মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে রিজিয়া বেগম ফিরে পেলেন পরিবার, কিন্তু তারপর?
সৌদি ফেরত রিজিয়া বেগম অবশেষে ফিরে গেলেন তার পরিবারে। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ও ভয়ংকর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে রিজিয়া একদম শূন্য হাতে দেশে এসেছেন। গৃহকর্তার অত্যাচারে তার অবস্থা এতটাই শোচনীয় হয়ে পড়েছিল যে, উনি নিজের পরিচয়টাই ভুলে গেছেন।
নারী অভিবাসী শ্রমিক রিজিয়া সন্তানদের কথা ভেবেই সৌদিতে পাড়ি দিয়েছিলেন সেই ২০১৯ সালে। পরিবারের সাথে শেষ যোগাযোগ হয় ২০২১ সালে। এরপর আর কোনো খবর পায়নি রিজিয়ার পরিবার। যখন সন্তানরা মা কে ফিরে পেলেন, তখন মা নাম-পরিচয়হীন একজন মানসিক রোগী।
রিজিয়া বেগম হয়তো পরিবারের কাছে ফিরে গেলেন, হয়তো চিকিৎসা পেয়ে সুস্থও হয়ে উঠবেন, কিন্তু ওনার ট্রমা কি কাটবে কখনো? গত ছয় বছরের দুঃসহ স্মৃতি কি ওনাকে তাড়া করে ফিরবে না? শরীরে ও মনে এই স্মৃতি দগদগে ঘায়ের সৃষ্টি করেছে।
আর আমাদের সমাজ কীভাবে ওনাকে গ্রহণ করবে? মর্যাদা দেবে? এই সমাজে অভিবাসী নারী শ্রমিককে এমনিতেই সন্দেহের চোখে দেখা হয়, মন্দ কথা বলা হয়। সেখানে রিজিয়ার মতো নির্যাতিত একজন নারীকে আর কত যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে, তা সহজেই অনুমেয়।
যে নারী শ্রমিকরা ফিরে আসছেন, তাদের প্রতি সমাজের অধিকাংশ মানুষের কোনো ভালবাসা নেই, নেই সহানুভূতি। রিজিয়া বেগমের ফিরে আসার খবরের নিচে অনেকেই মন্তব্য করেছেন নোংরা ভাষায় এবং ওনার বিরুদ্ধে। এটা এদেশের কালচার, ভিক্টিম ব্লেইমিং। যে নারী নির্যাতিত হবেন, সব দোষ তার।
কপর্দকহীন অবস্থায় ফিরে আসার পর ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সহায়তায় ও পিবিআইয়ের মাধ্যমে রিজিয়া বেগম পরিবারের খোঁজ পেয়েছেন।
"সৌদি আরব বা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে নির্যাতনের শিকার নারীরা দেশে ফেরার পর প্রাথমিকভাবে কথা বলতে পারেন না। এ ধরনের নারীদের দেশে ফেরার পর কোন দপ্তর কী করবে, তা জানা নেই। যাদের কারণে নারীরা এই দুর্ভোগে পড়েন, তাদের বিচার না হলে এমন পরিস্থিতি চলবেই।" (সূত্র: শরিফুল ইসলাম হাসান, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম)
রিজিয়া বেগমের মতো অসংখ্য ঘটনা বছর বছর ঘটেই চলেছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি একটা প্রজেক্টের কাজ করতে গিয়ে। সেইফ মাইগ্রেশন বলে যে একটা বিষয় আছে, ভিক্টিম মেয়ে/নারী কেউ জানেন না, মানে তাদের জানানো হয়নি।
যাদের সাথে কথা বলেছি তাদের সবারই দুইভাবে অভিবাসন হয়েছে। একবার গ্রাম থেকে শহরে এসেছেন কাজের সন্ধানে। প্রায় সবাই বাল্যবিয়ের শিকার। স্বামী ২/৩টা বাচ্চা হওয়ার পর চলে গেছে পরিবারকে রেখে। অগত্যা কাজের জন্য শহরে এবং দালালের খপ্পরে পড়ে চলে গেছেন শহর থেকে আরব দেশে। মাঝে তাদের জন্য কোনো পরামর্শক ও গেট কিপিং নেই, নেই কোনো সহায়তাকারী।
সরকারি ও বেসরকারি কোনো সংস্থার সহায়তাও তারা পাননি। ফলে প্রায় সবাই ফিরে এসেছেন শারীরিক ও মানসিকভাবে নিগৃহীত হয়ে। দেশে এসে লজ্জায় ও একঘরে হওয়ার ভয়ে কাউকে কিছু বলেননি।
এই নারী অভিবাসীদের না আছে শিক্ষা, সচেতনতা ও ভাষাজ্ঞান। যেদেশে যাচ্ছেন সেই দেশ সম্পর্কে ধারণা, কী কাজ করতে যাচ্ছেন, বেতন কত সেটাও অনেকে জানেন না।
কয়েক বছর আগে দুবাই যাওয়ার পথে বিমানে আমার পাশের সীটে যে নারী বসেছিলেন, তিনি একজন অভিবাসী শ্রমিক, নাম পেয়ারা বেগম। উনি গন্তব্য ঠিকমতো জানেন না এবং প্লেনে চড়ার পর থেকে শুধু কেঁদেই চলেছেন। দেখে এত মায়া হলো যে কথা শুরু করলাম। কথা বলে বুঝলাম উনি কোথায় যাবেন, কিন্তু কীভাবে যাবেন এটা তার কাছে স্পষ্ট নয়। বাড়িতে মায়ের কাছে দুই শিশু সন্তানকে রেখে এসেছেন বলে মন খুব খারাপ।
টিকেট দেখে বুঝলাম উনি দুবাই হয়ে রিয়াদ যাবেন। ভদ্রমহিলা রোজা রেখেছেন এবং ইফতারির জন্য যে রুটি আর কলা নিয়েছেন, সেটাও লাগেজে দিয়ে দিয়েছেন, আর আছে সাথে বাংলাদেশী ৫০০ টাকা। আমি প্লেনে দেয়া খাবারটা ওনাকে দিয়ে বলেছিলাম, রেখে দেন, এটা দিয়ে পরে ইফতারি করবেন। লাগেজের রুটি কলা আপনি পাবেন না।
আর দুবাইতে নেমে অন্য বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকরা, বিশেষ করে আপনার সাথে আসা আরও তিন নারী যেদিকে যাবেন, আপনিও সেদিকে যাবেন। পারলে ওদের সাথে কথা বলবেন।
জানিনা দুবাইয়ের ওই বিশাল বিমানবন্দরে নামার পর পেয়ারা বেগম কীভাবে রিয়াদে পৌঁছেছিলেন। আর যদি পৌঁছেই থাকেন, তাহলে এরকম মানসিক স্ট্যাটাস ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে উনি কতটা নিরাপদে সেখানে কাজ করতে পেরেছিলেন। দুবাইতে ওনাকে কেউ এসে নিয়ে যাবে, এরকম একটা আশ্বাসেই তাদের ৪ জনকে এই প্লেনে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
প্রায়ই পত্রিকায় খবর দেখি, সৌদি থেকে নারী অভিবাসী শ্রমিকরা নির্যাতিত হয়ে ফিরে আসছেন। অনেকে লাশ হয়ে ফিরছেন। সম্ভবত দুবছর আগের একটি ঘটনা খুবই সাড়া ফেলেছিল গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর।
সৌদি আরব থেকে আসা একজন নারী অভিবাসী শ্রমিক বিমানবন্দরে নেমে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, আমি কোথায় যাবো এখন এই ছোট বাচ্চাটাকে নিয়ে? আমার পরিবার, গ্রামের লোক কীভাবে ওকে গ্রহণ করবে?
সৌদি আরব থেকে ফেরা আরেক নারী নিজের আট মাসের শিশু সন্তানকে বিমানবন্দরে ফেলে চলে গিয়েছেন, এদের যতবার দেখেছি, ততবারই আমার বারবার মনে হয়েছে বিমানে দেখা সেই পেয়ারা বেগমের কথা।
এইসব সহায় সম্বলহীন, নিরক্ষর বা কম পড়াশোনা জানা মেয়েরা যখন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে বিদেশে যান, তখন তাদের বাংলাদেশ দূতাবাসের আওতাধীন বা মনিটরিং এ থাকার কথা। কিন্তু অভিযোগ আছে কেউ তাদের খোঁজ রাখেন না। বাংলাদেশ দূতাবাসের উচিত ছিল নারী অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়োগকর্তার নাম পরিচয় খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নির্যাতিত নারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা।
অথচ দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লেবার এটাচি মামলা করার উদ্যোগ নেন না, মামলা হলেও অভিবাসী নারী কর্মী দেশে চলে আসায় মামলাটি আর চলমান থাকে না।
এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের উচিত বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটর করা, যাতে মামলা করে নির্যাতনের শিকার নারীর জন্য ন্যায়বিচার এবং নিয়োগকর্তার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করেন।
অভিবাসী আইনের ১১.৫ ধারায় সনদে স্বাক্ষরকারী সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নারী কর্মীদের প্রজনন স্বাস্থ্যসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে। বাংলাদেশ এই ধারায় স্বাক্ষরকারী একটি দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশি অনেক অভিবাসী নারীকর্মী বিদেশে শারীরিক, মানসিক এবং যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশি দূতাবাস যে ব্যবস্থা নেবে—আদোতে তারা কতটা জানে এই অসহায় নির্যাতিত মেয়েদের কথা। বেশ কয়েকবছর আগে আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থার (আইওএম) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৬৫ শতাংশেরও বেশি নির্যাতনের শিকার হন। নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীদের একটি বড় অংশ কখনো দূতাবাসে যান না।
এই নারীরা যখন বিভিন্ন ভুয়া এজেন্টের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন, তখন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কী করে? সব নিয়ম না মেনে এই নারীরা বিমানে উঠতে পারেন কীভাবে? জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো কী করে? নারী শ্রমিকেরা শারীরিক নির্যাতনসহ নানা অত্যাচারের শিকার হচ্ছেন বলেই বারবার তাদের সুরক্ষায় কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে।
অন্যান্য দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। উৎসব আয়োজনে তারা নিজ দেশের লোকজনকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশ দূতাবাসও চাইলে শ্রমিকদের সাথে বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের সাথে এই আস্থার সম্পর্কটা তৈরি করতে পারে।
সৌদিতে উপর্যুপরি নারী নিগ্রহের ঘটনার পর বিভিন্ন ফোরাম থেকে বারবার প্রশ্ন উঠেছে, যেসব দেশে নারী সুরক্ষার কোনো আইন নেই, কেন আমরা এরপরেও সেইসব দেশে নারী শ্রমিক পাঠিয়েই যাচ্ছি?
এদের নির্যাতনের কাহিনীগুলো সব এক। ঘরে মালিকের দ্বারা যৌন হয়রানির বা মালিক পত্নীর রোষানলের শিকার হয়ে স্থান পান জেলখানায় বা সেল্টার হোমে। সেখানে সন্তান জন্ম দেন এবং এরপর প্লেনে চাপিয়ে সহায় সম্বলহীনভাবে এনাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কী দুর্বিসহ একটা অবস্থা!
অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো তৎপর। তারা দালাল নিয়োগ করে এবং সেই দালালদের খপ্পরে পড়ে প্রচুর টাকা খুইয়ে বিদেশে যান নারী শ্রমিকরা। পরে খালি হাতে ফিরে এসে সেই টাকা শোধ করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
দেশের অর্থনীতিতে নারী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিটেন্স এর কথা চিন্তা করে সরকারের উচিৎ তাদের জীবন, জীবিকা, সম্মান আর নিরাপত্তার দিকটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া। একজন নারী শ্রমিক যখন অভিবাসী হিসেবে বিদেশে যান, তখন তার যাওয়ার খরচ শুধু টাকার অঙ্কে হিসাব হয় না। এরা জীবনের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে, সামাজিক ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে, নিজের সম্মানকে হাতে নিয়ে, পরিবার-পরিজন ছেড়ে এবং অনেক টাকা বিনিয়োগ করে বিদেশের মাটিতে পা রাখেন।
বারবার বিভিন্ন ফোরাম থেকে বলা হয় সৌদিতে নারী শ্রমিক পাঠানোর সময় সরকার যেন নিরাপত্তার দিকটিকে অগ্রধিকার দেয়। শুধু রেমিট্যান্সের কথা ভেবে নারী গৃহশ্রমিকদের সেখানে পাঠানো উচিৎ হচ্ছে না। সেইসাথে এমন ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে, যেন নারী শ্রমিকরা নির্যাতিত না হন, সপ্তাহে একদিন ছুটি পান, আইনি ও স্বাস্থ্যবীমার সুযোগও ভোগ করতে পারেন।
অভিবাসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ফলে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ সুগম হয়েছে সত্যি, কিন্তু অন্যদিকে নারীর মানবাধিকার এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির দিকটিও আমাদের ভেবে দেখতে হবে।
কোনোভাবেই চাইনা নারী অভিবাসন বন্ধ হোক। শুধু চাই নারীর এই অভিবাসন যেন নিরাপদ হয়। অভিবাসনে ইচ্ছুক কর্মীদের দক্ষতা বাড়ুক, যেন এর মাধ্যমে তারা দরকষাকষি করতে পারেন।
জানিনা, বাংলাদেশ সরকার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নারী শ্রমিক পাঠানোর বিষয়টি কেন গুরুত্বের সাথে ভাবে না? কেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে না নারী শ্রমিকদের হয়রানি ঠেকানোর জন্য? বাংলাদেশ কি সৌদি আরবে তাদের শ্রমবাজার যেকোনো মূল্যে ধরে রাখতে চায়? ২০১৫ সালে সৌদি সরকারের সাথে যে চুক্তি হয়েছে তাতে নারী গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও আইনী বিষয়গুলোতে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, এখনো তা-ই বলবৎ।
এর আগে সৌদি আরবে আমাদের দূতাবাসও স্বীকার করেছে, নারী গৃহকর্মীরা ভাল নেই। তাদের ওপর চলছে যৌন নিপীড়ণসহ নানা ধরনের অত্যাচার। সৌদিরা এতটাই বর্বর ও অত্যাচারী যে ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইন সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মী পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেই বাজারে টিকে থাকার চেষ্টা করছি। এই নির্যাতিত নারীরা একটি টাকাও সাথে আনতে পারেন না, শুধু কষ্টটাই সাথে করে নিয়ে আসেন। এটাও ঠিক যে সব নিয়োগকর্তা এক নয়, কেউ কেউ ভাল আছেন, তবে সংখ্যাটা অনেক কম।
সরকারের উচিত সৌদি সরকারের সাথে নারী গৃহকর্মীদের সুরক্ষা বিষয়ে আলোচনায় বসা। সরকার সৌদি আরবে নারী শ্রমিক পাঠানোর সময় সবচেয়ে আগে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নারী অভিবাসন চলতে পারে সিঙ্গাপুর, জাপান, অষ্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও হংকংকের মতো আরও কয়েকটি দেশে। এসব দেশের সাথে কাজের নতুন রুট চালু করতে হবে।
সরকার উদ্যোগ নিলে অনেক নারী টেকনিক্যাল ও পেশাভিত্তিক কাজে যেতে পারবেন। মেয়েদেরকে দক্ষ ও শিক্ষিত কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করে নিরাপদ অভিবাসনের পথে এগিযে নেওয়া সম্ভব। কারণ অভিবাসী নারী কর্মী হতে পারেন এইদেশের অর্থনীতির আরেকটি গেইম চেঞ্জার।
আমরা চাই রেমিট্যান্স আয়ে পুরুষের পাশাপাশি নারীরও ভূমিকা থাকুক। কিন্তু এর বিনিময়ে কোনোভাবেই নারীর অমর্যাদা কাম্য নয়।
লেখক: যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও কলাম লেখক
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবন্ধের বিশ্লেষণটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন। অবধারিতভাবে তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর অবস্থান বা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।
