটায়, তাদের কি আলাদা কোনো চেহারা বা বৈশিষ্ট্য আছে?
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, না বউকে মারার জন্য ভিন্ন কোনো চেহারা লাগে না। যেকোনো সমাজের, যেকোনো অর্থনৈতিক অবস্থার পুরুষ এই অন্যায় করে। যেকোনো পেশাজীবী যেমন—শ্রমিক, কৃষক-মজুর, কবি-সাহিত্যিক, চাকরিজীবি, ব্যবসায়ী, আমলা, পুলিশ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক বা শিল্পী সবাই বউয়ের গায়ে হাত তোলে।
মূলত গায়ের জোর, ক্ষমতা, অধিকারবোধ, আগ্রাসী মানসিকতা, মানসিক অসুস্থতা, হীনমন্যতা, ব্যর্থতা, অস্থিরতা, মাদকের ব্যবহার, আধিপত্যবাদী মন থেকে পুরুষ মারধোর করে।
আমাদের দেশে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে রয়েছে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন থাকা সত্ত্বেও এর সঠিক বাস্তবায়নের অভাবে অপরাধীরা আইনের দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে শাস্তি থেকে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে এবং পরবর্তীতে আবার নিপীড়ন করছে।
শিক্ষা, চাকরি, বিমান চালনা, কৃষি, কল-কারখানার কাজে, শিল্প-সংস্কৃতি, গবেষণা, খেলা, পর্বতারোহণসহ অনেককিছুতে নারী এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু ঘরে ও ঘরের বাইরে নারীর প্রতি সহিংসতা কি আমরা ঠেকাতে পারছি? এসডিজি'র লক্ষ্য অর্জনে আমরা যতোগুলোই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখাই না কেন, স্বামীর হাতে স্ত্রী'র এই নির্যাতনের মাত্রা সব অর্জনকে ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিচ্ছে।
লেখক: যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও কলাম লেখক
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবন্ধের বিশ্লেষণটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন। অবধারিতভাবে তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর অবস্থান বা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।
