হরমুজ প্রণালীতে ইরান সামুদ্রিক মাইন বসালে ‘দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব’ পড়তে পারে: বিশ্লেষক
ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র-মাইন পেতে দেয়, তাহলে এর 'বড় ধরনের প্রভাব' পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অব ডিফেন্স মাইকেল মুলরয়।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুলরয় বলেন, 'হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া হুমকি, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাইনের আশঙ্কার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করার দিকে মনোনিবেশ করছে।'
মুলরয় বলেন, 'সামুদ্রিক ইস্যুটি এখন অত্যন্ত সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে।'
এই প্রণালীর মধ্য দিয়ে যে বিশাল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয় তা উল্লেখ করে মুলরয় বলেন, ইরানের নৌবাহিনী যদি সামুদ্রিক মাইন স্থাপন করে, তাহলে তা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, 'এই প্রণালিটি ব্যবহার করতে না পারলে শুধু বিশ্বজুড়ে যেসব দেশ জ্বালানির জন্য এর ওপর নির্ভরশীল তাদের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে তা-ই নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপরও তা বিধ্বংসী প্রভাব ফেলবে।'
তিনি আরও বলেন, 'তারা যদি এই প্রণালীর যেকোনো অংশে মাইন স্থাপন করে—যা করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়—তবে তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে এবং বিমা কোম্পানিগুলোকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি ও বিমা প্রদানে রাজি করাতে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে।'
মুলরয় সতর্ক করে বলেন, 'যদি সত্যিই এমনটি ঘটে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এর একটি ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি যে তারা এই পথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে কেবল গুলি চালিয়েই এটি বন্ধ করার সক্ষমতা রাখে।'
