বিদ্বেষমূলক বা আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন না হলে হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বিদ্বেষমূলক কিংবা আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে—এ ধরনের বক্তব্য ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনগত কোনো বাধা নেই।
তিনি বলেন, "শেখ হাসিনার বক্তব্য বিদ্বেষমূলক হলে তা প্রচার বা প্রকাশে ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে অন্য যেকোনো বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই।"
আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখি। আসলেই কোনো বক্তব্য দেন, নাকি সব ফাঁকা আওয়াজ।"
এ সময় তিনি বলেন, "সব ঝুট হ্যায়।"
তিনি আরও বলেন, "যেসব বক্তব্যে ট্রাইব্যুনালের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় কিংবা যেগুলো বিদ্বেষমূলক, সেগুলো ছাড়া গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশে আইনগত বাধা নেই।"
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "তিনি একেক সময় একেক কথা বলেন। আবার শোনা যাচ্ছে, ৫ তারিখে বক্তব্য দেবেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য দেবেন কি না, কিংবা রেকর্ড করা কোনো বক্তব্য প্রচার হবে কি না—এসব বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে, সেগুলোর সত্যতা নিয়েও আমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই।"
তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনা বক্তব্য দিলেন কি দিলেন না, এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে ট্রাইব্যুনালের রায় বাস্তবায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা। তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত। এখন সরকারের দায়িত্ব হলো, কীভাবে সেই রায় কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া।"
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে রায় বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগোবে। তা সম্ভব না হলে বাস্তবায়নে বিলম্ব হতে পারে। তিনি কোথায়, কীভাবে বা কী বলবেন—এটি আমাদের এখতিয়ারের বিষয় নয়।"
