রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: যুবদলের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় নূর আলম নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।
নূর আলম শাহ আলী থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। গতকাল রাতে দারুস সালাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নূর আলমকে যুবদলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় এর আগে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া বিভিন্ন মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে হামলার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
ডিসি হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের নাম আসবে, তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। হামলার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে দুই শতাধিক ব্যক্তি হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরে এক্সকাভেটর দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একাধিক স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে শাহ আলী থানার তৎকালীন ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনায় রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। যুবদল ও ছাত্রদলের স্থানীয় কমিটিও বিলুপ্ত করা হয় এবং কয়েকজন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিও বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পদত্যাগ করেছেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
