ভারতের রাফাল জেট ভূপাতিত করা পিএল–১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়িয়েছেন চীনের যে বিজ্ঞানী
চলতি মাসে চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিল্প প্রশাসন যখন ২০২৫ সালের শীর্ষ ১০ প্রতিরক্ষা শিল্প–সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করে, তখন সেখানে উঠে আসে দেশটির নিজস্ব সামরিক বিমান প্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্যের গল্প।
তালিকায় চীনের নির্মিত জে–১০সিই যুদ্ধবিমান এবং এর সঙ্গে ব্যবহৃত পিএল–১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তর্ভুক্তি বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় যে এই যুদ্ধবিমান বাস্তব যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। গত বছরের মে মাসে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর মোতায়েন করা জে–১০সিই যুদ্ধবিমান—যেগুলোতে পিএল–১৫ই ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজিত ছিল—ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বল্পস্থায়ী সংঘাতের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনীর রাফাল জেট ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করা হয়।
পিএল–১৫ চীনের তৈরি চতুর্থ প্রজন্মের দূরপাল্লার এয়ার টু এয়ার মিসাইল। আর পিএল–১৫ই হচ্ছে এটির রপ্তানি সংস্করণ।
এই ক্ষেপণাস্ত্রের দীর্ঘ পাল্লা এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত প্রযুক্তি অপারেটরদের দূর থেকেই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ দেয় এবং যুদ্ধের সময় প্রতিপক্ষের ফাইটার জেটকে প্রথম আঘাতের সুবিধা নিশ্চিত করে।
জে–১০সিই ও পিএল–১৫কে সামনে এনে বেইজিং কার্যত একই শ্রেণির পশ্চিমা প্রযুক্তির তুলনায় নিজেদের সামরিক প্রযুক্তিকে উচ্চপর্যায়ের স্বীকৃতি দিয়েছে। আর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছেন এক গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী ও তার দল, যারা তথাকথিত "৭–১১" কর্মসূচি অনুসরণ করেছেন—সপ্তাহে সাত দিন, প্রতিদিন ১১ ঘণ্টা কাজ করার মাধ্যমে।
চীনা প্রকৌশল একাডেমি ও রুশ প্রকৌশল একাডেমির সদস্য ফ্যান হুইতাও চীনের এয়ার টু এয়ার মিসাইল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার নেতৃত্বেই চীন দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে চতুর্থ প্রজন্মে এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির উত্তরণ ঘটিয়েছে।
