Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
May 02, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MAY 02, 2026
কয়েক সেকেন্ডের জন্য দিতে পারেননি ভর্তি ফি, তরুণের আইআইটিতে পড়ার স্বপ্ন বাঁচালেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

আন্তর্জাতিক

টিবিএস ডেস্ক
04 October, 2024, 02:45 pm
Last modified: 05 October, 2024, 03:00 pm

Related News

  • ভারতে পাঁচ বছরে ৬৪ জন পুরুষের ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এক দলিত নারীর
  • আসামে আইআইটি’র বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী বাংলাদেশের টিম রেনেসাস
  • আমাজন প্রাইমের 'মেইড ইন হেভেন'র একটি চরিত্র তার জীবন অবলম্বনে তৈরি: ভারতীয় লেখকের অভিযোগ
  • দলিত-মুসলিম নারীদের মোবাইল সাংবাদিকতা নিয়ে নির্মিত ছবি অস্কারের দরবারে

কয়েক সেকেন্ডের জন্য দিতে পারেননি ভর্তি ফি, তরুণের আইআইটিতে পড়ার স্বপ্ন বাঁচালেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

অতুল দলিত সম্প্রদায়ের একজন। যারা কি-না শত শত বছর ধরে দেশটিতে বঞ্চিত, নিপীড়িত ও সবচেয়ে প্রান্তিক সম্প্রদায় হিসেবে বিবেচিত।
টিবিএস ডেস্ক
04 October, 2024, 02:45 pm
Last modified: 05 October, 2024, 03:00 pm
ছবি: অমিত শাইনি

১৮ বছর বয়সী অতুল কুমার জুন মাসে আইআইটির কঠিন ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। যার মাধ্যমে ভারতের এক নামকড়া প্রযুক্তি কলেজে তার ভর্তির সুযোগ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে বেশ আনন্দিত হয়েছিলেন এই তরুণ। খবর বিবিসির। 

তবে এরপরেই আসে বিপত্তি। কলেজটিতে ভর্তি নিশ্চিতের জন্য সাড়ে ১৭ হাজার রুপি অনলাইনে জমা দিতে হতো। কিন্তু ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মুজাফফরনগরের পরিবারটির জন্য এটি ছিল একটি বড় অঙ্কের টাকা।

যদিও অতুলের বাবা টাকা ধার করে যোগাড়ও করেছিলেন। কিন্তু টেকনিকাল সমস্যার মাধ্যমে সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি অনলাইনে ফি জমা দিতে পারেননি।

তবে অতুলের পরিবার হাল ছাড়েনি। তারা পিটিশন দাখিল ও কোর্টে কেস করে। এক্ষেত্রে গত সপ্তাহে ভারতের শীর্ষ আদালত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিকে (আইআইটি) তার ভর্তি নিতে নির্দেশ প্রদান করেন।

এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট ভারতের সংবিধান প্রদত্ত অসীম ক্ষমতার প্রয়োগ করেছেন। আদালত বলেন, "আমরা এমন এক তরুণ প্রতিভাবান ছেলেকে এড়িয়ে যেতে পারি না।"

মোট ২৩টি কলেজের সমন্বয়ে তৈরি আইআইটি ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানকার প্রায় ১৮ হাজার আসনের জন্য ১০ লাখেরও বেশি প্রার্থী লড়ে থাকেন।

শিক্ষার্থীরা আইআইটির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে বছরের পর বছর বেসরকারি কোচিং সেন্টারে ব্যয় করেন। অন্যদিকে অভিভাবকরা মনে করেন যে, এতে ভর্তি হওয়া যেন তার সন্তানের জন্য সফলতার চাবিকাঠি।

অতুল আর্থিকভাবে টানাপড়েন থাকাসহ নানা চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠে আইআইটিতে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। এক্ষেত্রে তার গল্পটি ভারতীয় গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে।

অতুল দলিত সম্প্রদায়ের একজন। যারা কি-না শত শত বছর ধরে দেশটিতে বঞ্চিত, নিপীড়িত ও সবচেয়ে প্রান্তিক সম্প্রদায় হিসেবে বিবেচিত।

অতুলের বাবা রাজেন্দ্র কুমার দৈনিক মজুরিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। প্রতিদিন তার আয় মাত্র ৪৫০ রুপি। অন্যদিকে তার মা বাড়িতে কাপড় বুনেন।

কিন্তু রাজেন্দ্র কুমার মনে করেন, তার কাছে সন্তানদের শিক্ষার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছুই নেই। এমনকি তিনি তার বড় ছেলের পড়াশোনার অর্থের জন্য তার বাড়ি বিক্রি করেছিলেন।

অতুলের দুই ভাই নামকড়া কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন। আর তৃতীয়জন মুজাফফরনগরের একটি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি করছেন।

অতুল জানতেন যে, তাকেও কঠোর পড়াশোনা করতে হবে। তাই সে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘন্টা ঘরের অন্ধকার কোণে বসে সামান্য সূর্যালোকে লেখাপড়া করতেন। বারবার লোড শেডিংয়ে পরিস্থিতি আরও দুর্বিষহ হয়ে যেত। 

অতুল কাছাকাছি এক শহরে প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়ায় এমন এক কোচিং সেন্টারে পড়তেন। এই বছরই আইআইটির ভর্তি পরীক্ষায় বসার তার শেষ সুযোগ ছিল। 

অতুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তার বাবা স্থানীয় এক মহাজনের কাছে সাহায্য চান। কিন্তু ফি পরিশোধ করার ডেডলাইনের দুই ঘণ্টা আগে লোকটি সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এরপর অতুলের বাবা বন্ধুদের কাছে সহায়তা চান। যারা খুব অল্প সময়েই তাকে ১৪ হাজার টাকা দিয়েছিল। আর অবশিষ্ট ৩,৫০০ টাকা তিনি নিজের সঞ্চয় থেকে নেন।

রাজেন্দ্র দ্রুত তার বড় ছেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেন। এরপর অতুল ফি প্রদান সম্পন্ন করতে লগইন করেন। কিন্তু ততক্ষণে তার ডেডলাইনের মাত্র ১৮০ সেকেন্ড বাকি ছিল।

রাজেদ্র বলেন, "আমরা তিন মিনিটের মধ্যে টাস্কগুলো পূরণ করি যেটি করতে আরও অনেক বেশি সময় লাগে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে পোর্টালটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় এবং অতুল ডেডলাইন মিস করেন। অনুশোচনায় পরিবারের কেউই আমরা খাবার খাইনি।"

অতুলের কোচিং সেন্টার আইআইটি ধানবাদের সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু এক্ষেত্রে তাদের কিছুই করার নেই বলে প্রতিষ্ঠানটি সাফ জানিয়ে দেয়।

হতাশ হয়ে অতুলের পরিবারটি বেশ কয়েকটি কলেজ কর্তৃপক্ষকে ই-মেইল করে ও অন্য আদালতেরও শরণাপন্ন হয়। কিন্তু কিছুতেই কাজ হচ্ছিল না।

এখন একমাত্র উপায় ছিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০২১ সালে আদালত একজন দলিত ছাত্রকে আইআইটি বোম্বেতে ভর্তির সুযোগ দিয়েছিল। যিনি কি-না আর্থিক ও টেকনিকাল সমস্যার কারণে সময়মতো ভর্তির ফি দিতে পারেননি।

অতুল ও তার বাবা সেই ছাত্রের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। যিনি তার মামলাটি লড়া আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন।

সুপ্রিম কোর্টে আইআইটি ধানবাদ যুক্তি দিয়েছিল যে, অতুল বিকাল ৩টায় পেমেন্ট পোর্টালে লগইন করেছিলেন। যা থেকে মনে হয় যে, এটি শেষ মুহূর্তের চেষ্টা ছিল না। তারা আরও জানান, অতুলকে টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগে একাধিকবার রিমাইন্ডার দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু আদালত আইআইটিকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে, অতুলের ভর্তির বিরোধিতা করতে প্রতিষ্ঠানটি কেন এত আগ্রহী?

আদালত পর্যবেক্ষণ বলেছে যে, আবেদনকারীর যদি অর্থ পরিশোধের উপায় থাকতো তবে কেন সেই পরিমাণ অর্থ তিনি প্রদান করবেন না তার কোনও কারণ নেই। এক্ষেত্রে আদালত আইআইটি ধানবাদকে বর্তমান ব্যাচে অতুলের জন্য একটি অতিরিক্ত আসন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় অতুলকে শুভকামনা জানিয়েছেন। একইসাথে তিনি বলছেন, "অল দ্য বেস্ট, ভালো করো!"

Related Topics

টপ নিউজ

আইআইটি / দলিত / দরিদ্র শিক্ষার্থী

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • শজনে গাছ। ছবি: সংগৃহীত
    খাবার পানির ৯৮% মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর করতে পারে 'অলৌকিক' শজনে গাছ: গবেষণা
  • সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের নদীতে মাছ ধরছেন এক নারী। সুন্দরবনের মতো বেশ কিছু দুর্গম এলাকায় সীমান্ত ভাগাভাগি করছে বাংলাদেশ ও ভারত। ছবি: রয়টার্স
    বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বদলে কেন কুমির ও সাপ ছাড়তে চাইছে ভারত?
  • ছবি: সংগৃহীত
    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু
  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত বের করছে ইরান
  • প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
    অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রয়নীতির কারণেই হামের টিকার ঘাটতি: রিপোর্ট
  • যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার নেলিস বিমানঘাঁটিতে একটি ট্রাকে করে দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র পরিবহনকারী টান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএস আর্মি
    ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

Related News

  • ভারতে পাঁচ বছরে ৬৪ জন পুরুষের ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এক দলিত নারীর
  • আসামে আইআইটি’র বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী বাংলাদেশের টিম রেনেসাস
  • আমাজন প্রাইমের 'মেইড ইন হেভেন'র একটি চরিত্র তার জীবন অবলম্বনে তৈরি: ভারতীয় লেখকের অভিযোগ
  • দলিত-মুসলিম নারীদের মোবাইল সাংবাদিকতা নিয়ে নির্মিত ছবি অস্কারের দরবারে

Most Read

1
শজনে গাছ। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

খাবার পানির ৯৮% মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর করতে পারে 'অলৌকিক' শজনে গাছ: গবেষণা

2
সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের নদীতে মাছ ধরছেন এক নারী। সুন্দরবনের মতো বেশ কিছু দুর্গম এলাকায় সীমান্ত ভাগাভাগি করছে বাংলাদেশ ও ভারত। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বদলে কেন কুমির ও সাপ ছাড়তে চাইছে ভারত?

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

4
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত বের করছে ইরান

5
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
বাংলাদেশ

অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রয়নীতির কারণেই হামের টিকার ঘাটতি: রিপোর্ট

6
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার নেলিস বিমানঘাঁটিতে একটি ট্রাকে করে দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র পরিবহনকারী টান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএস আর্মি
আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net