সিআরপিকে কেন্দ্র করে সাভারে বিকশিত হচ্ছে ফিজিওথেরাপি কেন্দ্রিক নতুন অর্থনীতি
নাম সানাউল্লাহ। দিনাজপুরের হাইওয়ে রাস্তায় অটোরিকশা করে যাচ্ছিলেন তিনি। হঠাৎই পেছন থেকে একটি বাস ধাক্কা দিলে ছিটকে গিয়ে পড়েন পাশের মাঠে। এতে তার ডানহাতের কাঁধের জয়েন্ট পুরোপুরি ভেঙে যায়। এরপর অপারেশন করা হয় দিনাজপুরের সরকারি হাসপাতালেই।
কিন্তু দিনাজপুরে থেরাপি দেওয়ার মতো নির্ভরযোগ্য সেন্টার না থাকায় তাকে নিয়ে আসা হয় সাভারের পক্ষাঘাত ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি)। সেখানেই মোটামুটি সুস্থ হচ্ছিলেন তিনি। স্ত্রীকে নিয়ে প্রায় দুমাস বাসাভাড়া নিয়ে থেকেছেন তিনি সাভারেই।
একদিন হাঁটতে বেরিয়ে চলে আসলেন একটি গেটের সামনে। গেটের দারোয়ানের সাথে কথা বলে জানতে পারলেন, এটিই সিআরপি হাসপাতাল। সাথে এ-ও জানলেন, এতদিন ধরে তিনি সিআরপি ভেবে যেখানে থেরাপি নিচ্ছিলেন, সেটি আসলে সিআরপির বাইরে পরিচালিত একটি প্রাইভেট ফিজিওথেরাপি সেন্টার। যার সঙ্গে সিআরপির কোনোরকম সম্পর্ক নেই।
বাড়ছে বেসরকারি ফিজিওথেরাপি ক্লিনিকের সংখ্যা
সিআরপির বাইরে এরকম বেসরকারি ফিজিওথেরাপি সেন্টারের সংখ্যা হবে প্রায় ৫০-৭০টি। সিআরপিকে ঘিরে আশেপাশে এক কিলোমিটারের মধ্যে গজিয়ে উঠেছে এসব সেন্টার। যেখানে ফিজিওথেরাপির পাশাপাশি স্পিচ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি ও অন্যান্য থেরাপিও দেওয়া হয়।
সানাউল্লাহর মতো অনেকেই (বিশেষ করে একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ) বাহিরের ফিজিওথেরাপি সেন্টারগুলোকেই ভাবেন সিআরপি হাসপাতাল। সিআরপির ডাক্তার দিয়েই এসব সেন্টারে থেরাপি দেওয়া হয় এমনটাও দাবি করে এসব সেন্টার। বাস্তবে সিআরপির কোনো ডাক্তারের অনুমতি নেই বাহিরে এসব চেম্বারে থেরাপি দেওয়ার।
তবে সিআরপির ছাত্র ছিলেন থেরাপিস্ট লুৎফর রহমান। তখনও সেখানে ব্যাচেলর বা স্নাতক শুরু হয়নি। লুৎফর রহমান সিআরপি থেকে ডিপ্লোমা করে ভর্তি হন গণবিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে। সে পড়ালেখার খরচ মেটাতেই সিআরপির বাইরে ১৯৯৯ সালে শুরু করেন নিউরোকেয়ার ফিজিওথেরাপি সেন্টার। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে জেরোন্টোলজিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।
বাইরের থেরাপি সেন্টারগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম। যদিও মাঝে কিছুদিন বন্ধ ছিল, এরপর ২০০৮ সাল থেকে আবার নিয়মিত চলছে।
তার সেন্টারে কাজ করছে আরও পাঁচজন থেরাপিস্ট। তাদের মধ্যে তিনজন মেয়ে এবং ছেলে দুইজন। থেরাপিস্টদের নিয়োগের সময় তিনি আগে মৌখিক পরীক্ষা নেন এরপর নিজেই তিন মাস তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। কারণ হিসেবে বলেন, 'এমনও দেখা গেছে কোর্স কমপ্লিট করে আসছে কিন্তু একটা হাড়ের নাম বলতে পারছেনা, মাসেলের নাম বলতে পারছেনা। কয়টা মাসেল আছে শরীরে এটাও জানেনা। এগুলোই আবার শিখাই সব ভালো করে।'
লুৎফর রহমানের সেন্টারে সুস্থ হন আনোয়ারা বেগম (৩২) জানান তার মা হোসনে আরা। হঠাৎই একদিন স্ট্রোক করে আনোয়ারা বেগমের শরীরের একপাশ পুরোটা পক্ষাগাতগ্রস্ত হয়ে যায়। এরপর তাকে আগারগাঁওয়ে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান-নিটোরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় আবার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে।
এভাবে প্রায় এক বছর মেয়ে আনোয়ারাকে নিয়ে তার মা হন্যে হয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন এক হাসপাতাল থেকে আরে হাসপাতালে। অবস্থার পরিবর্তন না হলে এক পর্যায়ে নিয়ে আসেন সিআরপিতে। কিন্তু সিআরপির এত এত রোগীর ভিড়ে প্রতিদিন সিরিয়াল পাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার। শেষমেষ সেখানকারই এক রোগীর কাছে জানতে পারেন সিআরপির বাইরে থেরাপিস্ট লুৎফর রহমানের কথা।
৩ মাস ধরে থেরাপি দিতে দিতে এখন আনোয়ারা নিজের পায়ে হাঁটতে পারেন। দু হাতও নাড়াতে পারে। যদিও কথা এখনও অস্পষ্ট। তবে হোসনে আরা বেশ আশাবাদী। তিনি জানান, এখন আপাতত ফিজিওথেরাপি চলছে তার। স্পিচ থেরাপি শুরু হলে কথাও ঠিক হয়ে যাবে।
মেয়েকে নিয়ে মা হোসনে আরা আশেপাশেই একরুমের বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন আজ তিনমাস। মাসে ৬ হাজার টাকা ভাড়া গুণতে হয় তাতে। কতদিন থাকবেন জিজ্ঞেস করলে জানান, 'জানিনা, যতদিন না মাইয়া সুস্থ হয় ততদিন তো থাকাই লাগব।'
থেরাপির সময়কাল বনাম থেরাপির মান
নারায়াণগঞ্জের ইসমাইল জাহাঙ্গীরকেও তার মা এখানে নিয়ে এসেছেন প্রায় একমাসের ওপরে। খোঁজ নিয়ে দেখেছিলেন সিআরপির ভেতরে সপ্তাহে সবদিন সিরিয়াল পাওয়া যায়না। আবার বেশিক্ষণ থেরাপিও দেয়না, এরচেয়ে বাইরের সেন্টারগুলোতে দেওয়া হয়।
ইসমাইল বলেন, 'সিরিয়াল পাওয়া তো মুশকিল সেইসাথে আগের মতো সেবাও আর দেয়না সিআরপি। সেন্টারগুলোতে প্রায় একঘন্টার মতো থেরাপি দেওয়া হয়। অপরদিকে সিআরপিতে এর অর্ধেক সময়।'
এ ব্যাপারে থেরাপিস্ট লুৎফর জানান, 'রোগীরা মনে করে যত বেশি সময় ধরে থেরাপি দেওয়া হবে ততোই ভালো। এতে করে যদি কোনো কোয়াক বেশিক্ষণ সময় দেয় আর একজন মাস্টার্স করা থেরাপিস্ট কম সময় দেয় তারা ঐ কোয়াকের কাছেই যাবে।'
কিন্তু একজন রোগীর থেরাপি দেওয়াই চিকিৎসা নয় কেবল। তাকে পর্যবেক্ষণ করে কী ধরনের থেরাপি প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে অন্যান্য থেরাপিস্টদের সাথে আলোচনা করা, পরামর্শ দেওয়া, মূল্যায়ন করা এসবও অন্তর্ভুক্ত।
যেকারণে থেরাপির মোট সময় ৩০-৪৫ মিনিট হলে এর অর্ধেক সময় থেরাপি বাকি অর্ধেক সময় যায় ডকুমেন্টেশন এসেসমেন্টের কাজে ব্যয় হয় বলে জানান সিআরপি'র ফিজিওথেরাপি বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।
টেকনিশিয়ান, থেরাপিস্ট এবং টেকনোলজিস্ট
বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপিস্ট (প্রাক্টিসিং) আছে তিন হাজার। মূলত থেরাপিস্ট (ব্যাচেলর), টেকনোলজিস্ট (ডিপ্লোমা) এবং টেকনিশিয়ান (এক বছরের কোর্স) এই তিনের সমন্বয়ে থেরাপি দেওয়া হয়।
বাহিরের সেন্টারগুলো সম্পর্কে সিআরপির ভেতরকার অভিমতের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, 'বাহিরের সেন্টারগুলোর পাঁচ-ছয়টা বাদে বাকি সবই চলছে ভাঁওতাবাজির ওপর। এরা আমাদের নাম ব্যবহার করছে, আমাদের এখানকার ডাক্তার বা ছাত্র পরিচয় দিয়ে ওখানে সেন্টার খুলে বসেছে। এদের বেশিরভাগই টেকনোলজিস্ট এবং টেকনিশিয়ান। কোনোরকম সার্টিফিকেট বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই শুধু দেখতে দেখতে কাজ শিখে গেছে এমন মানুষরাও এখানে চেম্বার খুলে বসছেন এবং থেরাপি দিচ্ছেন।'
থেরাপিস্ট হতে হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট বা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি এন্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন(নিটোর) অধীনে থাকতে হবে একটি ব্যাচেলর বা স্নাতক ডিগ্রি।
টেকনোলজিস্ট হতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে (স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি) বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট, আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি এবং ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আইএইচটির (ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি) অধীনে থাকতে হবে তিন বছরের ডিপ্লোমা। তবে টেকনিশিয়ান বা এক বছরের কোর্স নেওয়া যায় কোনো স্বীকৃত ও নিবন্ধনভুক্ত প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান থেকেও।
বাংলাদেশ থেরাপি এবং রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ অনুসারে, ফিজিওথেরাপি সেন্টারগুলো বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপী কাউন্সিল এসোসিয়েশনের ট্রেড লাইসেন্সপ্রাপ্ত হতে হবে এবং যারা প্র্যাক্টিস করবে তাদেরও লাইসেন্সভুক্ত বা নিবন্ধভুক্ত হতে হবে। যাদের লাইসেন্স থাকবেনা তারা কাজ করবে সহকারী হিসেবে।
এছাড়া, রোগীদের সরাসরি থেরাপি দিতে পারবে একজন থেরাপিস্ট। সাথে সহকারী হিসেবে হিসেবে কাজ করতে পারবে টেকনোলজিস্ট। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি থেরাপিস্ট এবং টেকনোলজিস্টদের কাজে সাহায্য করতে পারবে একজন টেকনিশিয়ান। কিন্তু বাস্তবে টেকনিশিয়ান দিয়ে একটি গোটা সেন্টার চালানো এবং থেরাপিস্টের কাজ করার উদাহরণ ভুরি ভুরি।
এ ব্যাপারে, সিআরপি'র ফিজিওথেরাপি বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, 'আমরা শুধু কাউন্সিলের জন্য অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশ থেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলটি প্রতিষ্ঠা পেলে সকল অনিবন্ধিত এবং লাইসেন্সহীন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিদের তফশিলে বর্ণিত উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে। কিন্তু এই সুযোগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং অসৎ ব্যক্তি থেরাপি সেন্টার চালিয়ে যাচ্ছে।'
গরিব অসচ্ছল লেখাপড়া না জানা রোগীরা তো আছেই, শিক্ষিত অনেক রোগীরাও আসলে এই ধোঁকায় পড়ছে। ইসমাইল জাহাঙ্গীর বলেন, 'মা কে দেখানো জন্য আমি নিজেই এখানে এসে একদিন সব ঘুরে দেখে যাই। তবু একজনের কাছে চিকিৎসা নিতে আসলে তো আর আমরা তার সার্টিফিকেট বা কই থেকে পড়েছেন এসব জিজ্ঞেস করতে পারিনা। তারা যেভাবে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখেন বা ভিজিটিং কার্ড দেখান সেটাই বিশ্বাস করতে হয় তখন।'
বাহিরের এসব সেন্টারগুলোতে সেশনপ্রতি ফি ধরা হয় সিআরপির সাথে মিল রেখেই। বরং সাম্প্রতিককালে সিআরপির চেয়ে কমেই ফি নিচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান। এমনটা জানাচ্ছেন রোগীরা। ভেতরে তিনশো সাড়ে তিনশো হলে বাইরে দুইশো আড়াইশো বা ভেতরে চারশো হলে বাইরে তিনশো অনেকটা এমন।
তবে এ ব্যাপারে ইউনাইটেড থেরাপি জোনের প্রতিষ্ঠাতা থেরাপিস্ট নাজমুল হোসেইন জানান, 'একজন ব্যাচেলর ডিগ্রি বা মাস্টার্স ডিগ্রি থাকা থেরাপিস্ট তার যে নির্ধারিত সেশন ফি সেটাই নেবে। যারা অসচ্ছল তাদের জন্য হয়ত কিছুটা মওকুফ করা যেতে পারে। কিন্তু তাই বলে দেড়শো দুইশো টাকায় যারা সেবা দিচ্ছে তারা আসলেই কি থেরাপিস্ট নাকি টেকনিশিয়ান হয়ে থেরাপিস্ট বলে নিজেদের দাবি করছে?
নাজমুল হোসেইন প্রিন্স ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা করে ব্যাচেলর সম্পন্ন করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে। প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তার এখানে থেরাপিস্ট এবং টেকনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করছেন আট থেকে দশজন। তবে রোগী দেখা এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য একজন প্রভাষক এবং একজন অধ্যাপকও আছেন।
এখানে থেরাপি সেশন ফি ৪০০-৫০০ টাকা। তবে স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি এবং এবিএ (এপ্লাইড বিহেভিয়ার থেরাপি) থেরাপির চাহিদা বেশি। এবিএ'র ক্ষেত্রে দরকার হয় একজন সাইকোলজিস্টের। যার কারণে সেশন ফি হয় ৫০০-৬০০। তার এখানে প্রতিদিন সেশন নিচ্ছে প্রায় দশ থেকে বিশজন শিশু। এখান থেকে সুস্থতা লাভ করেছে এমন শিশু সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৯২৩।
সিআরপি মূলত একটি সেচ্ছাসেবী ফিজিওথেরাপিস্টদের সংগঠন। এর মূল কাজ শারীরিকভাবে অক্ষমদের পরিপূর্ণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা। এখানে ব্যাচেলর পর্যায়ে কাজ করছে ২৮৭জন (সাবসেন্টারগুলো সহ) ফিজিওথেরাপিস্ট। শুধু সাভার সিআরপিতেই আছে ১৪০ জনের মতো। এর বাইরে স্পিচ থেরাপির জন্য আছে ৩০ জন থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট আছে ৮০ জনের মতো।
কিন্তু রোগী আসে সমগ্র বাংলাদেশ থেকে। দিনে প্রতিদিন প্রায় হাজারখানেক রোগীর যাতায়াত থাকে এই হাসপাতালে।
সক্ষমতার তুলনায় রোগী সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় রোগীরা নিয়মিত বা প্রতিদিন সেবা নিতে পারেনা সিআরপির ভেতর থেকে। তাই বাহিরে সম্পূর্ণ ব্যাক্তিমালিকানায় শুরু হয় এসব থেরাপি সেন্টার।
প্রতিটি থেরাপি সেন্টারে গড়ে কাজ করছেন ৫-৬ জন থেরাপিস্ট। আর সেন্টার আছে ৫০-৭০, সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচশোর কাছাকাছি মানুষের কর্মসংস্থান হয়ে উঠেছে সাভারের সিআরপির বাইরের এ জায়গাটি। যাদের বেতন কমিশনভুক্ত। তবে পুরুষদের তুলনায় নারীদের সংখ্যা অনেক কম।
