Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
April 20, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, APRIL 20, 2026
ইস্টার্ন রিফাইনারি তীব্র সংকটে, তেল শোধনাগারটির ভবিষ্যৎ কী?

BBC

আবুল কালাম আজাদ - বিবিসি নিউজ বাংলা
18 April, 2026, 08:05 am
Last modified: 18 April, 2026, 08:05 am

Related News

  • সংকট কাটাতে সোমবার থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ছে ১০-২০ শতাংশ
  • দাম বাড়লেও চাহিদামতো তেল পাচ্ছে না পাম্প, চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি
  • দাম বাড়ানোর পর তেল সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি
  • ভারত থেকে পাইপলাইনে এল আরও ৫ হাজার টন ডিজেল
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল দিতে নির্দেশ

ইস্টার্ন রিফাইনারি তীব্র সংকটে, তেল শোধনাগারটির ভবিষ্যৎ কী?

আবুল কালাম আজাদ - বিবিসি নিউজ বাংলা
18 April, 2026, 08:05 am
Last modified: 18 April, 2026, 08:05 am
ইস্টার্ন রিফাইনারি

ইরান যুদ্ধের কারণে তীব্র সংকটে পড়েছে বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ব তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠার পর ইস্টার্ন রিফাইনারি কখনো এমন তেল সংকটে পড়েনি।

সরকারের জ্বালানি বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এ বছরের মার্চ শিডিউলের ক্রুড অয়েল পার্সেল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতর কারণে যথাসময়ে পৌঁছাতে না পারায় বর্তমানে ইআরএল লো ফিডে চালু রাখা হয়েছে।

বাস্তবতা হলো, রিফাইনারির স্টোরেজ ট্যাংকের তলানিতে থাকা জরুরি মজুত ডেড স্টক ব্যবহার করে কোনোভাবে দুটি ইউনিট চালু রাখা হয়েছে। আর দুটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রেখে মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণে পাঠানো হয়েছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ তেলের চালান এসেছে। যুদ্ধের কারণে মার্চের পর থেকে আমদানি জটিলতা এবং এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

"মার্চ মাসে আমাদের দুটো কনসাইনমেন্ট ছিল এক লাখ টন করে। আর এপ্রিলে একটা এক লাখ টনের। মার্চে একটা ছিল দুই তারিখে, সেটা শিডিউল অনুযায়ী লোড করে অপেক্ষা করছে- সেটার জন্য আমরা ইরানি দূতাবাস এবং সব জায়গায় যোগাযোগ করেছি। মাঝখানে আমরা কনফার্মেশন পেয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আবার হরমুজে সমস্যার কারণে আটকে গেছে। আমাদের শিপ রেডি আমরা সুযোগ পেলেই নিয়ে আসবো।

"আর এপ্রিলের ২০-২২ তারিখে যেটা ছিল সেটা টাইমলি রওনা দেবে। আমরা আশা করছি, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে এসে পৌঁছাবে" বলেন মি. রহমান।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বিপিসি জানিয়েছে, আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ক্রুড অয়েলের একটি চালান আসার কথা রয়েছে। এরপর রিফাইনারি আবার পুরোদমে সচল হবে।

তবে এই রিফাইনারির দুটি ইউনিট বন্ধের কারণে দেশে তেলের কোনো সংকট হবে না বলে দাবি করেছে বিপিসি।

পরিশোধিত তেলের ঘাটতি পূরণ করতে অতিরিক্ত ডিজেল ও অকটেন আমদানি এবং মজুত করা হয়েছে। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান দাবি করেছেন, রিফাইনারি বন্ধ হলেও তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তেল আমদানি করা হচ্ছে।

"এই মাসে ১৭টা কার্গো আসার কথা ছিল। এর মধ্যে দুটো ফোর্স মেজার ঘোষণা করা হয়েছে। আর একটা ডেফারড ঘোষণা করা হয়েছে। বাকী ১৪ টার মধ্যে এ পর্যন্ত তিনটা কার্গো চলে আসছে। ১১টার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।"

ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ

বর্তমানে বছরে পনের লক্ষ টন ক্রুড পরিশোধন করে ডিজেল, পেট্রোল, কেরোসিন, ফার্নেস অয়েল ন্যাপথা ও বিটুমিনসহ প্রায় ১৬ ধরনের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য উৎপাদন করে।

বাংলাদেশে মোট তেলের চাহিদার প্রায় কুড়ি শতাংশ পূরণ করে এই রিফাইনারি। ইস্টার্ন রিফাইনারি মধ্যপ্রাচ্যের উন্নত মানের ক্রুড ছাড়া অন্যান্য দেশের ক্রুড তেল পরিশোধন করতে পারে না। যে কারণে রাশিয়া বা ভেনেজুয়েলা বা অন্যান্য উৎস থেকে হেভি ক্রুড আমাদানি করে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা সম্ভব নয়।

ক্রুড অয়েলের মজুত শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশে

ক্রুড অয়েলের মজুত শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশে


রিফাইনারির এ প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান এবং এর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। ১৯৬৮ সালে নির্মিত তেল শোধনাগারটির সক্ষমতা দ্বিগুন বাড়ানো এবং আধুনিকায়ন করতে নিজস্ব অর্থায়নে ৩১ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে।

ইআরএল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বছরে ৪৫ লাখ টন ক্রুড পরিশোধন করা সক্ষমতা তৈরি হবে।

বিপিসি চেয়ারম্যান বিবিসি বাংলাকে বলেন, বর্তমান যেটা আছে, এটা অনেক পুরোনো হওয়াতে হাই কোয়ালিটি ক্রুড ছাড়া এটা রিফাইন করতে পারে না।

"প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বাজার অনেক বৃদ্ধি পাবে। আমরা যেকোনো ধরনের ক্রুড রিফাইন করতে পারবো। এটা অনেক বড় অ্যাডভান্টেজ। আমরা অনেক সস্তা ক্রুড কিন্তু আছে, আমরা আনতে পারি না। কারণ আমাদের এই ইআরএল এ ম্যাচিং হয় না। যে কারণে ইআরএল টু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"

বিপিসির দাবি ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ হলে তেল উৎপাদন দ্বিগুন বাড়বে। দেশের মোট তেলের অর্ধেক চাহিদা পূরণ করতে পারবে। পরিশোধিত তেলের বিপরীতে আমদানিতে ব্যারেল প্রতি ১৮ ডলার পর্যন্ত সাশ্রয় হবে। তেলের মজুত ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়বে।

তবে বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি পরিস্থিতির বিবেচনায় ইআরএল সক্ষমতা বৃদ্ধি কতটা লাভজনক হবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, একটা করতে পারে যেহেতু আমাদের ইস্টার্ন রিফাইনারি অনেক পূরাতন হয়ে গেছে, এটা হয়তো সময় এসে গেছে আর কিছুদিন চালিয়ে এটা বন্ধ করে দেয়া। যদি বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমাদের ডাবল ক্যাপাসিটি হলো। তখন তাহলে সেটা হয়তো খুব খারাপ হবে না।

"অনেকে ভাবছে যে একটা রিফাইনারি থাকলে ওটার মধ্যেতো কিছুটা স্টক থাকে। ক্রুড অয়েলের স্টক আছে সেটা সাপ্লাইয়ে সাহায্য করে। কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে হবে যে আমাদের সবকিছু ইমপোর্টেড। আমাদের ক্রুডটা ইমপোর্টেড, ডিজেলও ইমপোর্টেড। এর মধ্যে একটাই সুবিধা যে শোধন করে সাপ্লাইটা ঠিক রাখলাম প্রাইসটাও ঠিক রাখলাম। কিন্তু আমি কোনো স্টাডি দেখানি বা হিসাব দেখি নাই যে আমাদের ওই ধরনের লাভ" বলেন ইজাজ হোসেন।

ড. ইজাজ হোসেন

ড. ইজাজ হোসেন


জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম তামিম বলছেন, এই মুহূর্তে আরেকটা রিফাইনারি আমাদের জন্য কতটুকু লাভজনক হবে, সেটা আমি নিশ্চিত না। দ্বিতীয় রিফাইনারি আজকে থেকে পনের বছর বিশ বছর আগে যদি করা যেত, সেটা আমাদের জন্যে অত্যন্ত লাভজনক হতো।

"অবশ্যই আরেকটা রিফাইনারি হলে ভালো হতো কিন্তু রিফাইনারির অনেকগুলো পণ্য উৎপাদন করে। যেগুলো ডিজেল ফোকাসড প্রোডাকশন, সেগুলো প্রায় ৪০ শতাংশ ডিজেল উৎপাদন করে। কিন্তু বাকী ষাট শতাংশের মধ্যে কেরোসিন, জেট অয়েল, পেট্রোল, ফার্নেস অয়েল, নাপথা- এরকম আরো অনেক প্রডাক্ট আছে। তো সেই প্রোডাক্টের পূর্ণ ব্যবহার কিন্তু আমাদের দেশে নাই। বিশেষ করে পট্রোল আমরা পূর্ণ ব্যবহার করতে পারি না। আরেকটা রিফাইনারির আসলে যে অতিরিক্ত পেট্রোল আসবে, সেটা আবার দেখা যাবে আমাদের রপ্তানিতে যেতে হবে।"

অর্থনীতি বিশ্লেষণ এবং জ্বীবাস্ম জ্বালানির বিরোধীতা থেকে এ ধরনের প্রকল্পের সমালোচনাও রয়েছে। সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এই টাকা বিনিয়োগ করলে বেশি সুফল আসবে বলে তিনি মনে করেন। কারণ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর হলে ইস্টার্ন রিফাইনারি এখন যে ক্যাপাসিটিতে আছে, এটাই ভবিষ্যতে একসময় উদ্বৃত্ব ক্যাপাসিটি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।।

তিনি বলেন, "ফসিল ফুয়েলের দীর্ঘমেয়াদী একটা কাঠামোতে যাওয়া এটা আর্থিক নির্ভরতা তৈরি করবে। ঋণের পরিমাণ সরকারের আরো বাড়াবে। একই সাথে যেটা হবে যখন এ ধরনের একটা বড় ক্যাপাসিটিতে আপনি যাবেন, তখন জীবাস্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ব্যাপারে অনাগ্রহ তৈরি হবে।"

ব্যয়বহুল প্রকল্প

ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ প্রকল্পে খরচ হবে ৩১ হাজার কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮০ভাগ সরকার এবং ৪০ ভাগ বিপিসি বহন করবে। তবে বিপিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থায়নের চেষ্টাও হচ্ছে।

সবমিলিয়ে এটি জ্বালানি খাতে একটি ব্যায়বহুল প্রকল্প। ২০১২ সালে প্রথম ইআরএল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা হয়। তখন প্রকল্পটির ব্যয় প্রাক্কলন করা হয় ১৩ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রকল্পটি বিলম্বের সঙ্গে দফায় দফায় ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে।

২০২৪ সালে এস আলম গ্রুপকে যুক্ত করে পঁচিশ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় জ্বালানি বিভাগ। পিপিপি ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ আমলের শেষ সময়ের ওই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করে দেয়।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ইআরএল প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্মাণ ব্যয় ৪২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অন্তর্বতী সরকার ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কাটছাঁট করে ৩১ হাজার কোটি টাকা খরচ ধরে ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে যায়।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান


বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, "এখানে ব্যায় বৃদ্ধি হতে হতে ৪০ হাজার প্লাস হয়ে গিয়েছিল। এটা থেকে কমিয়ে এখন একত্রিশ হাজারে নিয়ে আসছি যাতে অতিরিক্ত খরচ এক্সট্রা খরচ না আসে। ৪০ হাজার থেকে ৩১ হাজারে নিয়ে আসছি। আমাদের মূল গুরুত্ব হলো কোয়ালিটিতে কোনো কমপ্রোমাইজ হবে না।"

নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে বিলম্ব, ডলারের মূল্য বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফিতি কাজ করেছে। ড. ইজাজ হোসেন বলেন, এটা টিপিকাল কস্ট ওভার রান।

"১২ সালের প্রজেক্ট তের হাজার কোটি টাকা, এখনো সেটা কমপ্লিট করতে পারেন নাই। কস্ট ওভার রান বলি আমরা। এ ধরনের প্রজেক্ট করতে গেলে টাকাটাকে ডিফাইন রেখে খুব কুইকলি করা উচিত। ড্র করতে গেলে প্রজেক্টের দাম অনেক বেড়ে যায়। এবং ওই প্রজেক্টগুলো কখনোই লাভজনক হয় না। আমাদের এখানে ন্য্যাশনাল সিকিউরিটির কারণে রিফাইনারিটা করার চেষ্টা করছে। এটা খারাপ হবে না। তবে ওনারা যেই উদ্দেশ্যে এত কষ্ট করে এতখানি টাকা জোগাড় করে- এটা করার চেষ্টা করছে, সেটা কতখানি সফল হবে সেটার ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।"

বিশ্লেষকরা এর সঙ্গে একমত হলেও কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশে প্রকল্প ব্যায় তুলনামূলক বেশি। এর পেছনে কারণ হিসবে অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বিবিসি বাংলাকে বলেন, আমাদের দেশে যেটা হয়েছে যে যিনি প্রকল্প প্রস্তাবনা করেন, তিনি আসলে মূল্যায়নে থাকেন- তিনি আসলে ফাইনাল সিলেকশনে থাকেন আবার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটা সেখানে তাদেরই লোকজন থাকে।

"তো এই জায়গাগুলোতে নিরপেক্ষতা থাকে না স্বচ্ছতা থাকে না, জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়। এবং সকলে মিলে মিশে এক ধরনের সুবিধা নেয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে প্রকল্পগুলো গুণমান সম্পন্ন হয় না। প্রকল্পগুলোর মূল্য বৃদ্ধি পায়। আলটিমেটলি প্রকল্পগুলো থেকে যে সুবিধার কথা বলা হয়, সেই সুবিধাগুলো পাওয়া যায় না।"

অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম

অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম


গোলাম মোয়াজ্জের কথায়, "প্রায় সকলের ভেতরে একটা প্রবণতা থাকে যে প্রকল্পটিকে আরো কীভাবে ফুলিয়ে ফাপিয়ে বাড়ানো যায়। সুতরাং ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্ষেত্রে প্রকল্প মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ফুলিয়ে ফাপিয়ে করা হয়েছে কিনা- সেই বিষয়টিও কিন্তু আলাোচনার দাবি রাখে।"

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বলছে, ইস্টার্ন রিফাইনারি জাতীয় পর্যায়ে অগ্রাধিকার প্রকল্প। জাতীয় পর্যায়ে কাঙ্খিত প্রকল্প। ইআরএল সম্প্রসারণ হলে তেলের চাহিদার ৫০ শতাংশের বেশি পূরণ করা সম্ভব হবে। এটা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইআরএল হলে এনার্জি সিকিউরিটিতে একটা বড় ভূমিকা রাখবে।

"আপনি ক্রুড পাচ্ছেন অনেক কম দামে। উৎপাদন খরচ কম হচ্ছে, বৈদেশিক মূদ্রা সেভ হচ্ছে, নিরাপত্তা বাড়ছে, মজুদ সক্ষমতা বাড়ছে" বলেন বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

মি রহমান বলছেন, এখানে একটা বড় সুবিধা হলো জমি অধিগ্রহণের কোনো সমস্যা নেই। এই মুহূর্ত পিএম বা প্রজেক্ট ম্যানেজার নিয়োগ এবং পিডি বা প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের কাজ চলছে। এ দুটো হয়ে যাওয়ার পর কনসালট্যান্ট নিয়োগ হবে।

"আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে কনসালট্যান্ট নিয়োগের কাজ শেষ করতে চাই। আমরা জানুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যেই কাজ শুরু করতে চাই।"

মহেশখালীতে নির্মিত এসপিএম টার্মিনাল

মহেশখালীতে নির্মিত এসপিএম টার্মিনাল


এদিকে ইস্টার্ন রিফাইনারির বর্তমান ও দ্বিতীয় ইউনিটের চাহিদা মাথায় রেখে ইতোমধ্যে মহেশখালীতে এসপিএম টার্মিনাল ও পাইপালাইন নির্মাণ শেষ করেছে বিপিসি। এ স্থাপনা কাজে লাগিয়ে সরাসরি পাইপলাইনে বছরে ৪৫ লাখ টন তেল খালাস ও পরিবহন করবে ইস্টার্ন রিফাইনারি।

Related Topics

টপ নিউজ

ইস্টার্ন রিফাইনারি / তেল / তেল শোধনাগার

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে তেলের জন্য লাইন। ছবি: মেহেদি হাসান/টিবিএস
    সক্ষমতার চেয়ে অকটেনের মজুত বেশি, তাহলে পাম্পের লম্বা লাইন শেষ হবে কবে?
  • চাকরিতে পুনর্বহাল ও এস আলমের হাতে মালিকানা ফেরতের দাবিতে ১৯ এপ্রিল মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় জড়ো হন চাকরিচ্যুত কয়েক হাজার ব্যাংক কর্মকর্তা। ছবি: টিবিএস
    চাকরি ও এস আলমের মালিকানা ফেরত চেয়ে মতিঝিলে ৫ ব্যাংকের কয়েক হাজার চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার অবস্থান
  • ফাইল ছবি: টিবিএস
    ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা
  • সূত্র: মেলভিন স্টুডিও আর্ট
    যে কারণে পরিবারের বড় সন্তানেরা বেশি সফল হয়
  • ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোকে ফরওয়ার্ড বুকিং এড়ানোর নির্দেশ
  • উপজেলার বুধল এলাকায় কূপটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ. কে. এম. মিজানুর রহমান। ছবি: টিবিএস
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের কাজ চলছে, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

Related News

  • সংকট কাটাতে সোমবার থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ছে ১০-২০ শতাংশ
  • দাম বাড়লেও চাহিদামতো তেল পাচ্ছে না পাম্প, চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি
  • দাম বাড়ানোর পর তেল সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি
  • ভারত থেকে পাইপলাইনে এল আরও ৫ হাজার টন ডিজেল
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল দিতে নির্দেশ

Most Read

1
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে তেলের জন্য লাইন। ছবি: মেহেদি হাসান/টিবিএস
বাংলাদেশ

সক্ষমতার চেয়ে অকটেনের মজুত বেশি, তাহলে পাম্পের লম্বা লাইন শেষ হবে কবে?

2
চাকরিতে পুনর্বহাল ও এস আলমের হাতে মালিকানা ফেরতের দাবিতে ১৯ এপ্রিল মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় জড়ো হন চাকরিচ্যুত কয়েক হাজার ব্যাংক কর্মকর্তা। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

চাকরি ও এস আলমের মালিকানা ফেরত চেয়ে মতিঝিলে ৫ ব্যাংকের কয়েক হাজার চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার অবস্থান

3
ফাইল ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা

4
সূত্র: মেলভিন স্টুডিও আর্ট
আন্তর্জাতিক

যে কারণে পরিবারের বড় সন্তানেরা বেশি সফল হয়

5
ফাইল ছবি: রয়টার্স
অর্থনীতি

ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোকে ফরওয়ার্ড বুকিং এড়ানোর নির্দেশ

6
উপজেলার বুধল এলাকায় কূপটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ. কে. এম. মিজানুর রহমান। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের কাজ চলছে, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net