রোববারের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের আগামীকাল রোববারের মধ্যে (২৭ সেপ্টেম্বর) নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছে 'সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ ব্যাচ'। আজ শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্ল্যাটফর্মটি এ দাবি জানায়।
প্রার্থীরা বলেছেন, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর ভেরিফিকেশনের নামে কোনো যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগপত্র থেকে বঞ্চিত করা হলে তা নাগরিক অধিকার হরণের শামিল। তারা পুনরায় 'রি-ভেরিফিকেশন'-এর নামে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত না করারও দাবি জানিয়েছে।
তাদের দাবি, সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় থাকা এবং সনদ জালিয়াতির অভিযোগ ছাড়া যোগ্য সব প্রার্থীকে আগামীকাল রোববারের মধ্যে নিয়োগপত্র দিতে হবে।
প্রার্থীরা আরও দাবি করেছেন, নিয়োগ থেকে আড়াই হাজারের বেশি প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট নয়। একই সঙ্গে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নিয়েও বিভিন্ন দপ্তরের বক্তব্যে অস্পষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তারা।
তাদের ভাষ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগের দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের বলে জানাচ্ছে, মন্ত্রণালয় জেলা শিক্ষা অফিসকে এবং জেলা শিক্ষা অফিস অধিদপ্তরকে দায়িত্বশীল বলছে। ফলে প্রকৃত নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কে, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন প্রার্থীরা।
সব যোগ্য প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর একসঙ্গে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে বড় কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এদিকে, নিয়োগপত্র নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
