ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে নেতানিয়াহুর ৬ বার যুক্তরাষ্ট্র সফর: এক নজরে নেপথ্য কাহিনী ও ফলাফল
গত এক বছরে বিশ্বের আর কোনো নেতা সরকারিভাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চেয়ে বেশিবার যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেননি।
আর এবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এই সপ্তাহে আবারও মার্কিন সফরে যাওয়ার মাধ্যমে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙতে চলেছেন—২০২৫ সালের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি হবে তার ষষ্ঠ মার্কিন সফর।
এই সফরটি এই অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ এক মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর তাদের অবৈধ নিয়ন্ত্রণ আরও জোরালো করছে; যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি 'যুদ্ধবিরতি' হওয়া সত্ত্বেও গাজায় বোমাবর্ষণ এবং অবরোধ অব্যাহত রয়েছে; এবং কয়েক সপ্তাহ আগে আসন্ন বলে মনে হওয়া একটি যুদ্ধ এড়াতে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ওয়াশিংটন ডিসিতে নেতানিয়াহুর আলোচ্যসূচির শীর্ষে ইরান ইস্যুটি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ তিনি তেহরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরও কঠোর নীতি গ্রহণের জন্য চাপ দিচ্ছেন।
এখানে আমরা ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে নেতানিয়াহুর আগের সফরগুলো এবং সেগুলোর ফলাফলগুলো তুলে ধরছি।
ফেব্রুয়ারি ২০২৫: জোট পুনঃপ্রতিষ্ঠা
প্রায় ঠিক এক বছর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় মেয়াদের কাজ শুরু হওয়ার পর প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন।
সফরের উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং এবং ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর নিজস্ব শক্তিশালী সম্পর্ককে পুনরায় নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য যে, ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ওয়াশিংটনের নীতিকে ব্যাপকভাবে ইসরায়েলের অনুকূলে নিয়ে গিয়েছিলেন।
সফরের সময় নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বলেন, 'আপনি হলেন হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে ইসরায়েলের দেখা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বন্ধু।'
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া একটি গাজা যুদ্ধবিরতি তখন কার্যকর ছিল।
কিন্তু সেই সফরের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট গাজায় 'জাতিগত নিধন' চালানোর এবং ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডকে 'মধ্যপ্রাচ্যের রিভিয়েরা'-তে পরিণত করার একটি প্রস্তাব প্রকাশ করেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় তোলে।
ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা আরব দেশগুলো জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর ফলে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে। আর নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন সফর থেকে ফেরার কয়েক সপ্তাহ পরেই ইসরায়েল গাজায় তার ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ পুনরায় পূর্ণ শক্তিতে শুরু করে।
এপ্রিল: সম্পর্কে ফাটলের লক্ষণ
খুব বেশি সময় পার হওয়ার আগেই নেতানিয়াহু আবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন। এটি ছিল এমন এক সময় যখন ট্রাম্প ইসরায়েলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।
শুল্ক মুক্তির জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগ ঘোষণা করেছিলেন।
কিন্তু সেই পদক্ষেপ কাজে আসেনি। ওভাল অফিসে নেতানিয়াহুর পাশে বসে থাকা ট্রাম্পকে শুল্ক ছাড়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, 'ভুলে যাবেন না, আমরা ইসরায়েলকে অনেক সাহায্য করি। আমরা ইসরায়েলকে বছরে চার বিলিয়ন (৪০০ কোটি) ডলার দেই। সেটা অনেক টাকা।'
নেতানিয়াহুর এজেন্ডার আরেকটি প্রধান বিষয় ছিল ইরান। তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চেয়েছিলেন।
কিন্তু যুদ্ধের দিকে না গিয়ে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাতে ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান পারমাণবিক আলোচনার উদ্যোগ নেবে। তিনি ইরানের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে তার পছন্দের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
ট্রাম্প সেই সময় বলেন, 'আমাদের একটি খুব বড় বৈঠক হতে যাচ্ছে এবং আমরা দেখব কী হয়। আমি মনে করি সবাই একমত যে, সরাসরি সংঘাতের চেয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোই বেশি কাম্য।'
জবাবে নেতানিয়াহু ইরানের সাথে মার্কিন কূটনীতির জন্য সর্বোচ্চ কঠোর শর্ত নির্ধারণ করেন—যা ছিল ২০০৩ সালের লিবিয়া মডেলের মতো ভারী অস্ত্রের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ।
নেতানিয়াহু বলেন, "যদি এটি পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিকভাবে করা যায়౼যেমনটা লিবিয়ায় করা হয়েছিল౼তা ভালো হবে। কিন্তু যা হোক না কেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।"
ইরান বারবার দাবি করেছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। অন্যদিকে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ইসরায়েলের কাছে একটি অঘোষিত পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।
সেসময় ইরান এবং বাণিজ্য নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও, মার্কিন প্রশাসন গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় সমর্থন এবং অর্থায়ন অব্যাহত রেখেছিল।
জুলাই: বিজয় উদযাপন
যদিও কয়েক সপ্তাহ আগে ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুকে একমতে পৌঁছাতে দেখা যায়নি, তবুও গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বোমাবর্ষণে ইসরায়েলের সাথে যোগ দেয়। তারা ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানে, যা ছিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর বহু বছরের একটি অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণ।
এই হামলার এক মাস পর নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউস সফর করেন যুদ্ধ ও এর ফলাফল উদযাপন করতে। ট্রাম্প সেই সময় বলেছিলেন, এই হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে 'পুরোপুরি ধ্বংস' করে দেওয়া হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, 'আমি মনে করি ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে অংশীদারিত্ব, এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমার মধ্যকার যে অংশীদারিত্ব—তা একটি ঐতিহাসিক বিজয় এনে দিয়েছে। এটি আসলে একটি অবিশ্বাস্য বিজয়।'
তিনি আরও বলেন, 'এটি যুক্তরাষ্ট্রের অতুলনীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সক্ষমতার সাথে ইসরায়েল ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, ইসরায়েলি বৈমানিক, সৈন্য এবং মোসাদের দুর্দান্ত সক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়েছে।'
ফিলিস্তিনিদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অনাহার কর্মসূচি এবং ইসরায়েলি নৃশংসতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্ষোভের মুখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ দিচ্ছিল, তখন সেই সফরের সময় নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সাথে দুইবার সাক্ষাৎ করেন।
কিছু মিডিয়া প্রতিবেদনে তখন বলা হয়েছিল, ট্রাম্প হয়তো নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ বন্ধ করতে চাপ দিতে পারেন, কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে তিনি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট গাজার বিষয়ে 'সম্পূর্ণ একমত'।
নেতানিয়াহু বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি চুক্তি চান, কিন্তু যেকোনো মূল্যে নয়। আমিও একটি চুক্তি চাই, কিন্তু যেকোনো মূল্যে নয়। ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত এবং অন্যান্য কিছু প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং আমরা সেগুলো অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করছি।'
সেপ্টেম্বর: 'যুদ্ধবিরতি'
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পর, যেখানে বিশ্বের অনেক দেশ গাজার সংঘটিত আতঙ্কজনক পরিস্থিতির প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল—তার পর আট মাসের মধ্যে চতুর্থবারের মতো ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে ওয়াশিংটন ডিসিতে যান নেতানিয়াহু।
ট্রাম্প একটি ২০ দফা পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন যা বর্তমান গাজা 'যুদ্ধবিরতির' ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়। এই সফরের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর পরিকল্পনার প্রতি নেতানিয়াহুর সমর্থন পেতে চেয়েছিলেন, যেটিকে তিনি এই অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক নতুন সূর্যোদয় হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছিলেন, 'এটি একটি অনেক বড় দিন, একটি সুন্দর দিন; সম্ভাব্যভাবে সভ্যতার ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর একটি।'
তিনি আরও বলেন, 'আমি শুধু গাজার কথা বলছি না। গাজা তো একটি অংশ মাত্র, কিন্তু আমরা গাজার অনেক বাইরের বিষয় নিয়েও কথা বলছি। পুরো বিষয়টির সমাধান হতে যাচ্ছে। একেই বলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি।'
নেতানিয়াহু ট্রাম্পের প্রস্তাব গ্রহণ করার কথা জানালেও, তিনি বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন। নেতানিয়াহু বলেন, 'ইসরায়েল অদূর ভবিষ্যতের জন্য একটি সুরক্ষা বলয়সহ সামগ্রিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজের কাছেই রাখবে।'
তিনি আরও বলেন, 'গাজায় একটি শান্তিপূর্ণ বেসামরিক প্রশাসন থাকবে যা হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ—কেউ পরিচালনা করবে না; বরং এটি তাদের দ্বারা পরিচালিত হবে যারা ইসরায়েলের সাথে প্রকৃত শান্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
যুদ্ধবিরতি কয়েক দিনের মধ্যে কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু চার মাসেরও বেশি সময় পরেও, ইসরায়েল গাজায় বোমাবর্ষণ এবং হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং অস্থায়ী আশ্রয়ের জন্য সরঞ্জাম প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।
ডিসেম্বর: আবারও ইরান প্রসঙ্গ
নেতানিয়াহু গত জুলাইতে ঘোষণা করেছিলেন, ইরানকে লক্ষ্য করে চালানো যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা দেশটির পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে স্তিমিত করে দিয়েছে—যে কর্মসূচিগুলোকে তিনি "দুটি টিউমার" বলে অভিহিত করেছিলেন। তা সত্ত্বেও, বছরের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী একই বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন।
ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো রিসোর্টে এই দুই নেতার সাক্ষাতের আগেই, ট্রাম্প ইরানকে আরও বোমা হামলার হুমকি দেন।
ট্রাম্প বলেন, "এখন আমি শুনছি যে ইরান আবারও শক্তি সঞ্চয়ের চেষ্টা করছে। যদি তারা তা করে, তবে আমাদের তাদের দমন করতে হবে। আমরা তাদের প্রতিহত করব। আমরা তাদের কঠোরভাবে আঘাত করব। তবে আশা করছি, এমন কিছু ঘটছে না।"
সেখান থেকে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। গাজার ভবিষ্যৎ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ইস্যুতে তাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে বলে গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, তারা তা নাকচ করে দেন।
ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে একজন 'বীর' বলে অভিহিত করেন এবং যুক্তি দেন যে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব না থাকলে হয়তো ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না।
ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, 'আমরা আপনাদের সাথে আছি, এবং আমরা আপনাদের সাথে থাকব। মধ্যপ্রাচ্যে অনেক ভালো কিছু ঘটছে।'
প্রধানমন্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে ঘোষণা করেন যে, তার দেশ ট্রাম্পকে 'ইসরায়েল প্রাইজ' প্রদান করবে, যা সাধারণত কেবল ইসরায়েলি নাগরিকদের দেওয়া হয়ে থাকে।
নেতানিয়াহু বলেন, 'আমাকে বলতেই হবে যে, এটি সমস্ত মতাদর্শের ইসরায়েলিদের ব্যাপক জনমতের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।'
সেই বৈঠকের কয়েক দিন পর ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে—'সহায়তা আসছে'।
তবে সেই হুমকি কখনোই বাস্তবে রূপ নেয়নি।
ইরানের বিক্ষোভ আন্দোলন প্রায় স্তিমিত হয়ে আসা এবং নতুন করে মার্কিন-ইরান কূটনীতি শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এই সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফিরে আসার সময় তেহরানের ওপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টির জন্য প্রচেষ্টা চালাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এখন যা দেখার বাকি রয়েছে তা হলো—মার্কিন প্রেসিডেন্ট (যিনি তার পূর্বসূরিদের মতোই ইসরায়েলি দাবিগুলোতে 'না' বলার ক্ষেত্রে অনীহা দেখিয়েছেন)—তিনি এবার কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন।
