বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ দ্রুত সরবরাহের আহ্বান বিমানমন্ত্রীর
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য অর্ডার করা বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ দ্রুত সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। জাতীয় পতাকাবাহী এই এয়ারলাইন্সকে আরও শক্তিশালী করার জন্য দ্রুত সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিমান পরিবহনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ আহ্বান জানান।
বিমানমন্ত্রী বলেন, 'বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত 'লিগ্যাসি ক্যারিয়ার' হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিমানের জন্য নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে।'
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতার এক গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ বলে উল্লেখ করা হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'বোয়িং-নির্মিত এই উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ প্রক্রিয়া দ্রুত করা অত্যন্ত জরুরি।'
আগামী বছর ঢাকা-নিউ ইয়র্ক (জেএফকে) রুটে সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনাসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের পদক্ষেপের পর মন্ত্রীর এই অনুরোধ এলো।
তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশন সেফটি অ্যাসেসমেন্ট (আইএএসএ) ক্যাটাগরি-১ অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ।'
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সমর্থন ব্যক্ত করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, আকাশপথে যোগাযোগ বাড়াতে এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ করছে।
