Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
March 21, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MARCH 21, 2026
‘এপস্টেইন নথি’ নিয়ে যা জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যেগুলো প্রকাশ করতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক

টিবিএস ডেস্ক
02 February, 2026, 10:30 pm
Last modified: 02 February, 2026, 10:39 pm

Related News

  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে
  • রুবিও আর হেগসেথের বাড়ির ওপর ড্রোন, সামরিক কর্মকর্তারা হতবাক 
  • জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প
  • ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়’: ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইউরোপ
  • মার্কিন হামলায় ‘সহযোগিতা’, জাতিসংঘকে লেখা চিঠিতে আমিরাতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

‘এপস্টেইন নথি’ নিয়ে যা জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যেগুলো প্রকাশ করতে যাচ্ছে

এপস্টেইনের বিরুদ্ধে দুই ফৌজদারি তদন্তের সময় বিপুল পরিমাণ নথিপত্র তৈরি ও সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ছিল ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি এবং তার বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযানের সময় জব্দ করা সামগ্রী, তথ্য-প্রমাণ।
টিবিএস ডেস্ক
02 February, 2026, 10:30 pm
Last modified: 02 February, 2026, 10:39 pm
২০০৪ সালে কেমব্রিজে জেফ্রি এপস্টেইন। ছবি: বিবিসি

মার্কিন বিচার বিভাগকে দণ্ডিত যৌন অপরাধী ও অর্থলগ্নিকারী জেফ্রি এপস্টেইন–সংক্রান্ত তদন্তের নথিগুলো প্রকাশের জন্য ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী এটিই ছিল চূড়ান্ত সময়। খবর বিবিসির

গত কয়েক মাস ধরেই "এপস্টেইন ফাইলস" শব্দগুচ্ছটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে।

এপস্টেইন–সংক্রান্ত ফেডারেল তদন্তে কী উঠে এসেছে, তা নিয়ে আরও স্বচ্ছতার দাবিতে ট্রাম্পের নিজ সমর্থক এবং রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকেও নথিগুলো প্রকাশের চাপ বাড়ছিল। কয়েক সপ্তাহ ধরে নথি প্রকাশে অনীহা দেখানোর পর অবশেষে ট্রাম্প অবস্থান বদলান এবং এপস্টেইন ফাইল জনসমক্ষে প্রকাশের পক্ষে ভোট দিতে রিপাবলিকানদের আহ্বান জানান।

মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ—যা দেশটির আইনপ্রণয়ন শাখা—এমন একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে, যাতে বিচার বিভাগকে সব নথি প্রকাশে বাধ্য করা হয়। পরে গত নভেম্বরে এতে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।

এর ফলে নথি প্রকাশের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা কার্যকর হয়। তবে যেসব নথি চলমান কোনো ফৌজদারি তদন্তের সঙ্গে যুক্ত, এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকারদের পরিচয় প্রকাশ করে বা তাদের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে, কিংবা শারীরিক নির্যাতন, শিশু যৌন নির্যাতন, মৃত্যু বা আঘাতসংক্রান্ত ছবি যুক্ত—সেগুলো এর বাইরে রাখা হয়েছে।

এপস্টেইন ফাইলস কী?

২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক ১৪ বছর বয়সী কিশোরীর বাবা-মা পুলিশকে জানান, পাম বিচে নিজের বাড়িতে এপস্টেইন তাদের মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। এরপর প্রসিকিউটরদের সঙ্গে এপস্টেইনের একটি সমঝোতা হয়।

এপস্টেইনের বাড়ির বিভিন্ন স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের ছবি পাওয়া যায়। এদের অনেককেই তিনি দেহব্যবসায় প্ররোচিত বা বাধ্য করেছেন এমন অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তবে কৌঁসুলিদের সঙ্গে ওই সমঝোতার কারণে সেবারে তিনি কঠোর কারাদণ্ড এড়াতে পেরেছিলেন।

এই ঘটনার ১১ বছর পর, ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের দিয়ে যৌন বাণিজ্যের একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। বিচার শুরুর অপেক্ষায় থাকা অবস্থাতেই তিনি কারাগারে 'রহস্যজনকভাবে' মারা যান। পরে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এপস্টেইনের বিরুদ্ধে দুই ফৌজদারি তদন্তের সময় বিপুল পরিমাণ নথিপত্র তৈরি ও সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ছিল ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি এবং তার বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযানের সময় জব্দ করা সামগ্রী, তথ্য-প্রমাণ।

২০২৫ সালে মার্কিন বিচার বিভাগের এক স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) তাদের ডেটাবেস, হার্ড ড্রাইভ ও অন্যান্য সংরক্ষণ মাধ্যমে এপস্টেইন তদন্তের ৩০০ গিগাবাইটের বেশি তথ্য ও ভৌত আলামত পায়।

বিচার বিভাগ জানায়, এসব নথির মধ্যে ফেডারেল ও ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে কাজ করা প্রসিকিউটরদের সংগৃহীত উপকরণ থাকতে পারে। তবে এতে বিপুল পরিমাণ ভুক্তভোগীদের ছবি ও ভিডিও এবং অন্যান্য অবৈধ শিশু যৌন নির্যাতনের উপকরণও রয়েছে। কংগ্রেসে পাস হওয়া সর্বশেষ আইনে ভুক্তভোগীদের পরিচয় প্রকাশ নিষিদ্ধ থাকায় এসব নথি জনসমক্ষে প্রকাশ করা যাবে না।

এপস্টেইনের ব্রিটিশ সহযোগী ও সাবেক প্রেমিকা গিসলেন ম্যাক্সওয়েলকে নিয়েও আলাদা তদন্ত হয়। তিনি ২০২১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে মিলে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌনকর্মে নিয়োজিত করতে তাদের পাচারে জড়িত থাকার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

এপস্টেইন ও ম্যাক্সওয়েল—দুজনই একাধিক দেওয়ানি মামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

এপস্টেইন তদন্ত নিয়ে আগে কী প্রকাশ হয়েছে?

বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে এই তদন্ত সংক্রান্ত কিছু নথি জনসমক্ষে এসেছে।

উদাহরণ হিসেবে, মার্কিন বিচার বিভাগের নির্ধারিত ১৯ ডিসেম্বরের সময়সীমার এক দিন আগে, হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা এপস্টেইনের সম্পত্তি থেকে পাওয়া প্রায় ৭০টি ছবি প্রকাশ করেন। এটি ছিল এ ধরনের তৃতীয়বারের তথ্য প্রকাশ।

আরেক দফায় কমিটির পক্ষ থেকে এপস্টেইন–সম্পর্কিত হাজার হাজার নথি প্রকাশ করা হয়, যার বেশিরভাগই ছিল ই-মেইল। গত সেপ্টেম্বরের এক প্রকাশনায় একটি জন্মদিনের বইও ছিল, যাতে এপস্টেইনের উদ্দেশে লেখা একটি নোটে ট্রাম্পের নাম ছিল। যদিও ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ওই নোট লেখেননি।

ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর মার্কিন বিচার বিভাগ ও এফবিআই তথাকথিত "ডিক্লাসিফায়েড এপস্টেইন ফাইলস"-এর প্রথম ধাপ প্রকাশ করে।

এই উপলক্ষ্যে ডানপন্থী কিছু ইনফ্লুয়েন্সারকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে ৩৪১ পৃষ্ঠার নথি হাতে পেয়ে তারা হতাশ হন, কারণ এর বেশিরভাগ তথ্য আগেই প্রকাশিত হয়েছিল। এতে এপস্টেইনের বিমানের ফ্লাইট লগ এবং তার পরিচিতদের নামসহ একটি কন্ট্যাক্ট বুক বা যোগাযোগ তালিকা ছিল, যার কিছু অংশ গোপন রেখে প্রকাশ করা হয়।

এরপর জুলাইয়ে বিচার বিভাগ ও এফবিআই এক স্মারকে জানায়, আর কোনো নথি প্রকাশ করা হবে না। এখন সেই অবস্থান বদলাতে যাচ্ছে।

ট্রাম্প অনুমোদন দেওয়ার পর কী হচ্ছে?

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি ডিসচার্জ পিটিশন বা উন্মোচনের আবেদন প্রয়োজনীয় ২১৮টি স্বাক্ষর পাওয়ায় বিষয়টি সরাসরি ভোটে তোলা হয়।

চারজন রিপাবলিকান ও হাউসের সব ২১৪ জন ডেমোক্র্যাট এই পিটিশনে স্বাক্ষর করেন।

১৮ নভেম্বর নথি প্রকাশের পক্ষে ভোট হয় এবং প্রতিনিধি পরিষদে ৪২৭-১ ভোটে বিলটি পাস হয়। লুইজিয়ানার রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ক্লে হিগিন্স একমাত্র বিপক্ষে ভোট দেন। কয়েকজন আইনপ্রণেতা ভোটদানে বিরত থাকেন।

নিম্নকক্ষে পাস হওয়ার পর বিলটি দ্রুত উচ্চকক্ষ সিনেটে যায় এবং সেখানে কোনো আপত্তি না থাকায় সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়। পরে এতে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।

তবে পুরো নথি প্রকাশের পথে এখনো কিছু বাধা রয়েছে।

আইন কার্যকর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে এপস্টেইন ও ম্যাক্সওয়েল–সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ করতে হবে।

তবে বন্ডির ক্ষমতা রয়েছে এমন তথ্য গোপন রাখার, যা কোনো ফেডারেল তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারে বা ভুক্তভোগীদের পরিচয় প্রকাশ করতে পারে।

হাউসে উত্থাপিত নথিতে বলা হয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল এমন ব্যক্তিগত তথ্য গোপন বা আংশিক প্রকাশ করতে পারেন, যা "ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ" হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

ট্রাম্প একাধিকবার ডেমোক্র্যাটদের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

কিন্তু রিপাবলিকানদের আশঙ্কা, এপস্টেইনের এসব যোগাযোগ নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু হলে—নথিগুলো প্রকাশ বিলম্বিত বা আটকে যেতে পারে।

কংগ্রসের আইনপ্রণেতা থমাস ম্যাসি বলেন, তথ্য প্রকাশ এড়াতে "একগুচ্ছ তদন্ত" শুরু করা হতে পারে—যা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

এপস্টেইন ফাইলে কাদের নাম আছে?

এখনো প্রকাশ না হওয়া নথিগুলোর বিষয়বস্তু জানা যায়নি।

তবে প্রভাবশালী মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন যে এফবিআইয়ের কিছু নথিতে তার নাম রয়েছে।

ট্রাম্প একসময় এপস্টেইনের বন্ধু ছিলেন। তবে পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে, নথিতে নাম থাকা মানেই সেটা কোনো অপরাধের প্রমাণ নাও হতে পারে।

অবশ্য হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র প্রতিবেদনটিকে "ভুয়া" বলে আখ্যা দেন। তবে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, এপস্টেইন নথিতে ট্রাম্পের নাম থাকার বিষয়টি প্রশাসন অস্বীকার করছে না।

আগেও জনপরিসরে প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সঙ্গে জড়িত বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম এসেছে।

এগুলোও কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।

২০২৪ সালে প্রকাশিত আদালতের নথিতে ডজনখানেক নাম ছিল, যার মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাবেক সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং পপতারকা মাইকেল জ্যাকসন।

ক্লিনটন ও ব্রিটিশ রাজপরিবার এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে কিছু জানা ছিল না বলে দাবি করেছে। আর জ্যাকসন ২০০৯ সালে প্রয়াত হয়েছেন।

ওই নথিগুলো ম্যাক্সওয়েলের মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত, যিনি শিশুদের যৌনকাজে পাচারের দায়ে বর্তমানে ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত এপস্টেইনের ফ্লাইট লগে ধনকুবের ইলন মাস্ক ও মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের নামও ছিল।

মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর আগেই জোরালোভাবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মাস্ক বলেছেন, এপস্টেইন তাকে নিজের দ্বীপে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

১২ নভেম্বর প্রকাশিত এপস্টেইন এস্টেটের ই-মেইলগুলোতেও ক্লিনটনের সাবেক ট্রেজারি সেক্রেটারি ল্যারি সামার্স এবং ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যাননের নাম ছিল।

পরে সামার্স এক বিবৃতিতে বলেন, "মিস্টার এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়ার ভুল সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায় আমি নিচ্ছি," এবং জানান তিনি সরকারি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন।
ব্যানন, যার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ নেই, বিবিসির মন্তব্য চাওয়ার অনুরোধে সাড়া দেননি।

সর্বশেষ প্রকাশনায় ট্রাম্পের নামও একাধিকবার এসেছে। যদিও তিনি বরাবরই সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

ট্রাম্প ও এপস্টেইনের সম্পর্ক নিয়ে কী জানা যায়?

ট্রাম্প ও এপস্টেইনের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরে বন্ধুত্ব ছিল। তাদের সামাজিক মেলামেশার পরিসরও ছিল কাছাকাছি।

আগে প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, এপস্টেইনের যোগাযোগ তালিকা বা "ব্ল্যাক বুক"-এ ট্রাম্পের তথ্য ছিল। ফ্লাইট লগে ট্রাম্প একাধিকবার এপস্টেইনের সঙ্গে বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন বলেও উল্লেখ আছে।

১৯৯০-এর দশকে বিভিন্ন অভিজাত অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। সিএনএন প্রকাশিত ছবিতে ট্রাম্পের তৎকালীন স্ত্রী মারলা ম্যাপলসের সঙ্গে তার বিয়ের অনুষ্ঠানে এপস্টেইনের উপস্থিতিও দেখা যায় বলে দাবি করা হয়।

২০০২ সালে ট্রাম্প এপস্টেইনকে "দারুণ একজন মানুষ" বলে বর্ণনা করেছিলেন। পরে এপস্টেইন বলেন, "আমি ১০ বছর ধরে ডোনাল্ডের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলাম।"

ট্রাম্পের দাবি, ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে, এপস্টেইনের প্রথম গ্রেপ্তারের দুই বছর আগে, তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ২০০৮ সালে ট্রাম্প বলেন, তিনি আর এপস্টেইনকে পছন্দ করেন না।

হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, এপস্টেইনের আচরণের কারণেই তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং "প্রেসিডেন্ট তাকে বিরক্তিকর আচরণের জন্য তার ক্লাব থেকে বের করে দেন।"

অন্যদিকে, ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ফ্লোরিডায় কিছু আবাসিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই তাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছিল।

এপস্টেইন নিয়ে মানুষের এত আগ্রহ কেন?

ট্রাম্পের 'মাগা' আন্দোলনের কট্টর সমর্থকদের একাংশ দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করে আসছে, এপস্টেইনের জীবন ও মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সত্য গোপন করা হচ্ছে।

তাদের কেউ কেউ ধারণা করেন, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে শিশু যৌন নির্যাতনে জড়িত একটি চক্র কাজ করছে, যাদের রাষ্ট্র সুরক্ষা দিচ্ছে। এই ধারণা ছড়িয়ে পড়ে 'কিউ' নামে পরিচিত এক ছদ্মনামধারীর রহস্যময় বার্তার মাধ্যমে।

কিছু মাগা প্রভাবশালীর প্রচার করা ষড়যন্ত্র তত্ত্বে দাবি করা হয়, এপস্টেইন ইসরায়েলি সরকারের এজেন্ট ছিলেন।

এই প্রতিক্রিয়া সামাল দিতে ট্রাম্পের কয়েকজন মিত্র চেষ্টা করেছেন। গত মাসে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস আগাম বিরতি ঘোষণা করে, ফলে ৩০ দিনের মধ্যে এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথি প্রকাশে চাপ তৈরির উদ্যোগ থমকে যায়।

তবে সাধারণ মানুষের মাঝেও এপস্টেইন নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে—বিশেষ করে ফ্লোরিডার ঘটনায় তিনি কেন এত কম সাজা পেয়েছিলেন; তিনি ও ম্যাক্সওয়েল সত্যিই এসব অপরাধ শুধু নিজেরাই করতেন কি না। তাছাড়া কারাগারে কীভাবে এপস্টেইন আত্মহত্যা করার সুযোগ পেলেন—এনিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।

Related Topics

টপ নিউজ

জেফ্রি এপস্টেইন / নথি / তদন্ত / যুক্তরাষ্ট্র / মার্কিন বিচার বিভাগ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা
  • ছবি: এএফপি
    ট্রাম্পের কথা শুনব, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা করব না: নেতানিয়াহু; ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে হামলা
  • ছবি; রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গ্রিনল্যান্ডের রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ডেনমার্ক
  • প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
    ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, জরুরি অবতরণ
  • মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি
    ইরানের তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
  • গত বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করেন। ছবি: রয়টার্স
    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প

Related News

  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে
  • রুবিও আর হেগসেথের বাড়ির ওপর ড্রোন, সামরিক কর্মকর্তারা হতবাক 
  • জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প
  • ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়’: ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইউরোপ
  • মার্কিন হামলায় ‘সহযোগিতা’, জাতিসংঘকে লেখা চিঠিতে আমিরাতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

Most Read

1
কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা

2
ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের কথা শুনব, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা করব না: নেতানিয়াহু; ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে হামলা

3
ছবি; রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গ্রিনল্যান্ডের রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ডেনমার্ক

4
প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, জরুরি অবতরণ

5
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইরানের তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট

6
গত বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করেন। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net