অনলাইন জুয়া ও বেটিং প্রতিরোধে নতুন বিল পাস
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ 'পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭' (সরকারি জুয়া আইন, ১৮৬৭) রহিতক্রমে জুয়া, অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিংসহ অনুরূপ কার্যক্রম প্রতিরোধ ও এতদসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে দণ্ড প্রদানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে যুগোপযোগী করে নতুনভাবে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে আনীত বিলটি পাস করার প্রস্তাব জানালে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাইয়ের জন্য আটজন সংসদ সদস্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন যা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। এছাড়া বিলটির ওপর আনা সংশোধনী প্রস্তাবও কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।
রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের বিলটি যাচাইয়ের প্রস্তাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলের ৩৬ দফায় বর্ণিত আদালতের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি ও জব্দ করার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।
মন্ত্রী বলেন, 'আজকাল জুয়া হয় অনলাইনে, সাইবারস্পেসে, বিভিন্ন ওয়েবসাইটে। আদালতের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি করার সময়ে সেই অকুস্থল এবং অপরাধের প্রমাণ অপসারণ হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।'
তিনি যোগ করেন, 'তাছাড়া পুলিশের একটা ইনহেরেন্ট (সহজাত) এখতিয়ার আছে সিআরপিসির (ফৌজদারি কার্যবিধি) বিভিন্ন সেকশন অনুসারে, যে অপরাধ সংঘটনের কোন জায়গায় পুলিশ তল্লাশি, জব্দ এবং গ্রেপ্তার করতে পারে। সেটা আমরা জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬ এ অনুসরণ করেছি।'
বিলটির কয়েকটি ধারার সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বলেন, 'সিআরপিসির (ফৌজদারি কার্যবিধি) ৫২৩ ধারায় পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, আদালতের অনুমতি ছাড়া জব্দ করার; কিন্তু সে ক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিতকরণ ও অনুমতি নেওয়ার বিধান রয়েছে।'
নাজিবুর রহমান বলেন, 'জুয়া প্রতিরোধ আইনটি যুগোপযোগী। কিন্তু আইনটির ৩৬ ধারায় পুলিশকে নিঃশর্ত ক্ষমতায়ন করা হলে তা সিআরপিসির (ফৌজদারি কার্যবিধি) সাথে সাংঘর্ষিক হবে।'
