জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের দ্রুততম খেলোয়াড় মার্কিনহোস, এরপরে আছেন যারা
ফিফা বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের (রাউন্ড অব ৩২) ম্যাচে ব্রাজিলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র ছিল খেলোয়াড়দের গতি। আর সেলেসাওদের এই গতির লড়াইয়ে দলের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও মার্কিনহোস।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবোতে প্রকাশিত ফিফার তথ্য অনুযায়ী, জাপানের সঙ্গে ওই ম্যাচে ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মাঠে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৩৩.২ কিলোমিটার গতিতে ছুটেছিলেন।
তবে মাঠের সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রাজিলিয়ান কিন্তু তিনি ছিলেন না। রক্ষণভাগের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণে দারুণভাবে ওপরে উঠে আসা ডিফেন্ডার মার্কিনহোস ঘণ্টায় ৩৩.৮ কিলোমিটার গতি তুলে দলের সবচেয়ে দ্রুতগতির খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
গতির এই তালিকায় এর পরেই ছিলেন মিডফিল্ডার গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, যার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৩.০ কিলোমিটার। আর উদীয়মান তারকা এনদ্রিকের গতি ছিল ঘণ্টায় ৩২.৪ কিলোমিটার। এছাড়া দানিলো ও রায়ান—উভয়েই ঘণ্টায় ৩১.৬ কিলোমিটার গতি ছুঁয়েছেন।
মাঝমাঠের প্লেমেকার লুকাস পাকেতা ঘণ্টায় ৩০.৯ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিতে দৌড়েছেন। অন্যদিকে ডগলাস সান্তোস ও মাতিউস কুনিয়ার সর্বোচ্চ গতি ছিল যথাক্রমে ঘণ্টায় ২৯.৫ কিলোমিটার এবং ২৯.১ কিলোমিটার।
গতির দৌড়ে মার্কিনহোস সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেও, মাঠে সবচেয়ে বেশি পথ দৌড়ানোর রেকর্ডে রাজত্ব করেছেন ব্রুনো গিমারায়েস। এই মিডফিল্ডার পুরো ম্যাচে রেকর্ড ১২.১৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন, যা ব্রাজিলের আর কোনো খেলোয়াড় পারেননি।
সবচেয়ে বেশি পথ দৌড়ানোর তালিকায় ১০.৯৬ কিলোমিটার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ডগলাস সান্তোস। এছাড়া গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস (১০.৫৬ কিমি) এবং রায়ান (১০.২৪ কিমি)—এই দুজনেই ১০ কিলোমিটারের গণ্ডি পার করেছেন।
এদিকে ম্যাচে সমতাসূচক গোল করে ব্রাজিলকে লড়াইয়ে ফেরানো অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো দৌড়েছেন ৯.৭৫ কিলোমিটার। আর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ম্যাচে বারবার গতিশীল আক্রমণ চালালেও পুরো ম্যাচে সব মিলিয়ে ৯.২৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন।
