ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকি: সংকট ও উত্তরণের পথ
বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে 'অ্যাকসেস টু মেডিসিন' বা ওষুধের সহজলভ্যতায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ ও ভারত। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) অক্লান্ত পরিশ্রম এবং দেশীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের মানুষ অন্যান্য দেশের তুলনায় জীবনরক্ষাকারী অত্যাবশ্যক ওষুধ অত্যন্ত অল্পমূল্যে ও সহজে পেয়ে আসছে। বাংলাদেশের ওষুধশিল্প এখন উন্নয়নশীল বিশ্বে 'রোল মডেল' হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।
সাধারণত 'অ্যাকসেস টু মেডিসিন' বলতে তিনটি বিষয়কে বোঝায়—অ্যাফোর্ডেবিলিটি (ক্রয়ক্ষমতা), অ্যাভেইলেবিলিটি (পর্যাপ্ততা) এবং রিলায়েবিলিটি (নির্ভরযোগ্যতা)। অর্থাৎ ওষুধের সরবরাহ তখনই সার্থক হবে যখন এর দাম নিয়ন্ত্রিত থাকবে, সরবরাহ পর্যাপ্ত হবে এবং ওষুধটি হবে সঠিক মানসম্পন্ন। বাংলাদেশে ওষুধের মূল্য শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত এবং দেশীয় ওষুধের মাধ্যমেই চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ পূরণ করা হয়।
নিরাপদ ও মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিজিডিএ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অধিদপ্তর ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য দুই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে—একটি এমআরপি (ম্যাক্সিমাম রিটেইল প্রাইস) এবং অন্যটি আইপি (ইন্ডিকেটিভ প্রাইস)। জনস্বার্থে এই দুই ধরনের মূল্যই ডিজিডিএ অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
জনস্বাস্থ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের এমআরপি সরকার নির্ধারণ করে দেয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল কোম্পানির ওই নির্দিষ্ট ওষুধের মূল্য একই থাকে। অর্থাৎ এক নম্বর কোম্পানির কোনো একটি ওষুধের দাম যদি ১০ টাকা হয়, তবে ২০০ নম্বর কোম্পানির একই জেনেরিক ওষুধের দামও ১০ টাকাই হবে।
অন্যদিকে, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের আইপি (নির্দেশক মূল্য) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ খরচ বিবেচনা করে নির্ধারণ করে, যা পরবর্তীতে ডিজিডিএ অনুমোদন দেয়। এক্ষেত্রে কাঁচামাল, মোড়ক ও সামগ্রিক মানের বিবেচনায় কোম্পানিভেদে একই জেনেরিক ওষুধের দামের কিছুটা তারতম্য হতে পারে।
'ওষুধ ও কসমেটিক আইন-২০২৩'-এর অনুচ্ছেদ ৩০(১) অনুসারে, সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওষুধের সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের জন্য একটি তালিকা প্রস্তুত করবে। এর আগে ১৯৯৩ সালে 'Annexure-A' এবং ১৯৯৪ সালে 'Annexure-B' নামে ১১৭টি ওষুধের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়, যা 'প্রাইমারি হেলথ কেয়ার মেডিসিন লিস্ট' হিসেবে পরিচিত। এই তালিকা অনুসারেই সরকার ওষুধের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল।
মূল্য নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে যেসব বিষয় বিবেচ্য:
ওষুধের সহজলভ্যতা বা দামের চেয়ে ওষুধের সহজপ্রাপ্যতা ও মান বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সারির ও শেষ সারির কোম্পানিগুলোর ওষুধ উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সবসময় একরকম নয়। ন্যূনতম লভ্যাংশ না থাকলে কোনো কোম্পানি ওষুধ উৎপাদনে আগ্রহী হবে না। এতে করে বাজারে নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের কালোবাজারি তৈরি হবে। জনস্বাস্থ্য রক্ষার মূল শর্ত মানসম্পন্ন ওষুধ। দাম কমানোর হিড়িকে যেন জনস্বাস্থ্য কোনোভাবেই বিপন্ন না হয়।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের যেকোনো কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক বা আইনি কাঠামো থাকা আবশ্যক। তবে ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মহামান্য হাইকোর্টের রায় অনুসারে, এমআরপি নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত ১১৭টি ওষুধের 'প্রাইমারি হেলথ কেয়ার মেডিসিন লিস্ট' বাতিল হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে। হাইকোর্টের রায় অনুসারে নতুন ৩টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে:
১. সরকার ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি নতুন কমিটি গঠন করবে।
২. নতুন 'অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা-২০২৬' প্রণয়ন করা হবে।
৩. এই ১২ সদস্যের কমিটি নতুন তালিকার ২৯৫টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করবে।
যখনই 'Annexure-B' অনুসারে ওষুধের তালিকা বাতিল হলো, তখন থেকে মূল্য নির্ধারণের নতুন বিধান না পাওয়া পর্যন্ত অধিদপ্তরের অনুমোদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে পুরোনো ওষুধের এমআরপি এবং নতুন বা অন্যান্য ওষুধের আইপি নিয়ন্ত্রণ ও অনুমোদন স্থগিত হয়ে আছে। ফলে 'ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটি' (ডিসিসি) বা 'রেসিপি অ্যাপ্রুভাল কমিটি'র মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলেও মূল্য অনুমোদনের অভাবে অধিদপ্তর 'মার্কেটিং অথরাইজেশন সার্টিফিকেট' বা বাজারজাতকরণের অনুমতি দিতে পারছে না।
উল্লেখ্য যে, ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি ধাপে রেগুলেটরি অথরিটির অনুমোদন বাধ্যতামূলক এবং মূল্য অনুমোদন হলো তার চূড়ান্ত ধাপ। আমরা অনেকেই জানি যে, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ আর 'ট্রিপস' (TRIPS) সুবিধা পাবে না। ফলে পেটেন্টেড ওষুধ উৎপাদনে আমরা বাধার সম্মুখীন হবো। তখন রয়্যালটি ফি, প্রযুক্তি ও বিপণন খরচসহ পেটেন্টেড ওষুধের দাম বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি।
এর থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো, ট্রিপস সুবিধা শেষ হওয়ার আগেই যত বেশি সম্ভব পেটেন্টেড ওষুধ অনুমোদন করিয়ে বাজারজাত করা। ফলে আমরা পেটেন্ট-ফ্রি সুবিধার সুযোগ আগেভাগে নিয়ে রাখতে পারবো।
মূল্য নির্ধারণের এই স্থবিরতায় দেশ যে সম্ভাব্য ক্ষতির মুখে পড়ছে:
১. এই মুহুর্তে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে নতুন কোন ওষুধের রেজিষ্ট্রেশন পরবর্তী মূল্য অনুমোদন হচ্ছেনা। এর ফলে কোনো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিই নতুন কোন ওষুধ বাজারজাত করার অনুমোদন পাচ্ছেনা। ফলে বাজারে নতুন ওষুধের সংকট চরমে পৌছে যাচ্ছে।
২. এই মুহুর্তে বাজারে নতুন ওষুধসমুহ বাজারে না আসলে, ট্রিপস সুবিধা শেষ হওয়ার পরে উক্ত নতুন ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে আমরা কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হবো। উক্ত ওষুধ সমূহ তখন প্যাটেন্টভুক্ত হিসেবে অনেক বেশি দামে কিনতে হবে আমাদের।
৩. উল্লেখিত 'এসেনশিয়াল মেডিসিনস লিস্ট' এর ২৯৫ টি জেনেরিক ওষুধের বিভিন্ন ডোজেস ফর্ম ও স্ট্রেংথ মিলে প্রায় ৩০০০+ ওষুধের মূল্য নির্ধারন করতে হবে সেই ১২ সদস্যের কমিটিকে। এবং সেই মূল্য নির্ধারন করতে প্রায় ১,৫০,০০০ ওষুধের মূল্য বিষয়ক ডেটা কালেকশন অ্যান্ড এনালাইসিস করতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য। বর্তমান অস্থিতিশীল বিশ্ববাজারে ডলারের মূল্য বিবেচনায় ওষুধের মূল্য নির্ধারন অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া।
8. আর এই সময় নিতে গিয়ে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলে উক্ত ২৯৫ টি ওষুধের বাহিরে অন্যান্য নতুন ওষুধের মূল্য অনুমোদনও বন্ধ থাকছে। ফলে এই বছর নতুন ওষুধ বাজারে আনার অনুমোদন না পেলে, মহা সর্বনাশ হয়ে যাবে।
৫. উক্ত ওষুধের নির্ধারিত মূল্য ন্যূনতম লাভজনক না হলে কোনো ওষুধ কোম্পানি লস করে সেগুলো উৎপাদন ও বাজারজাত করতে পারবেনা। ফলে বাজারে সঠিক মানসম্পন্ন, নিরাপদ, ও কার্যকরী ওষুধের সরবরাহ ব্যহত হবে। এবং নকল, ভেজাল, ও নিম্নমানের ওষুধের সরবরাহ বেড়ে যাবে।
৬. দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি উক্ত ওষুধসমূহ উৎপাদন ও বাজারজাত করতে না পারলে, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সেই ওষুধ সমূহ দেশের বাজারে আসবে, নকল ভেজাল নিম্নমানের ওষুধ বাজারে আসবে, ওষুধের কালোবাজার, সিন্ডিকেট ও মাফিয়াচক্র গড়ে উঠবে।
৭. সামগ্রিক ভাবে জনস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ ও মানসম্পন্ন ওষুধের সহজলভ্যতা বলতে অ্যাকসেস টু মেডিসিন সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হবে। জনস্বাস্থ্য পড়বে বিশাল হুমকির মুখে।
তবে সরকার জরুরী ভিত্তিতে এমন সমস্যার সমাধান করতে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে,
১। যতক্ষন পর্যন্ত নতুন অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও সেই অনুসারে মূল্য নির্ধারণ ও যথাযথ নীতিমালা প্রণয়ন সম্পন্ন না হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আগের নিয়মে মূল্য নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতে পারে। তাতে করে ওষুধ শিল্পের অগ্রযাত্রায় বাধার পরিমাণ অনেকাংশে লাঘব হবে।
২। ওষুধের মূল্য নির্ধারণ এমনভাবে যুগোপযোগী করতে হবে এবং এমনভাবে যথাসময়ে প্রতিবছর আপডেট করতে হবে যাতে বিশ্ব অর্থনীতি, ডলারের মূল্য, বাজার চাহিদা সব অনুসারে ওষুধের উৎপাদন ও বাজারজাত ন্যূনতম হলেও যেন লাভজনক হয়। তা না হলে কোনো ফার্মাসিউটিক্যাল সেই ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করবেনা।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, Phenobarbital 30 mg Tablet একটি জীবনরক্ষাকারী এন্টিকনভালসেন্ট ওষুধ যার প্রতিটার দাম ১ টাকা মাত্র, উৎপাদন খরচ যদি হয় ২ টাকা, তাহলে নিশ্চিত কোনো ফার্মাসিউটিক্যাল সেই ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করবেনা।
অন্যদিকে ০২ জুন ১৯৯৮ তারিখে প্রকাশিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নোটিশ অনুসারে দেশীয় কোম্পানী রক্ষার্থে যেসব ওষুধ দেশে উৎপাদনের রেজিস্ট্রেশন আছে সেসব ওষুধ অন্যদেশ থেকে আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়। সেইমর্মে Phenobarbital 30 mg Tablet বৈধভাবে আমদানীও হবেনা। ফলে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কালোবাজারে আসবে নকল, ভেজাল, ও নিম্নমানের ওষুধ; যার দাম পড়বে ৫০ বা ১০০ গুন, দেশের টাকা অবৈধ পথে বাইরে যাবে, এবং রোগী সহজে সঠিক মানের ওষুধও পাবেনা। এমন অবস্থা অবশ্যই আমাদের জন্য আত্মঘাতী হবে।
ওষুধের মূল্য নির্ধারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনাইয় রাখতে হবে-
১। Current Good manufacturing Practice (cGMP) অনুসারে ওষুধের উৎপাদন ও মাননিয়ন্ত্রন খরচ দিনদিন বেড়েই চলেছে। আগে অনেক ওষুধেরই Impurity Test বাধ্যতামূলক ছিলোনা, কিন্তু এখন প্রায় ওষুধেরই Impurity Test বাধ্যতামূলক। আর Impurity Test অনেক ব্যয়বহুল ও বাংলাদেশের অধিকাংশ কোম্পানীরই এই Impurity Test করার ব্যবস্থা ও সামর্থ্য নেই। এই Impurity Test করতে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রন খরচ অনেক বেড়ে যাবে এবং ওষুধের দামের উপর প্রভাব পড়বে। যেমন আগে প্যারাসিটামলের জন্য Impurity Test বাধ্যতামূলক ছিলোনা, কিন্তু এখন তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এবং বর্তমান মূল্যে এই Impurity Test করে উৎপাদন ও মাননিয়ন্ত্রন ব্যয় মেটানো সম্ভব নয়।
২। বর্তমান বাজারে শ্রমের মূল্য, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ ব্যয়, মেশিনারী খরচ, ভালো মানের কাঁচামাল ও প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়ালের খরচ, ডলারের বিপরীতে টাকার দর, সব কিছু বিবেচনায় আনতে হবে যাতে ন্যূনতম লাভ নিশ্চিত থাকে।
৩। সঠিক দাম না পেলে ভালো মানের ফার্মাসিউটিক্যাল সেই ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করবেনা। ফলে বাজারে যারা কম দামে ঐ ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করবে তা অবশ্যই Substandard হবে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
তাই পলিসি হোক জনগণের সর্বাঙ্গীন স্বার্থে জনস্বাস্থ্য রক্ষায়। পলিসি হোক সবাইকে নিয়ে সামগ্রিক দিকের ৩৬০ ডিগ্রি ভালো মন্দ বিবেচনায়। পলিসি হোক কোনো ভালো কিছু বন্ধ করে নয়, বরং অটুট রাখতে শক্তি হয়ে থাকুক অগ্রযাত্রায়। পলিসি যেনো নিজেই বুমেরাং এর কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিরাপদ ও মানসম্পন্ন ওষুধের সহজপ্রাপ্যতা কামনা করি।
মেহেদী হাসান: বিশেষজ্ঞ ফার্মাসিস্ট ও জনস্বাস্থ্য পেশাজীবী; আন্তর্জাতিক কনসালটেন্ট এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অ্যাডভাইজরি প্যানেল মেম্বার; অ্যাডজান্ট ফ্যাকাল্টি, ফার্মেসি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
