Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
October 15, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, OCTOBER 15, 2026
দেশে ই-বর্জ্য থেকে সোনা-রুপাসহ ৫০ কোটি ডলারের মূল্যবান ধাতু পুনরুদ্ধার করা সম্ভব: গবেষণা

বাংলাদেশ

মিজানুর রহমান ইউসুফ
14 October, 2026, 11:10 am
Last modified: 14 October, 2026, 11:31 am

Related News

  • বাইসাইকেল থেকে সার্কিট বোর্ড: বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক পণ্য রপ্তানিতে উৎপাদনের নতুন যুগের সূচনা
  • ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫,০০০ ডলার ছাড়াল
  • আবাসন খাতের মন্দায় সংকুচিত ৬,৫০০ কোটি টাকার ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার
  • পুরনো ফোন-ল্যাপটপ থেকে সোনা পাওয়ার উপায় আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের
  • আজিজু রিসাইক্লিং: ই-বর্জ্যকে অর্থনৈতিক মূল্যে রূপান্তর করছে যে প্রতিষ্ঠান

দেশে ই-বর্জ্য থেকে সোনা-রুপাসহ ৫০ কোটি ডলারের মূল্যবান ধাতু পুনরুদ্ধার করা সম্ভব: গবেষণা

দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্যের মাত্র ৩ শতাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করা হতো। ফলে বিপজ্জনক বর্জ্যের পাশাপাশি সোনা, রুপা, তামা ও টিনের মতো মূল্যবান ধাতুও পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না।
মিজানুর রহমান ইউসুফ
14 October, 2026, 11:10 am
Last modified: 14 October, 2026, 11:31 am
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আজিজু রিসাইক্লিং অ্যান্ড ই-ওয়েস্ট কোম্পানি লিমিটেডে ই-বর্জ্য বাছাই ও প্রক্রিয়াজাত করছেন শ্রমিকেরা। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস

বাংলাদেশে ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক পণ্য বা ই-বর্জ্য থেকে প্রতিবছর প্রায় ৫০ কোটি ডলার মূল্যের মূল্যবান ধাতু পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। তবে বর্জ্য সংগ্রহের দুর্বল ব্যবস্থা ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের সীমিত সক্ষমতার কারণে এই বিপুল সম্পদের বড় অংশই নষ্ট হচ্ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালিত পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্যের প্রায় ৯৭ শতাংশই আনুষ্ঠানিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

২০১৭ সালের ওই গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্যের মাত্র ৩ শতাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করা হতো। ফলে বিপজ্জনক বর্জ্যের পাশাপাশি সোনা, রুপা, তামা ও টিনের মতো মূল্যবান ধাতুও পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না।

বুয়েটের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের গবেষণায় দেখা গেছে, এক টন পরিত্যক্ত র‍্যাম (RAM) থেকে সর্বোচ্চ ৬০০ গ্রাম সোনা পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া পরীক্ষাগারে বিশেষ প্রক্রিয়ায় ই-বর্জ্য থেকে ৯৯ শতাংশের বেশি তামা, ৯৪ শতাংশের বেশি রুপা এবং প্রায় ৮৬ শতাংশ টিন পুনরুদ্ধার করা যায়।

তবে এসব মূল্যবান ধাতু বড় পরিসরে পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সক্ষমতা বাংলাদেশে এখনো গড়ে ওঠেনি।

২০১৮ সালে দেশে প্রায় ৪ লাখ টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছিল। প্রতিবছর এই বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। বুয়েটের গবেষণার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশে বছরে ই-বর্জ্য উৎপাদনের পরিমাণ ৪৬ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছাবে।

সাভারে অবস্থিত ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা জেআর রিসাইক্লিং সলিউশনের মালিক এম এ হোসেন বলেন, পরিবেশগত বিধিবিধান মেনে একটি ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করতে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ (ডাইফ) বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রায় ২২টি লাইসেন্স ও অনুমোদন নিতে হয়।

তিনি জানান, তার কারখানায় ই-বর্জ্য থেকে তামা, পিতলসহ বিভিন্ন ধাতু পুনরুদ্ধার করা হয়। তবে সোনা উত্তোলনের সক্ষমতা নেই।

তিনি বলেন, "ই-বর্জ্য থেকে সোনা পুনরুদ্ধারের প্রযুক্তি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ জন্য অন্তত ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।"

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে মাত্র ১৬টি বাণিজ্যিক ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন পেয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় এবং দুটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

এম এ হোসেনের হিসাবে, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় পরিবেশগত বিধিবিধান মেনে পরিচালিত প্রায় ১৪টি প্রতিষ্ঠান দেশের মোট ই-বর্জ্যের মাত্র ৩ থেকে ৫ শতাংশ পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে। বাকি বর্জ্য চলে যায় শত শত অনানুষ্ঠানিক কারখানায়। সেখানে শ্রমিকেরা ইলেকট্রনিক পণ্য খুলে যন্ত্রাংশ আলাদা করেন এবং অ্যাসিড ব্যবহার ও তার পুড়িয়ে ধাতু সংগ্রহ করেন।

এদিকে, দেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ই-বর্জ্য সংগ্রহব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছে।

ওয়ালটন গ্রুপের পরিবেশ, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু টিবিএসকে বলেন, সারা দেশে ওয়ালটনের ৭০০টি প্লাজা আউটলেটের মাধ্যমে পুরোনো পণ্য বদলে নতুন পণ্য কেনার (এক্সচেঞ্জ) অফার দিয়ে পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক পণ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সংগৃহীত পুরোনো ইলেকট্রনিক পণ্যগুলো কারখানায় পাঠানো হয়। সেখানে প্লাস্টিক ও ধাতব অংশ আলাদা করে বিশেষায়িত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠানো হয়।

২০২৫ সালে এক্সচেঞ্জ অফারের মাধ্যমে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), টেলিভিশন ও রেফ্রিজারেটরসহ ৬৬ হাজার ৭২২টি পুরোনো ইলেকট্রনিক পণ্য সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করেছে ওয়ালটন।

বিদেশ থেকেও ই-বর্জ্য আমদানি করছে বাংলাদেশ

দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হিমশিম খাওয়ার মধ্যেই বিদেশ থেকে নিষিদ্ধ ই-বর্জ্য আমদানি হচ্ছে বাংলাদেশে।

টিআইবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ডলার ব্যয়ে দেশে ১৪ হাজার ৯৮৫ টন ই-বর্জ্য আমদানি করা হয়েছে। অথচ দেশের ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিধিমালা ও আমদানি নীতি অনুযায়ী এ ধরনের বর্জ্য আমদানি নিষিদ্ধ।

আমদানি করা এসব বর্জ্যের প্রায় ২৭ শতাংশ বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অনেক ক্ষেত্রে বস্ত্রকলের যন্ত্রপাতির খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এসব বর্জ্য আমদানি করা হয়।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র শরীফ আল আমিন টিবিএসকে বলেন, সংশ্লিষ্ট সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রণ আদেশের (এসআরও) আওতায় স্ক্র্যাপ আমদানি নিষিদ্ধ নয়। ফলে স্ক্র্যাপ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আনা চালানে ই-বর্জ্য শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, "তবে ভুল বা বিভ্রান্তিকর বিবরণ দিয়ে আমদানি করা ই-বর্জ্যের চালান আটকাতে আমাদের কর্মকর্তারা সতর্ক রয়েছেন।"

ভুল তথ্য দিয়ে আমদানি করা ই-বর্জ্য শনাক্তে উন্নত স্ক্যানিং যন্ত্রপাতি এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৪০ টন প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডের (পিসিবি) স্ক্র্যাপ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ রপ্তানি করা হয়েছে।

এম এ হোসেন বলেন, "আমাদের দেশে ই-বর্জ্য থেকে সোনা পুনরুদ্ধারের প্রযুক্তি নেই। এ কারণে আমরা জাপান ও কোরিয়ায় মাদারবোর্ড রপ্তানি করি।"

আমদানি-রপ্তানির নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে বাংলাদেশ ই-বর্জ্য রপ্তানির তুলনায় আমদানি করেছে বেশি।

স্বাস্থ্যঝুঁকিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকেরা

দেশের পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক পণ্যের বড় অংশই সংগ্রহ করে অনানুষ্ঠানিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে হাজারো মানুষের জীবিকার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি এসব বর্জ্য ভাগাড়ে জমা হওয়াও কমছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোই যথাযথ নিবন্ধন ছাড়াই কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বিপজ্জনক পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

অনানুষ্ঠানিকভাবে ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের প্রধান কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকার নিমতলী, এলিফ্যান্ট রোড, মোহাম্মদপুর ও টঙ্গী এবং চট্টগ্রামের আইস ফ্যাক্টরি রোড।

টিআইবির গবেষণায় দেখা গেছে, অনানুষ্ঠানিক এসব প্রতিষ্ঠানে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকদের দিয়ে কোনো ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এতে শ্রমিকদের পাশাপাশি আশপাশের বাসিন্দারাও বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে এসে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।

টিআইবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা বুয়েটের এক স্বাস্থ্যঝুঁকি মূল্যায়নে দেখা গেছে, বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ক্রোমিয়াম ও সিসার সংস্পর্শে বিভিন্ন বয়সী শ্রমিকদের ক্যানসার ও ক্যানসারবহির্ভূত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি। এ ছাড়া স্ক্র্যাপ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রগুলোর আশপাশের পানিতে সিসার দূষণ শিশুদেরসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

খোলা জায়গায় ই-বর্জ্য পোড়ানোর ফলে ডাই-অক্সিন, ফিউরানসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর দূষক বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে, পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক পণ্য থেকে সিসা, ক্রোমিয়াম, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত ধাতু মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে যেতে পারে।

এসব দূষিত পদার্থ মাছ, গবাদিপশু ও কৃষিপণ্যের মাধ্যমে খাদ্যশৃঙ্খলেও প্রবেশ করতে পারে।

বিধিমালা থাকলেও বাস্তবায়নে ঘাটতি

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ২০২১ সালে 'বিপজ্জনক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা' প্রণয়ন করে বাংলাদেশ। এতে বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নীতির আওতায় ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও পরিবেশকদের পরিত্যক্ত পণ্য ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, প্রথম বছরে ১০ শতাংশ ই-বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পঞ্চম বছরে ৫০ শতাংশে উন্নীত হওয়ার কথা। তবে টিআইবির গবেষণায় দেখা গেছে, এ কাঠামোর আওতায় কোনো বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী, আমদানিকারক বা পরিবেশক প্রতিষ্ঠান পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধন করেনি।

এদিকে, সৌর প্যানেল, বৈদ্যুতিক যানবাহন ও ব্যাটারি থেকে তৈরি হওয়া নতুন ধরনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও বাড়তি চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। বিদ্যমান বিধিমালায় এসব পণ্যের সব ধরনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত নেই।

টিআইবির পরিবেশ ও জলবায়ু অর্থায়নবিষয়ক সমন্বয়ক নাবিল হক বলেন, বিদ্যমান বিধিমালায় সব ধরনের ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান নেই। এ কারণে বিধিমালা সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০২১ সালে বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও সরকার এখনো দেশে ই-বর্জ্যের পরিমাণ ও ধরন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করতে পারেনি। পাশাপাশি ই-বর্জ্য সংগ্রহের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন এবং নিষিদ্ধ ই-বর্জ্য আমদানি বন্ধ করতেও ব্যর্থ হয়েছে।

ই-বর্জ্যকে শিল্পে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ

জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন এসকাপ) এক প্রতিবেদনে ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যয় উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের বহনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভর্তুকি ও অন্যান্য প্রণোদনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এর লক্ষ্য হলো 'দূষণকারীই ব্যয় বহন করবে' নীতি কার্যকর করা এবং পরিবেশসম্মত উপায়ে ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণকে আর্থিকভাবে লাভজনক করে তোলা।

এদিকে, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে টিআইবি। এতে বিধিমালা সংস্কার, জাতীয় পর্যায়ে ই-বর্জ্যের তথ্যভান্ডার তৈরি, উৎপাদনকারীদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত, অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করা, কাস্টমসের নজরদারি জোরদার এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দেশের ই-বর্জ্যের বড় অংশ সংগ্রহকারী অনানুষ্ঠানিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সংগ্রহব্যবস্থা ভেঙে না দিয়ে সেগুলোকে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থার আওতায় আনার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

অন্যদিকে, বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. মাহবুব জামিল বলেন, পরিবেশে নিঃসৃত বিপজ্জনক কঠিন ও তরল বর্জ্য পর্যবেক্ষণের জন্য একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি জানান, "যৌথ তদারকি দল ইতোমধ্যে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় পরিদর্শন শুরু করেছে। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পরিবেশগত বিধিবিধান মেনে চলছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।"

পরিদর্শন শেষ হলে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি সমন্বিত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

 

Related Topics

টপ নিউজ

ই-বর্জ্য / ইলেকট্রনিক বর্জ্য / ইলেকট্রনিক পণ্য / মূল্যবান ধাতু

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • গণপিটুনির শিকার ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৪০)। ছবি: সংগৃহীত
    সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দুই দফায় গণপিটুনি, যুবকের মৃত্যু; ‘মানসিক ভারসাম্যহী’ ছিলেন, বলছে পরিবার
  • প্রতীকী ছবি: মিনা ডে লা ও
    ‘কয়েক মাসে’ নিজে নিজেই রেপ্লিকা তৈরি করে স্মার্ট টিভি-ফ্রিজে ছড়িয়ে পড়তে পারে এআই: অ্যানথ্রপিক
  • ছবি: টিবিএস
    ফায়ার সার্ভিসের ২১ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন
  • কেটি যাকারায়া। ছবি: সিএনপি
    ‘আমার প্রেসিডেন্ট, দুঃখিত আমার স্বামী’: প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    কুতুবজোমে ১৩ হাজার কোটি টাকার ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাবে সায় দেয়নি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি
  • চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। ছবি: টিবিএস
    না ফেরার শর্তে নয়, অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পাস ছেড়েছি; সুস্থ হয়েই আবার ফিরব: চুয়েটের নতুন উপাচার্য

Related News

  • বাইসাইকেল থেকে সার্কিট বোর্ড: বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক পণ্য রপ্তানিতে উৎপাদনের নতুন যুগের সূচনা
  • ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫,০০০ ডলার ছাড়াল
  • আবাসন খাতের মন্দায় সংকুচিত ৬,৫০০ কোটি টাকার ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার
  • পুরনো ফোন-ল্যাপটপ থেকে সোনা পাওয়ার উপায় আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের
  • আজিজু রিসাইক্লিং: ই-বর্জ্যকে অর্থনৈতিক মূল্যে রূপান্তর করছে যে প্রতিষ্ঠান

Most Read

1
গণপিটুনির শিকার ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৪০)। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দুই দফায় গণপিটুনি, যুবকের মৃত্যু; ‘মানসিক ভারসাম্যহী’ ছিলেন, বলছে পরিবার

2
প্রতীকী ছবি: মিনা ডে লা ও
আন্তর্জাতিক

‘কয়েক মাসে’ নিজে নিজেই রেপ্লিকা তৈরি করে স্মার্ট টিভি-ফ্রিজে ছড়িয়ে পড়তে পারে এআই: অ্যানথ্রপিক

3
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

ফায়ার সার্ভিসের ২১ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন

4
কেটি যাকারায়া। ছবি: সিএনপি
আন্তর্জাতিক

‘আমার প্রেসিডেন্ট, দুঃখিত আমার স্বামী’: প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব

5
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

কুতুবজোমে ১৩ হাজার কোটি টাকার ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাবে সায় দেয়নি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি

6
চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

না ফেরার শর্তে নয়, অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পাস ছেড়েছি; সুস্থ হয়েই আবার ফিরব: চুয়েটের নতুন উপাচার্য

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net