নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আকাশসীমা বন্ধ থাকার পর আমিরাতে স্বাভাবিক হচ্ছে ফ্লাইট চলাচল
ইরান থেকে ধেয়ে আসা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হুমকির মুখে সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করার পর তা পুনরায় সচল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।
মঙ্গলবার ভোরের দিকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর বিমান চলাচল কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে বলে রয়টার্সের বরাতে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান থেকে আসা বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকির জবাবে ইউএই-এর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে। যেকোনো ধরনের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে 'ব্যতিক্রমী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা' হিসেবে সাময়িকভাবে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছিল।
বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দেশের আকাশপথ সুরক্ষিত রাখতে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় ফ্লাইট কার্যক্রম আবার আগের অবস্থায় ফিরেছে।
এই উত্তেজনার ফলে দেশটির প্রধান দুই এয়ারলাইন এমিরেটস এবং ইতিহাদ তাদের কার্যক্রম 'সীমিত ফ্লাইট সূচি' অনুযায়ী পরিচালনা করছে। দুবাই সিভিল এভিয়েশন অথরিটি জানিয়েছে, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরই কেবল বাণিজ্যিক ফ্লাইটগুলোকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
ইতিহাদ এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং বিস্তৃত নিরাপত্তা মূল্যায়নের পরই তারা আবুধাবি থেকে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আকাশসীমা খুলে দেওয়া হলেও জিসিএএ গুরুত্ব দিয়ে বলেছে, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আকাশপথে এখনও 'নিরবচ্ছিন্ন রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ' বা সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের জেরে ওই অঞ্চলের আকাশপথ গত কয়েকদিন ধরেই চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
