Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
March 21, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MARCH 21, 2026
ইরাক যুদ্ধ থেকে ইরান সংঘাতের যে শিক্ষা

আন্তর্জাতিক

লরেন্স ফ্রিডম্যান, ব্লুমবার্গ
14 March, 2026, 07:00 pm
Last modified: 14 March, 2026, 07:04 pm

Related News

  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে
  • ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হিসাব ভুল ছিল, দেশে এখন ‘অভূতপূর্ব ঐক্য’: মোজতবা খামেনি
  • রুবিও আর হেগসেথের বাড়ির ওপর ড্রোন, সামরিক কর্মকর্তারা হতবাক 
  • 'স্কোর ২০-এ ২০'; এখনও পুরোদমে ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে ইরান: আইআরজিসি
  • ট্রাম্পকে পাশ কাটাতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা: হরমুজ দিয়ে যেভাবে তেল নিচ্ছে বিভিন্ন দেশ

ইরাক যুদ্ধ থেকে ইরান সংঘাতের যে শিক্ষা

ইতিহাস বলছে, কোনো শাসকগোষ্ঠীর পতন হলেও তার জায়গায় স্থিতিশীল বিকল্প তৈরি করা আরও কঠিন।
লরেন্স ফ্রিডম্যান, ব্লুমবার্গ
14 March, 2026, 07:00 pm
Last modified: 14 March, 2026, 07:04 pm

ইলাস্ট্রেশন: ব্লুমবার্গ

এমনটা অনুমান করাই যায়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ইরান যুদ্ধ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবেন, তখন তিনি সেটিকে বিজয় হিসেবেই ঘোষণা করবেন—মাঠের বাস্তবতা যাই হোক না কেন। ইতোমধ্যে তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনীর সক্ষমতায় বড় ধরনের ক্ষতি করা হয়েছে। আর এতে সন্দেহ নেই যে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর দেশটি আগের তুলনায় দুর্বল হয়েছে।

তবে ট্রাম্প স্পষ্টতই আরও বড় কিছু অর্জন করতে চেয়েছিলেন। তিনি বারবার দাবি করেছেন, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে যে শাসনব্যবস্থা ইরান পরিচালনা করছে তার অবসান হওয়া উচিত এবং তিনি ইরানের জনগণকে এই সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের আহ্বান জানিয়েছেন। গত সপ্তাহেও তিনি বলেছেন, ইরানের "নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ" ছাড়া কোনো চুক্তি হবে না।

এই লক্ষ্য পূরণের পথে বড় একটি বাধা হলো—১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকেই ইরানের নেতৃত্ব প্রায় সব সময় বাইরের হুমকির মুখে নিজেদের টিকিয়ে রাখার কৌশল নিয়ে ব্যস্ত। মধ্যপ্রাচ্য বহুদিন ধরেই সহিংস রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে পরিচিত—কখনো অভ্যুত্থান, কখনো গণঅভ্যুত্থান, আবার কখনো যুদ্ধের মাধ্যমে। এখানকার নেতারা—যাদের অনেকেই স্বৈরশাসক বা বংশানুক্রমিক শাসক—ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল নিয়ে গভীরভাবে ভাবেন। ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ সেই দীর্ঘ ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায় মাত্র।

তেহরানে এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য আগেই বিকল্প পরিকল্পনা করা হয়েছিল—এমন তথ্য আমরা জানি। শীর্ষ নেতৃত্ব হত্যার শিকার হলে কারা দায়িত্ব নেবেন, সেই উত্তরসূরি ব্যবস্থাও আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে কোনো শাসন পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে—এমন প্রমাণ খুব কমই পাওয়া যায়। আর ইতিহাস বলছে, কোনো শাসকগোষ্ঠীর পতন হলেও তার জায়গায় স্থিতিশীল বিকল্প তৈরি করা আরও কঠিন।

ইরান বনাম ইরাক

বিপ্লবের কিছুদিন পরই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, যখন তেহরানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কূটনীতিকদের জিম্মি করা হয়। ১৯৮০ সালের এপ্রিলে তাদের উদ্ধারে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর উদ্ধার অভিযানও ব্যর্থ হয়।

এর চেয়ে গুরুতর চ্যালেঞ্জ আসে সেই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে, যখন ইরাকের স্বৈরশাসক সাদ্দাম হোসেন ইরানে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। তখন তেহরানে ক্ষমতায় থাকা ধর্মীয় নেতৃত্বের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলছিল এবং দেশটি অস্থিরতায় ভুগছিল। ইরানের বিপ্লবী উচ্ছ্বাস এবং তা ইরাকের শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে—এই আশঙ্কায় সাদ্দাম মনে করেছিলেন, ইরান দুর্বল অবস্থায় থাকতেই দ্রুত ও শক্ত আঘাত হানলে সরকারকে পতনের মুখে ঠেলে দেওয়া সম্ভব হবে এবং দুই দেশের মধ্যে বিবাদ থাকা ভূখণ্ডও পুনর্দখল করা যাবে।

কিন্তু ঘটনাপ্রবাহ তাঁর প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি। ইরাকে হামলার অগ্রগতি প্রত্যাশার তুলনায় ধীর হয়ে যায় এবং ইরানও ইরাকের তেল স্থাপনায় বিমান হামলা চালানোর পরে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ইরাকি শাসনব্যবস্থাই টিকে থাকার লড়াইয়ে পড়ে যায়। ১৯৮৮ সালে পশ্চিমা ও আরব দেশগুলোর সমর্থনে—যাদের অনেকেই ইরানের বিজয় নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল—ইরাক কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে ফিরে আসে। তখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি যুদ্ধবিরতি মেনে নেন। শক্তিক্ষয়ের দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধে দুই দেশই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, কিন্তু কোনো শাসনব্যবস্থারই পতন হয়নি।

দুই বছর পর সাদ্দাম আবারও যুদ্ধের মাধ্যমে নিজের দেশের সমস্যার সমাধান খুঁজতে চান। এবার ১৯৯০ সালের আগস্টে তার লক্ষ্য ছিল প্রতিবেশী কুয়েত। ইরাকের সামরিক বাহিনী দেশটি দ্রুত দখল করতে পারলেও—শাসক রাজপরিবার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, ফলে কুয়েতের ওপর ইরাকের কর্তৃত্ব বৈধতা পায়নি। ইরান–ইরাক যুদ্ধে যে আন্তর্জাতিক জোট ইরাককে সমর্থন করেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সেই জোটই পরে কুয়েতকে মুক্ত করার অভিযানের জন্য একত্রিত হয়।

১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মিত্র বাহিনীর কয়েক সপ্তাহের ব্যাপক বোমাবর্ষণ ও সংক্ষিপ্ত স্থলযুদ্ধের পর ইরাকি বাহিনী বিশৃঙ্খলভাবে পিছু হটে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ সাদ্দামকে উৎখাত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক শক্তি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেন। তার উপদেষ্টারা আশঙ্কা করেছিলেন, বিদেশি আক্রমণের মুখে ইরাকি বাহিনী আরও কঠোরভাবে লড়াই করবে এবং দেশ শাসনের দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এসে পড়বে। অপ্রত্যাশিত এই যুদ্ধবিরতির সুযোগ পেয়ে সাদ্দাম নিজের টিকে থাকাকেই বিজয় হিসেবে তুলে ধরেন।

এই অভিযানের সময় বুশ ইরাকি সেনাবাহিনী ও জনগণকে নিজেদের উদ্যোগে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। পরে কুর্দি ও শিয়ারা বিদ্রোহ শুরু করলে—সেগুলো নির্মমভাবে দমন করেন সাদ্দাম। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বিষয়টি উপেক্ষা করলেও পরে সমালোচনার মুখে উত্তর ইরাকে কুর্দিদের জন্য নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তোলে।

এরপরের এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপ সত্ত্বেও সাদ্দাম ক্ষমতায় টিকে থাকেন। ইরাকের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকলেও তিনি তা ব্যবহার করেন নিজের ক্ষমতা আরও শক্ত করতে—চোরাচালান ও রেশনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে। সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রগুলো শুরু হওয়ার আগেই দমন করা হতো। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করতে শুরু করে যে ইরাক আবারও গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করছে। এরপর ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলা এবং তথাকথিত "সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ"-এর প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সাদ্দাম সরকারের পতন ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, সাদ্দামকে সরানোর কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই, এজন্য ইরাক দখল করতেই হবে। ২০০৩ সালের মার্চে তারা ইরাকে আক্রমণ চালায় এবং দ্রুতই রাজধানী বাগদাদে পৌঁছে যায়। সাদ্দাম আত্মগোপন করেন। তবে পরে তাকে আটক করা হয়, বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

অথচ তারপরেও পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে, বরং অবনতি হয়। ইরাকে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া যায়নি, এবং জোট বাহিনী একটি কঠিন শিক্ষা পায়—কোনো শাসকগোষ্ঠী উৎখাত করা এক বিষয়, আর তার স্থলে সফলভাবে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এরপরের বছরগুলোতে ইরাক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, যার বড় অংশই ছিল জোট বাহিনীর বিরুদ্ধে।

'অন্তহীন যুদ্ধ' থেকে শিক্ষা

২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ বারবার সামনে এসেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করার পর থেকে। বিগত সংঘাতের সঙ্গে এর কিছু মিলও আছে—পারমাণবিক হুমকির অভিযোগ এবং এই বিশ্বাস যে ইরানের 'একনায়কতান্ত্রিক ও অজনপ্রিয়' সরকার যুদ্ধকালে দেশবাসীর সমর্থন পাবে না।

ইরাকের ক্ষেত্রে যুদ্ধ শুরুর সময় জাতিসংঘের পরিদর্শকেরা দেশটির অস্ত্র কর্মসূচি পরীক্ষা করছিলেন। ইরানের ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিল। উভয় ক্ষেত্রেই ধারণা করা হয়েছিল, নেতৃত্বকে দ্রুত আঘাত করার একটি ক্ষণস্থায়ী সুযোগ রয়েছে—এই বিশ্বাস থেকেই সামরিক অভিযান দ্রুত শুরু করা হয়। সাদ্দাম টিকে গিয়েছিলেন; কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।

দুই ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের কেউ কেউ এই হামলাকে অযৌক্তিক মনে করেছিল এবং অংশ নিতে অনিচ্ছা দেখিয়েছে। ইরানের ক্ষেত্রে এর মধ্যে ছিল যুক্তরাজ্য, অথচ দেশটি সাধারণত ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্য রেখেই সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে দুই সংঘাতের মধ্যে পার্থক্যগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। ইরাক যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তৃত বিতর্ক হয়েছিল। ইরানের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেক বেশি হঠাৎ সামনে আসে। যদিও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে হামলার ধারণা আগে থেকেই আলোচিত হতে পারে, তবে প্রকাশ্য সংঘাতের দিকে অগ্রসর হওয়া দৃশ্যমান হয় যুদ্ধ শুরুর মাত্র সপ্তাহখানেক আগে। তখনও মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সামরিক প্রস্তুতির উদ্দেশ্য নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান ছিল অস্পষ্ট।

আমি ২০২৫ সালে লিখেছিলাম, সামরিক কৌশলবিদরা এখনো ছোট যুদ্ধের ধারণা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করেন, অথচ আধুনিক সংঘাত খুব কমই দ্রুত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। সরাসরি হস্তক্ষেপ না করলে বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে, কিন্তু তাতে ফলাফলের ওপর নিয়ন্ত্রণও হারিয়ে যায়। লিবিয়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন ও হত্যার পর দেশটি দীর্ঘ অস্থিরতায় পড়ে। বিপরীতে সিরিয়াতে বাশার আল-আসাদ ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে ছিলেন।

ইরান অভিযান শুরুর সময় ট্রাম্প ধারণা করেছিলেন, দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই নিহত হওয়ায় জনগণ ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে। অনেকেই হয়তো তা চাইতেন, যদি না তারা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন হতে দেখতেন। ফলে যতদিন সরকার রাস্তায় শক্তি প্রয়োগ করে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে, ততদিন বিরোধীরা সতর্কই থাকবে।

ট্রাম্প ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা পাঠিয়ে তাদের হয়ে যুদ্ধ করতে চান না। তবে তিনি হয়তো ভেবেছিলেন, টানা বিমান হামলার মুখে ইরানের অবশিষ্ট নেতৃত্ব সাদা পতাকা তুলবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আত্মসমর্পণের শর্তে সম্মত হবে।

কিন্তু এই হিসাবের একটি বড় দুর্বলতা ছিল—যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইসরায়েলি হামলায় সম্ভাব্য অনেক "মধ্যপন্থী" নেতা এবং আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন। ফলে এমন কেউ অবশিষ্ট থাকেনি যার হাতে নেতৃত্ব নেওয়ার ক্ষমতা এবং আলোচনায় বসার আগ্রহ—দুটিই রয়েছে। বরং সরকার নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ছেলে মোজতবাকে বেছে নেয়। নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্ধারণে ট্রাম্পের দাবিমতো তার মতামত নেওয়ার তোয়াক্কাও করেনি ইরানের প্রশাসন।

ইতিহাস ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয় না। তবে এটি সতর্কবার্তা দেয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, ইরানের শাসনব্যবস্থার অবশিষ্ট অংশকে ক্ষমতা থেকে সরানো সহজ হবে না। একই সঙ্গে এটিও দেখায়, কোনো দেশ একবার অস্থিতিশীলতায় পড়লে তাকে আবার স্থিতিশীল করা অত্যন্ত কঠিন—নতুন বৈধ ও কার্যকর সরকার প্রতিষ্ঠা করা তো আরও কঠিন।

যদি ট্রাম্পের লক্ষ্য শুধু ইরানকে দুর্বল করা না হয়ে দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে, তবে শাসনব্যবস্থার টিকে থাকা আপাতত তার সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থতার ইঙ্গিতই দেবে—তিনি জনসমক্ষে যাই বলুন না কেন।


লেখক: স্যার লরেন্স ফ্রিডম্যান  লন্ডনের কিংস কলেজ-এর যুদ্ধবিষয়ক অধ্যয়ন বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি নিয়মিতভাবে 'কমেন্ট ইজ ফ্রিড' নামের প্ল্যাটফর্মে লেখালেখি করেন।


 

Related Topics

টপ নিউজ / মতামত

ইরাক যুদ্ধ / ইরান যুদ্ধ / যুক্তরাষ্ট্র / ইসরায়েল

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা
  • ছবি: এএফপি
    ট্রাম্পের কথা শুনব, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা করব না: নেতানিয়াহু; ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে হামলা
  • ছবি; রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গ্রিনল্যান্ডের রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ডেনমার্ক
  • প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
    ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, জরুরি অবতরণ
  • মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি
    ইরানের তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
  • গত বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করেন। ছবি: রয়টার্স
    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প

Related News

  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে
  • ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হিসাব ভুল ছিল, দেশে এখন ‘অভূতপূর্ব ঐক্য’: মোজতবা খামেনি
  • রুবিও আর হেগসেথের বাড়ির ওপর ড্রোন, সামরিক কর্মকর্তারা হতবাক 
  • 'স্কোর ২০-এ ২০'; এখনও পুরোদমে ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে ইরান: আইআরজিসি
  • ট্রাম্পকে পাশ কাটাতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা: হরমুজ দিয়ে যেভাবে তেল নিচ্ছে বিভিন্ন দেশ

Most Read

1
কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা

2
ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের কথা শুনব, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা করব না: নেতানিয়াহু; ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে হামলা

3
ছবি; রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গ্রিনল্যান্ডের রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ডেনমার্ক

4
প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, জরুরি অবতরণ

5
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইরানের তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট

6
গত বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করেন। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net