Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
March 27, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, MARCH 27, 2026
আশির দশকেই লেখা হয়েছিল ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের ‘প্লেবুক’

আন্তর্জাতিক

ফিন্যানশিয়াল টাইমস
24 March, 2026, 04:00 pm
Last modified: 24 March, 2026, 04:01 pm

Related News

  • এফবিআই পরিচালকের ব্যক্তিগত ই-মেইল হ্যাক, অনলাইনে কিছু অংশ প্রকাশ করেছে ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা
  • ইরানের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মিসাইল ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত যুক্তরাষ্ট্র
  • মধ্যপ্রাচ্যের জেট ফুয়েল সরবরাহে ‘এয়ার গ্যাপ’, সংকট পৌঁছাতে যাচ্ছে চূড়ান্ত পর্যায়ে
  • চলমান যুদ্ধের মাঝেও ইরানের তেল রপ্তানি দৈনিক ১৫ লাখ ব্যারেল
  • ইরানের হামলায় ‘বসবাসের অযোগ্য’ ১৩ মার্কিন ঘাঁটি; হোটেল, অস্থায়ী আবাসে সেনারা

আশির দশকেই লেখা হয়েছিল ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের ‘প্লেবুক’

তৎকালীন ৪১ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ১৯৮৮ সালে গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমাদের কোনো লোক বা জাহাজে একটি গুলি লাগলে আমি খার্গ আইল্যান্ডের দফারফা করে দেব।’
ফিন্যানশিয়াল টাইমস
24 March, 2026, 04:00 pm
Last modified: 24 March, 2026, 04:01 pm
১৯৮৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি, যখন তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার কথা ভাবছিলেন। ছবি: বেটম্যান আর্কাইভ

"আয়াতুল্লাহর প্রতি আল্টিমেটাম: কয়েক দিনের মধ্যে নির্দেশ মানুন অথবা পরিণতির মুখোমুখি হন। ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলো দখলের হুমকি। বিশাল প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি। এবং এই সবকিছুর মূলে রয়েছে একটি দৃঢ় বিশ্বাস—একটি চূড়ান্ত আঘাতই তেহরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করবে।"

এগুলো শুনে মনে হতে পারে যে এটি ২০২৬ সালে ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধের কোনো রণকৌশল অথবা তার অতি সাম্প্রতিক কোনো 'ট্রুথ সোশ্যাল' পোস্ট। কিন্তু আসলে তা নয়। এগুলো ১৯৮০-র দশকের শেষের দিকের কথা, যখন ট্রাম্প প্রথমবারের মতো হোয়াইট হাউসের নির্বাচনী প্রচারণার কথা ভেবেছিলেন।

একে একটি 'পূর্বাভাস দেওয়া যুদ্ধ' বলাটা হয়তো একটু বেশি হয়ে যাবে। কিন্তু ইরানের বিষয়ে ট্রাম্পের কর্মপদ্ধতি বা 'প্লেবুক' দীর্ঘকাল ধরেই সবার চোখের সামনে ছিল।

তিনি ১৯৮৭ সালে এর প্রথম রূপরেখা তৈরি করেছিলেন, যখন তিনি আমেরিকার তিনটি প্রধান সংবাদপত্রে পুরো এক পাতার বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য ৯৪ হাজার ৮০১ ডলার ব্যয় করেছিলেন। সেসময় ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ইরান-ইরাক যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট উপসাগরীয় সংকটে আমেরিকার নেতাদের দেখে বিশ্ব 'হাসছে'।

সেসময় আমেরিকা যখন হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কারগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন ট্রাম্প বলেছিলেন—ওয়াশিংটন এমন সব 'জাহাজ রক্ষা করার চেষ্টা করছে যেগুলো আমাদের নয়, এমন তেল বহন করছে যা আমাদের প্রয়োজন নেই এবং সেই সব মিত্রদের উদ্দেশ্যে যাচ্ছে যারা আমাদের সাহায্য করবে না।'

এই কথাগুলো আজ তার করা তিরস্কারগুলোরই প্রতিধ্বনি মাত্র। কিন্তু তখন, সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজেকে যাচাই করতে গিয়ে ট্রাম্প মনে করেছিলেন, সমস্যার মূল কারণ হলো 'দৃঢ়তার অভাব'।

কয়েক সপ্তাহ পরে ১৯৮৭ সালে নিউ হ্যাম্পশায়ারের একটি রোটারি ক্লাবের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ট্রাম্প বিদ্রুপ করে বলেছিলেন, কীভাবে ইরানের নৌবাহিনী—'মেশিনগানসহ ছোট ছোট নৌযান'—আমেরিকাকে জিম্মি করে রেখেছে। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, 'আমরা কেন সেখানে গিয়ে উপকূলের কাছে অবস্থিত তাদের কিছু তেলক্ষেত্র দখল করে নিতে পারি না?'

তৎকালীন ৪১ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ১৯৮৮ সালে গার্ডিয়ানের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে আরও কঠোরভাবে বলেছিলেন, 'আমাদের কোনো লোক বা জাহাজে একটি গুলি লাগলে আমি খার্গ আইল্যান্ডের দফারফা করে দেব। আমি ভেতরে ঢুকে এটি দখল করে নেব।'

ঠিক আজকের মতোই তখনও ট্রাম্প ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে এই দ্বীপটিকে চাপ সৃষ্টি করার একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখেছিলেন। এটি দখল করলে যুক্তরাষ্ট্রকে 'বোকাদের দল' হিসেবে দেখানোর সুযোগ বন্ধ হয়ে যেত—এমনটাই তার ধারণা ছিল।

তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন তখন দ্রুতই ম্লান হয়ে যায়—অন্তত ১৯৮৮ সালের নির্বাচনের জন্য। কিন্তু ট্রাম্প একই মূল যুক্তি বারবার তুলে ধরতে থাকেন: যদি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা কাজে লাগানো হয়, তবে সেটির যথাযথ মূল্য নেওয়া উচিত, অথবা আরও দৃঢ়ভাবে ব্যবহার করা উচিত।

১৯৮৯ সালে অলাভজনক সংস্থাগুলোর একটি সম্মেলনে 'ট্রাম্পের বিশ্ব ভাবনা' নিয়ে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি এমন এক কথা বলেছিলেন যা সাদ্দাম হোসেনকেও বিব্রত করত।

তিনি নাকি বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে কীভাবে আলোচনা করতে হয়, তা একমাত্র ইরাকই দেখিয়েছে (যদিও বাস্তবে ইরাক আক্রমণ চালিয়ে আট বছর ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালিয়েছিল, যা শেষ হয়েছিল জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে)।

ট্রাম্প প্রশ্ন করেছিলেন, 'যদি মাঝে মাঝে পরিস্থিতি ঠিক করার জন্য ব্যবহার না করেন, তবে সামরিক শক্তির উদ্দেশ্য কী? আমাদের ইরানকে বলা উচিত—বন্ধুরা, আমাদের সব জিম্মিদের ফেরত দেওয়ার জন্য তোমাদের হাতে এক সপ্তাহ সময় আছে, নতুবা সব ধরণের আপস শেষ'।"

চার দশক পরেও, কঠোর সামরিক আল্টিমেটামের ক্ষমতা এখনও ট্রাম্পকে মোহিত করে রেখেছে। পার্থক্য শুধু এই যে, এই সপ্তাহান্তে তিনি তেহরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে এক সপ্তাহ নয়, ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন।

তখনকার মতো এখনও ট্রাম্পের সহজাত প্রবৃত্তি হলো একটি পরিস্থিতিকে গুটিকয়েক আলোচনার পদক্ষেপে (একটি ঘটনা, একটি সময়সীমা, একটি প্রতিক্রিয়া) সীমাবদ্ধ করা এবং ধরে নেওয়া যে পক্ষটি সবচেয়ে বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে ইচ্ছুক, তারাই জয়ী হবে।

বিশ্বের সামরিক পরাশক্তি হিসেবে আমেরিকার কাছ থেকে সবসময়ই নির্ণায়ক ভূমিকা প্রত্যাশিত, অন্তত ট্রাম্পের কাছে। তবে প্রশ্ন হলো—যা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যুদ্ধের সময় প্রায়ই দেখা যায়—যদি তেমনটা না ঘটে তবে কী হবে?

ট্রাম্প যদি এই যুদ্ধের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, বা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর আসা ভয়াবহ আঘাত সামলাতে না পারেন, অথবা এককভাবে ৯ কোটি মানুষের দেশ ইরানের ভাগ্য নির্ধারণ করতে না পারেন, তবে তিনি কী করবেন?

এখানেই এখানে ট্রাম্পের ১৯৮০-এর দশকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি আবার সামনে আসতে পারে—মার্কিন শক্তির ওপর পরগাছা হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য মিত্রদের দোষারোপ করা। পারস্য উপসাগরে ঝুঁকি বাড়ার সাথে সাথে অংশীদারদের ওপর বস্তুগত এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি অবদান রাখার চাপও বেড়েছে। 

ট্রাম্প গত শুক্রবার স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীতে সাহায্যের জন্য বলা হলে ন্যাটোর 'কাপুরুষরা' কীভাবে সাড়া দিয়েছিল তা তিনি মনে রাখবেন। কিছু মার্কিন মিত্রের অবাক হওয়া উচিত হবে না যদি এই ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তার কথায় অটল থাকেন।

১৯৮০-র দশকের ট্রাম্পের ভাবনাগুলো যেমন আজকের ইরান যুদ্ধের প্রতি তার মানসিকতার গাইড হিসেবে কাজ করছে, তেমনি সেগুলো এটিও নির্দেশ করতে পারে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই যুদ্ধের বিল বা খরচ কাদের দিয়ে মেটাতে চাইবেন।

ট্রাম্পের কাছে এটি কেবল ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে ইচ্ছাশক্তির লড়াই নয়, বরং মার্কিন শক্তি ব্যবহারের শর্তাবলি এবং এর থেকে কারা উপকৃত হবে তা নতুন করে নির্ধারণের একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। 

ট্রাম্পের পরবর্তী আল্টিমেটামের লক্ষ্য হয়তো দূরের কোনো স্বৈরশাসক নয়, বরং ইউরোপের নেতা এবং বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের আমেরিকার মিত্ররা হতে পারেন।

Related Topics

টপ নিউজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প / আশির দশক / ইরান যুদ্ধ / প্লেবুক / কর্মপরিকল্পনা

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬; এদিন ওয়াশিংটন ডিসি-তে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কংগ্রেসের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ আয়োজনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    হতবাক ট্রাম্প, তার শুরু করা যুদ্ধ ইরান শেষ করতে দিচ্ছে না!
  • দ্য স্টেটসম্যানে প্রকাশিত কার্টুনটি এঁকেছেন অমল চক্রবর্তী।
    একাত্তর: কার্টুন যখন হাতিয়ার
  • আইডিএফ প্রধান আইয়াল জামির। ছবি: ফ্ল্যাশ ৯০
    চরম সেনাসংকট, যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী: সতর্ক করলেন আইডিএফ-প্রধান
  • ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল খাইবার, ২০২৩ সালের ২৩ মে। ছবি: সংগৃহীত
    পারমাণবিক বোমার দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন ইরানের কট্টরপন্থিরা
  • ছবি: সংগৃহীত
    ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের; বললেন আলোচনা ‘ভালো এগোচ্ছে’
  • ওমানে সুলতান কাবুস বন্দরের অদূরে ট্যাংকার ‘র‍্যারিটি’ নোঙর করে আছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সবুজ সংকেতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে কমবে খরচ ও ঝুঁকি

Related News

  • এফবিআই পরিচালকের ব্যক্তিগত ই-মেইল হ্যাক, অনলাইনে কিছু অংশ প্রকাশ করেছে ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা
  • ইরানের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মিসাইল ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত যুক্তরাষ্ট্র
  • মধ্যপ্রাচ্যের জেট ফুয়েল সরবরাহে ‘এয়ার গ্যাপ’, সংকট পৌঁছাতে যাচ্ছে চূড়ান্ত পর্যায়ে
  • চলমান যুদ্ধের মাঝেও ইরানের তেল রপ্তানি দৈনিক ১৫ লাখ ব্যারেল
  • ইরানের হামলায় ‘বসবাসের অযোগ্য’ ১৩ মার্কিন ঘাঁটি; হোটেল, অস্থায়ী আবাসে সেনারা

Most Read

1
২৫ মার্চ, ২০২৬; এদিন ওয়াশিংটন ডিসি-তে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কংগ্রেসের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ আয়োজনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হতবাক ট্রাম্প, তার শুরু করা যুদ্ধ ইরান শেষ করতে দিচ্ছে না!

2
দ্য স্টেটসম্যানে প্রকাশিত কার্টুনটি এঁকেছেন অমল চক্রবর্তী।
ফিচার

একাত্তর: কার্টুন যখন হাতিয়ার

3
আইডিএফ প্রধান আইয়াল জামির। ছবি: ফ্ল্যাশ ৯০
আন্তর্জাতিক

চরম সেনাসংকট, যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী: সতর্ক করলেন আইডিএফ-প্রধান

4
ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল খাইবার, ২০২৩ সালের ২৩ মে। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

পারমাণবিক বোমার দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন ইরানের কট্টরপন্থিরা

5
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের; বললেন আলোচনা ‘ভালো এগোচ্ছে’

6
ওমানে সুলতান কাবুস বন্দরের অদূরে ট্যাংকার ‘র‍্যারিটি’ নোঙর করে আছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স
অর্থনীতি

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সবুজ সংকেতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে কমবে খরচ ও ঝুঁকি

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net