ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে হিপ–নী রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী টোটাল হিপ–নী রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি ক্যাম্পের সমাপনী দিনে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হলো বাংলাদেশ–নেপাল অথ্রোপ্লাস্টি ওয়ার্কশপ ২০২৫।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) পরিচালক এবং বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির কনভেনার প্রফেসর ডা. মোঃ আবুল কেনান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. মোঃ মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. জাকিয়া আক্তার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের ডিরেক্টর এবং চীফ কনসালটেন্ট আর্থ্রোস্কপি ও অর্থ্রোপ্লাস্টি প্রফেসর ডা. মোঃ পারভেজ আহসান। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল আর্থ্রোস্কোপিক সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি ডা. সুমন বাবু মারাহাট্টা এবং নেপালের অর্থোপেডিক সার্জন ডা. প্রবীণ নেপাল।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ডা. আবুল কেনান বলেন, "সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঊরুসন্ধি ও হাঁটু প্রতিস্থাপন অপারেশনের মতো ক্যাম্প এবং আর্থ্রোপ্লাস্টি ওয়ার্কশপ আয়োজনের ফলে রোগীরা দেশেই আন্তর্জাতিক মানের সেবা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণ প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হচ্ছেন, যা দেশের স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
প্রফেসর ডা. পারভেজ আহসান বলেন, "বাংলাদেশে ঊরুসন্ধি ও হাঁটু প্রতিস্থাপন অপারেশনের জন্য সুসজ্জিত অপারেশন থিয়েটারের প্রয়োজন আছে, যা অনেক হাসপাতালেই নেই। দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ মানুষ এ ধরনের চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারেন না। তাই আমাদের এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
ক্যাম্পে দেড় শতাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষে রেজিস্ট্রেশনকৃত অর্ধ শতাধিক রোগীর উরুসন্ধি ও হাঁটু প্রতিস্থাপন অপারেশন সম্পূর্ণ ফ্রি চার্জে সম্পন্ন হচ্ছে।
