দক্ষিণ লেবাননে ড্রোন যুদ্ধ, অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা
হরমুজ প্রণালিতে পরস্পরের জাহাজে হামলা বন্ধ নিয়ে যখন ওয়াশিংটন ও তেহরান তর্কে লিপ্ত, ঠিক তখন ইরানের শক্তিশালী মিত্র হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে লেবাননে শুরু হওয়া ছায়া ড্রোন যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে আরও জটিল করে তুলছে। ক্যামেরাবন্দি এই সংঘাত দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহ সস্তা এবং সহজে তৈরি করা যায় এমন 'ফার্স্ট পারসন ভিউ' (এফপিভি) কামিকাজে বা আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। গত ২ মার্চ ইসরায়েলে হামলা শুরু করার পর থেকে হিজবুল্লাহ এই নতুন রণকৌশল প্রয়োগ করছে। উল্লেখ্য, এর কয়েকদিন আগেই ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলাও শুরু হয়।
ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত এই এফপিভি ড্রোনগুলো— ইসরায়েলের উচ্চ প্রযুক্তির জ্যামিং সিস্টেমকে ফাঁকি দিতে পারে। গত ১৬ এপ্রিল ঘোষিত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির সময় থেকেই দক্ষিণ লেবাননের একাংশ দখল করে রাখা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে এই ড্রোনগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। লেবাননে এই যুদ্ধবিরতিটি বৃহত্তর ইরান যুদ্ধের অবসানে হওয়া মূল যুদ্ধবিরতির এক সপ্তাহ পর কার্যকর হয়েছিল।
ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি এপর্যন্ত ৪৫টিরও বেশি এফপিভি ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ২৮টি হামলা হয়েছে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পরবর্তী চার সপ্তাহে। এই যুদ্ধবিরতির ফলে লেবাননের রাজধানীতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ থাকলেও, গত বুধবার ইসরায়েল বৈরুতে হিজবুল্লাহর একজন কমান্ডারকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করে, যার পর পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুযোগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননের সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) ভেতরে একটি তথাকথিত 'বাফার জোন' বা নিরাপত্তা বলয় দখল করে রেখেছে। এই এলাকাটি হিজবুল্লাহর নখদর্পণে হওয়ায় ইসরায়েলি সৈন্যরা সেখানে অত্যন্ত সংকীর্ণ জায়গায় অবস্থান করছে এবং ড্রোন হামলার মুখে অত্যন্ত অসুরক্ষিত হয়ে পড়েছে।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে প্রকাশিত ভিডিওগুলোতে দেখা গিয়েছিল যে, ড্রোনগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর স্থির অবস্থান বা ট্যাংক ও খননযন্ত্রের (এক্সকাভেটর) মতো যানের ওপর আঘাত হানছে; তখন ইসরায়েল কোনো প্রাণহানির খবর দেয়নি। কিন্তু যুদ্ধবিরতির পর থেকে হিজবুল্লাহ সরাসরি সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে এবং এমন ৫টি হামলার কথা জানিয়েছে। ইসরায়েল নিশ্চিত করেছে যে, এসব হামলায় তাদের ৩ জন সৈন্য এবং ১ জন ঠিকাদার নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। এপ্রিলে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অন্তত দুটি প্রাণঘাতী এফপিভি ড্রোন হামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ইসরায়েল সেই হামলার ড্রোন চিত্রও প্রকাশ করেছে, যেখানে আক্রান্ত হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের খুব কাছ থেকে দেখা গেছে।
আক্রমণাত্মক এফপিভি ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার কয়েক বছর আগে কয়েক হাজার মাইল দূরে ইউক্রেন যুদ্ধে শুরু হয়। সেখানে রাশিয়ার ড্রোন থেকে বাঁচতে রণক্ষেত্রে জাল ব্যবহার করা হয়। ইউক্রেনের সেই ড্রোন অপারেটরদের অনেকেই এখন লেবাননে হিজবুল্লাহর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।
ইউক্রেনের আনম্যানড সিস্টেমস ব্রিগেডের ড্রোন যুদ্ধ বিশেষজ্ঞ দিমিত্রো পুতিয়াতা বলেন, "তারা (হিজবুল্লাহ) এখনো (ড্রোন যুদ্ধে) নতুন ঠিকই, কিন্তু তারা দ্রুত শিখছে।"
লেবাননের এই ড্রোন যুদ্ধ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইরান এবং শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যেকোনো শান্তি চুক্তিতে অবশ্যই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের শর্ত থাকতে হবে। নাহলে লেবাননের এই উত্তেজনা আবারও বৃহত্তর ইরান যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে।
লেবানন সরকার ও ইসরায়েলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতায় সরাসরি আলোচনা আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে অগ্রগতির গতি অত্যন্ত ধীর। ইসরায়েল দাবি করছে, লেবাননকে অবশ্যই হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে হবে, যা ১৯৭৫-১৯৯০ সালের গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দেশটিতে আবারও বড় ধরণের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে।
হিজবুল্লাহর গণমাধ্যম সম্পর্কের প্রধান ইউসেফ আল-জেইন বলেন, আমাদের মূল্যায়ন হলো—এফপিভি ড্রোন হামলায় যদি ইসরায়েলি সেনাদের ক্ষয়ক্ষতি অব্যাহত থাকে, তবে তা আলোচনার চেয়েও বেশি কার্যকরভাবে ইসরায়েলকে পিছু হটতে বাধ্য করবে। উল্লেখ্য, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সাথে এই আলোচনার বিরোধী।
তিনি বলেন, দক্ষিণ লেবাননে বর্তমানে যে ইসরায়েলি সৈন্যরা অবস্থান করছে— তারা হিজবুল্লাহর জন্য কোনো হুমকি নয় বরং একটি 'সুযোগ'। কারণ তাদেরকে খুব সহজেই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা যাচ্ছে।
জেইন সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা শত্রুর সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে জানি, কিন্তু আমরা তাদের দুর্বলতাগুলোও জানি। আমরা সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করছি।"
হিজবুল্লাহর একজন কমান্ডারের মতে, তাদের একটি বিশেষায়িত ড্রোন ইউনিট বিভিন্ন বাজার থেকে যন্ত্রাংশ সংগ্রহের কাজ করে। লেবাননের একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই যন্ত্রাংশগুলোতে ইসরায়েলি কোনো হস্তক্ষেপ বা 'বাগ' আছে কি না তা কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হয়। ২০২৪ সালে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর হাজার হাজার যোগাযোগ যন্ত্রে বিস্ফোরকে পেতে রেখে তার বিস্ফোরণ ঘটনায়। ওই ঘটনার পর থেকে এসব ক্ষেত্রে গোষ্ঠীটি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
হিজবুল্লাহর প্রথম এফপিভি ড্রোন হামলার ভিডিওটি গত ২২ মার্চের, যা যুদ্ধ শুরুর তিন সপ্তাহ পরের ঘটনা। আর ১১ এপ্রিল প্রকাশিত ভিডিওতে প্রথমবারের মতো ড্রোনের যন্ত্রাংশ ও ওয়ারহেড (বিস্ফোরক অংশ) দেখা গেছে।
স্পেন-ভিত্তিক ড্রোন বিশেষজ্ঞ কনরাড ইতুর্বে বলেন, "ভিডিওতে দেখা যাওয়া ড্রোন সিস্টেমগুলো মূলত চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি, যা অনলাইন মার্কেটে সহজেই পাওয়া যায়।"
এই ড্রোনগুলো কীভাবে কাজ করে?
হিজবুল্লাহ কমান্ডার এবং একজন ইসরায়েলি ড্রোন বিশেষজ্ঞের মতে, একটি সাধারণ এফপিভি ড্রোন তৈরি করতে ৪০০ ডলারেরও কম খরচ হয়। বার্তাসংস্থা রয়টার্স ড্রোন হামলার স্থানগুলো বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, লেবানন সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় পুরো এলাকা জুড়ে এগুলো মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউক্রেনের একজন ড্রোন অপারেটর এবং হিজবুল্লাহর ওপর নজর রাখা একজন বিদেশি নিরাপত্তা কর্মকর্তার মতে, ১১ এপ্রিলের ভিডিওতে দেখা গেছে ড্রোনে রাশিয়ার তৈরি পিজি-৭এল হাই-এক্সপ্লোসিভ অ্যান্টি-ট্যাংক ওয়ারহেড লাগানো হয়েছে।
ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, হিজবুল্লাহর কাছে আগে থেকেই এসব ওয়ারহেড মজুত ছিল, কিন্তু ড্রোনে যুক্ত করার ফলে এটি এখন আরও দূরপাল্লার নিখুঁত মারণাস্ত্র হয়ে উঠেছে।
হিজবুল্লাহ ড্রোন তৈরিতে রাশিয়ার কোনো বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নে আল-জেইন বলেন যে, তাদের নিজস্ব বিশেষজ্ঞ দল রয়েছে।
১৯৮২ সালে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সহায়তায় গঠিত হিজবুল্লাহর কাছে হাজার হাজার রকেট ও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম মিসাইল রয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে তারা ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে শুরু করে এবং ২০০৬ ও ২০২৪ সালের যুদ্ধেও তা ব্যবহার করেছে।
ইউক্রেনের ওই ড্রোন অপারেটর জানান, হিজবুল্লাহর ড্রোন পরিচালকদের দেখে মনে হচ্ছে তারা কয়েক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। ১১ এপ্রিলের ভিডিওতে দেখা যাওয়া ক্যাবল ড্রামটি ইঙ্গিত দেয় যে, ড্রোন ও পাইলটের সংযোগ রক্ষার জন্য সেখানে প্রায় ১০ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক তার ছিল। হিজবুল্লাহ কমান্ডারের মতে, এই সংযোগটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, "এর উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলি রাডার সিস্টেম যেন এগুলো শনাক্ত করতে না পারে, ফলে হামলা ঠেকাতে শত্রুর নজরডারি শক্তি কার্যত অন্ধ হয়ে পড়ে।"
ইসরায়েল কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্বীকার করেছেন যে এই ড্রোনগুলো একটি বড় সমস্যা। গত ৩ মে তিনি বলেন, "কয়েক সপ্তাহ আগে আমি ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় একটি বিশেষ প্রকল্প শুরুর নির্দেশ দিয়েছি... এটি সময়সাপেক্ষ বিষয়, তবে আমরা কাজ করছি।"
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে তাদের সেনাদের ওপর প্রায় প্রতিদিন ড্রোন হামলার খবর জানাচ্ছে। ইসরায়েলের আর্মি রেডিওর তথ্যমতে, এসব হামলায় অন্তত ৪০ জন সেনা আহত হয়েছে।
ইসরায়েলের একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ড্রোনগুলো ছোট হওয়ায় এবং হিজবুল্লাহর দক্ষ পাইলটরা সেগুলোকে মাটির খুব কাছ দিয়ে ধীরগতিতে উড়িয়ে নেওয়ায়— এগুলো শনাক্ত করা ও ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক 'আলমা' জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির সময় প্রধানত ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে এবং এসব হামলার ফুটেজ প্রচার করার ফলে একটি 'মারাত্মক মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব' তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ সমালোচকরা বলছেন যে, এই সমস্যার সমাধান অনেক আগেই খুঁজে বের করা উচিত ছিল। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, এর কোনো 'কুইক ফিক্স' বা তাৎক্ষণিক সমাধান নেই।
তিনি বলেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিভাগ গত এক বছর ধরে ইউক্রেনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ড্রোন হুমকি নিয়ে গবেষণা করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হতে পারে।
উচ্চ প্রযুক্তির সমাধানের পাশাপাশি জাল ব্যবহারের মতো সমাধানও কাজে লাগানো হচ্ছে। এছাড়া সেনাদের রাইফেলের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে— যাতে সেগুলো দিয়ে ড্রোন ভূপাতিত করা যায়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, তারা তাদের আয়রন ডোম মিসাইল ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম ব্যবহার করছেন এবং রাডার সক্ষমতা বাড়িয়েছেন। এপ্রিলে ইসরায়েলের একটি নতুন ড্রোন ইন্টারসেপ্টর সিস্টেমের পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, তবে সেটি ব্যর্থ হয়।
কর্মকর্তারা মনে করেন, ড্রোন ঠেকানোর সেরা উপায় হলো হিজবুল্লাহর সেই অপারেটরদের ওপর হামলা চালানো যারা ড্রোণগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। ইসরায়েল গত ১৩ ও ২৯ এপ্রিল হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে চালানো হামলার দুটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। তবে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত তাদের নিজস্ব এফপিভি ড্রোনের কোনো ছবি প্রকাশ করেনি।
ড্রোন বিশেষজ্ঞ ইতুর্বে লক্ষ্য করেছেন, হিজবুল্লাহর কিছু পাইলট এখন স্থির কোণ থেকে ড্রোণ ওড়ানোর বদলে সেগুলোকে উপর থেকে নিচে ডাইভ করিয়ে সরাসরি সাঁজোয়া যানের ওপর আঘাত করার কৌশল রপ্ত করেছে। তিনি বলেন, "বোঝাই যাচ্ছে, তারা মাঠ পর্যায় থেকে শিক্ষা নিয়েছে।"
তবে ফরেনসিক ইমেজ অ্যানালিস্ট উইলিয়াম গুডহিন্ড বলেন, হিজবুল্লাহর ভিডিওগুলোতে ড্রোন দিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, সেনাদের নয়। একটি লক্ষ্যবস্তুর ওপর ক্রমাগত হামলার অভাব বা দ্বিতীয় কোনো ড্রোন থেকে পর্যবেক্ষণের মতো কৌশলের অভাবও লক্ষ করা গেছে।
তিনি বলেন, "সাঁজোয়া যান, ট্যাংকে হামলার বিচ্ছিন্ন ভিডিওগুলো রাজনৈতিক প্রচারের জন্য চমৎকার হতে পারে, কিন্তু সামরিকভাবে এর প্রভাব সবসময় যে অনেক বড় হবে—তা নিশ্চিত নয়।"
