সিলেটের কিছু কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, আবার অনেক কেন্দ্র ফাঁকা
সিলেটে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে নগরের কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতির চিত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে। অনেক কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও কিছু কেন্দ্র ছিল প্রায় ফাঁকা।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের মদন মোহন কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ভোটারের উপস্থিতি বেশ কম। দুই-একজন করে ভোটার এসে ভোট দিচ্ছেন। এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আওয়াল আহমদ জানান, এখানে মোট ২ হাজার ৯৩৩ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট দিয়েছেন ১৫৪ জন।
কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ভোটারদের উপস্থিতি কম নিয়ে বলেন, 'সিলেটের মানুষজন একটু দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন, তাই সকালে ভোটার কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার বাড়বে।'
অন্যদিকে, সকাল ৮টায় নগরের সারদা হল কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতিই বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক নারীকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
তোপখানা এলাকার সাথী রানী দাস বলেন, 'শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে সকালেই চলে এসেছি। ভোটের পরিবেশ খুব ভালো।' কাজিরবাজার এলাকার বাসিন্দা শিউলি আক্তার বলেন, 'সকালে ঝামেলা কম হবে মনে করে এসেছিলাম। এখন দেখি দীর্ঘ লাইন।'
সকালে নগরের কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছিলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা তৈয়বুন্নেছা। তিনি বলেন, 'আইডি কার্ড না আনায় প্রথমে ভোট দিতে পারিনি। পরে বাসা থেকে ছেলে আইডি কার্ড নিয়ে আসে। এরপর ভোট দিয়েছি।'
সকাল ৮টায় শিবগঞ্জ স্কলার্সহোম কেন্দ্রে ভোট দেন সিলেট-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান। অন্যদিকে, সকাল ১০টার কিছু আগে সারদা হল কেন্দ্রে ভোট দেন এই আসনের বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। ভোট দেওয়ার পর তাঁরা দুজনই এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সিলেটে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
