সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে কেন বাংলাদেশ?
সম্প্রতি ঢাকা সফর করে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এছাড়াও রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শনে যান সার্জিও গোর। যাওয়ার আগে কী বার্তা দিয়ে গেলেন তিনি? অন্যদিকে, সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে কেন এই যোগ দেওয়া? এসব নিয়ে টিবিএসের 'জিরো-সাম গেম' অনুষ্ঠানে সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে কথা বলেছেন টিবিএস'-এর নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন।
আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশবিশেষ এখানে তুলে ধরা হলো-
শাখাওয়াত লিটন: ঢাকা সফরকালে সার্জিও গোর বলেছেন ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগের কথাও বলেছেন। এর পেছনের আরও কোনো বার্তা আছে কিনা, যা তিনি এখানে দিয়ে গেলেন। গোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথেও বৈঠক করেছেন। এরমধ্যেই বাংলাদেশ সৌদি আরবের নেতৃত্বে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোটেও যোগ দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের এক মাস পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত (গোর) ঢাকা সফর করে গেলেন। তিনি কী বার্তা দিয়ে গেলেন?
এম হুমায়ুন কবির: তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঢাকায় যখন নতুন সরকার গঠিত হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তখনই কিন্তু তিনি তাঁর অভিনন্দন বাণীতে কয়েকটা বার্তা দিয়েছিলেন। এর একটি হচ্ছে, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) বাংলাদেশকে ইন্দো-প্যাসিফিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখে। দ্বিতীয়ত, এআরটি বা এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ— এটা যাতে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং সম্প্রতি সফরে আসা সার্জিও গোর—সমন্বিতভাবেই বাংলাদেশে এই এআরটি বাস্তবায়নে আগ্রহী।
শাখাওয়াত: এই বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে তো আবার সমালোচনাও রয়েছে।
হুমায়ুন কবির: কথাটি সঠিক। আর এটি নিয়ে বাংলাদেশে যথেষ্ট পরিমাণে আলাপ-আলোচনা আছে। কিন্তু, তারা বাংলাদেশে এই চুক্তি বাস্তবায়নের ব্যাপারে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কথা আমি আরও দু-এক জায়গায় শুনেছি; তারা বলছেন, 'রেসিপ্রোকাল' —অর্থাৎ একপাক্ষিক সহযোগিতার যুগটা আর নেই, রেসিপ্রোকাল মানে দ্বিপাক্ষিক হতে হবে। সেই জায়গাটাতেই তারা তাঁদের বক্তব্য ও আগ্রহের কথাটা প্রকাশ করে যাচ্ছেন।
এটি শুধু দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, এমনও নয়। এরমধ্যে অনেকগুলো উপাদান আছে, যেগুলো আমরা আমাদের প্রয়োজনে কৌশলগত সম্পর্ক চালাই—সেই সম্পর্ককেও প্রভাবান্বিত করবে।
এই রকম একটা সুযোগ বা সম্ভাবনা তাদের কাছে আছে। যেমন নন-মার্কেট ইকোনমির সঙ্গে যদি আমরা যাই, যেমন ডিজিটাল টেকনোলজি বা বর্তমান সময়ের যে সম্মুখমুখী প্রযুক্তি এসব ক্ষেত্রে— সেগুলোর ক্ষেত্রে কিন্তু এর একটা যোগাযোগ আছে (মার্কিন চুক্তির সঙ্গে)। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের যেটুকু শুল্ক সুবিধা দিয়েছে, ১৯ শতাংশ, সেটা তারা পরিবর্তন করতে পারে।
শাখাওয়াত: তারা (যুক্তরাষ্ট্র) নন-মার্কেট ইকোনমি বলতে তো চীনকে বোঝায়। এক মাস আগেই প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করে এলেন। তখন আলোচনা হচ্ছিল, বাংলাদেশ চীনের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ছে কি-না, তাহলে ভূ-রাজনীতিতে এই সফর কতোটা তাৎপর্যপূর্ণ?
হুমায়ুন কবির: প্রকাশ্য আলোচনায় তারা এবিষয়ে কেউই কথা বলেননি, তবে এখানে দু-ধরনের ভূরাজনীতি কাজ করেছে বলে আমার ধারণা।
প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বৈশ্বিক পর্যায়ের যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে, তারই একটা প্রতিফলন এখানে থাকবে। যেমন আমি মনে করি বা আন্দাজ করি, সার্জিও গোর চীনের সঙ্গে আমরা কেমন সম্পর্ক তৈরি করতে চাই– এটা সম্পর্কে জানতে চাইবেন, এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। আর সেটাকে চ্যালেঞ্জ করবার জন্যই তারা গতকাল একটা কথাও বলেছেন, সেটা হচ্ছে– তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এখানে বিনিয়োগে আগ্রহী।
আমরা চীনে গিয়ে বিনিয়োগের কথা বলেছি, মালয়েশিয়া গিয়েও বলেছি। বিনিয়োগ আমাদের জন্য খুবই জরুরি, কারণ আমরা কর্মসংস্থান যদি তৈরি করতে চাই, যদি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে চাই—তাহলে বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই, সেটা অভ্যন্তরীণ বা বিদেশি বিনিয়োগ—যেটাই হোক। প্রধানমন্ত্রীর জন্য এটি একটি অগ্রাধিকার, তাই মালয়েশিয়া ও চীন– উভয় সফরেই সেটার উল্লেখ ছিল। এখন মার্কিনীরাও বলছে, সার্জিও গোর নিজেও বলেছেন, আমরাও বিনিয়োগ করব।
শাখাওয়াত: আগামী সপ্তাহে বড় একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে। ২৫টি কোম্পানির ৩৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
হুমায়ুন কবির: সঠিক। এখন এআরটি নিয়ে আপনি যেটি বলেছেন, এনিয়ে অনেক আলাপ-আলোচনা আছে, সমালোচনাও আছে। কিন্তু, যেহেতু আমরা এটাই একবার স্বাক্ষর করে ফেলেছি, আর এপর্যন্ত সরকারও মনে হচ্ছে না, এটা নিয়ে কোনো পর্যালোচনার দিকে যাচ্ছে। তারা এটাকে গ্রহণ করেছে, আর এটি নিয়ে তেমন কথাবার্তা বলছে না। সেহেতু, ধরেই নেওয়া যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে—সেটি বাস্তবায়নে আমরাও তাদের সঙ্গে সহমত।
যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রপ্তানি প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার, এখন তাদের থেকে আমরা সয়াবিন, বোয়িং উড়োজাহাজ আরও অনেক কিছু কিনছি। সব মিলিয়ে হয়তো ৬-৭ বিলিয়ন ডলার হয়ে যাবে। অর্থাৎ, সমান সমান একটা অবস্থা তৈরি হয়ে যাবে। বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, আমাদের কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যে (যুক্তরাষ্ট্রে) রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে যদি আমরা যুক্তরাষ্ট্রের থেকে বিনিয়োগ আনতে পারি—যেটা আমাদের জন্য উপাদেয়। আর যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহ দেখাচ্ছে যে, মার্কিন কোম্পানিগুলো এখানে আসবে, তাহলে আমাদের এখানে জ্বালানি খাতে, যেখানে এখন সংকট চলছে— এর সঙ্গে কৃষি, আইসিটি ও শিক্ষার মতো খাতে আমাদের যথেষ্ট পরিমাণে বিনিয়োগ প্রয়োজন। এসব বিনিয়োগ আমাদের অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজন করবে, এবং কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে।
কিন্তু, বিনিয়োগের জন্য পরিবেশটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের। সেটা আমরা করতে পারছি কিনা–সেদিকে নজর দিতে হবে।
আমাদের অনশোর গ্যাসের প্রায় ৫০ শতাংশের ওপর একটা উত্তোলন করছে শেভরন। অফশোর বা সমুদ্রসীমা থেকে গ্যাস উত্তোলনের কথা আমরা বলছি। ২০১৪ সাল থেকে সমুদ্রসীমার বিরোধ নিষ্পত্তি হয়ে আছে, কিন্তু ১২ বছরেও ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগ সেভাবে হয়নি। এইক্ষেত্রে যদি আমরা একটা বড় ধরনের বিনিয়োগ আমরা পাই, সেটা বিনিয়োগ হিসেবেও কর্মসংস্থান তৈরি করবে, আবার নিজেদের গ্যাস উত্তোলন করতে পারলে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তাটাও নিশ্চিত হবে।
এ ধরনের বড় বিনিয়োগকারী কোম্পানি নিজস্ব ব্যবস্থাপনার দক্ষতা নিয়ে আসে, যেটা দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে পারে। কাজেই এখানে সম্ভাবনা আছে, কিন্তু সম্ভাবনা আর তার বাস্তবায়ন আর উপলদ্ধি এক জিনিস নয়। আর সেখানেই আমাদের জন্য কাজের জায়গা রয়েছে।
শাখাওয়াত: এই সম্ভাবনার ভেতরে ভূরাজনীতির দিক থেকে আমাদের জন্য ঝুঁকি কতোটা? চীন বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোরের প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে। এই বিষয়ে বাংলাদেশকে 'হ্যাঁ' অথবা 'না' একটা উত্তর তো দিতে হবে। বাংলাদেশ যে জন্য সময়ও নিচ্ছে।
হুমায়ুন কবির: আমাদের কী দরকার– সেটা আমাদেরই ঠিক করতে হবে। গোর আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের 'প্যাক্স সিলিকা' নামের সেমিকন্ডাক্টর জোটে থাকবার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এদিকে চীনের সাথেও আমরা এধরনের একটা উদ্যোগে সম্মত হয়েছি। বাংলাদেশ এখানে নিজস্ব স্বার্থে দুদিকেই থাকতে পারে। প্রযুক্তি জগৎটা দুই ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এখানে বাংলাদেশ তার স্বার্থে উভয় পক্ষের সাথেই কাজ করতে আগ্রহী হতেই পারে। এখন দুই পক্ষের কাছে আমার স্বার্থের জায়গাটা ব্যাখ্যা করা বা তুলে ধরার যে কাজ—সেটাই হচ্ছে কূটনীতি।
যথেষ্ট কুটনীতিক দক্ষতা, যোগ্যতা থাকলে আমরা উভয়ের সাথেই কাজ করতে পারব। এই অঞ্চলে সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম যেমনটা করছে। তারা যদি করতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না!
সেই জায়গাটায় যাওয়ার মতো আমাদের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের স্বদিচ্ছা ও সমর্থন দিতে হবে—যাতে পেশাদার কূটনীতিকরা তাদের কাজগুলো নির্ভয়ে করতে পারেন।
শাখাওয়াত: এবারে একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি। সৌদি আরবের নেতৃত্বে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ যোগ দিয়েছে। এই জোটে বাংলাদেশের যোগদানের কারণ কী?
হুমায়ুন কবির: এটা আমাদের জন্য দুটি জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ। একটা হচ্ছে, এই জোট কিন্তু লোহিত সাগর কেন্দ্র করে। সৌদি আরবের জ্বালানি রপ্তানির একটা বড় অংশ এখন লোহিত সাগর দিয়ে যায়। এটি বন্ধ করতে হুথিরা আক্রমণ চালাচ্ছে, আর সে কারণে শঙ্কা তৈরি হয়েছে—এই লোহিত সাগরের সমুদ্রপথও বন্ধ হয়ে যায় কিনা। এটি বন্ধ হলে বাংলাদেশও বিপদগ্রস্ত হবে। কারণ আমাদের পশ্চিমমুখী যে বাণিজ্য—তার পুরোটাই লোহিত সাগর দিয়ে যায়। কাজেই এখানে আমাদের নিঃস্ব স্বার্থ, আমদানি-রপ্তানি স্বার্থ সরাসরি জড়িত। কাজেই একটা নৈতিক অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন যে, আমরা চাই সমুদ্র খোলা থাকুক, ফ্রিডম অভ নেভিগেশন (নৌ চলাচলের স্বাধীনতা) থাকুক। এর যে বৈশ্বিক 'নর্ম' বা রীতি রয়েছে, সেটার পুনর্ব্যক্ত করা প্রয়োজন। আর সেই রীতিতেই বাংলাদেশ এটাতে যোগ দিয়েছে বলে আমার ধারণা।
শাখাওয়াত: এক্ষেত্রে ইরানের সাথে সম্পর্কের কোনো অবনতি ঘটবে কি-না, যেহেতু হুথিদের আবার বলা হয় ইরানের প্রক্সি।
হুমায়ুন কবির: আমাদের এখানে যুক্ত হওয়াটা রীতিগতভাবে খুবই সিম্বলিক বা প্রতীকী। রীতিগতভাবে এইজন্য যে, আমাদের যে ব্যবসাবাণিজ্য আছে–সেটাকে চালু রাখার জন্য, আমি এটাকে সমর্থন করছি–এই দিকটা। আর সিম্বলিক বলার কারণ হচ্ছে, আমাদের যে সক্ষমতা রয়েছে, সেটা নিয়ে ওখানে গিয়ে আমরা যে খুব বেশি কিছু করতে পারব, সেটাও না।
শাখাওয়াত: আমরা তো ট্রুপস (সেনা) পাঠাতে পারব না।
হুমায়ুন কবির: যদি তারা চায়ও সহযোগিতা, সেক্ষেত্রে আমরা হয়তো একটা সিম্বলিক প্রেজেন্সে যাব। তো এই ধরনের রীতিগত প্রতীকী অংশগ্রহণ ইরানের জন্য খুব একটা মাথাব্যথা হওয়ার কারণ নেই। হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত হলে–ইরান এখানে শত্রু বা মিত্র হিসেবে ভাবার সুযোগ পেত। আর এই জোট সম্পূর্ণ উল্টো দিকে কাজ করবে।
শাখাওয়াত: লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব, এডেন উপসাগর–এই অঞ্চলটিকে নিরাপদ রাখার জন্য এই নিরাপত্ত জোট কাজ করবে।
হুমায়ুন কবির: এখানে আমাদের ব্যবসাবাণিজ্য রক্ষা করার জন্যই সোচ্চার হতে হবে। যদি সেখানে বাংলাদেশের (সামরিক) উপস্থিতির কোনো প্রয়োজনও পড়ে, সেটাও খুব অল্প প্রতীকী পর্যায়ের থাকবে। তাতে করে আমার মনে হয় না, খুব একটা সমস্যা আছে।
শাখাওয়াত: হরমুজে আমাদের স্বার্থ আছে? এই জোটে যোগ দিলে তা কি ব্যাহত হবে?
হুমায়ুন কবির: অবশ্যই স্বার্থ আছে, কিন্তু এতে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না বা আমি মনে করছি না। কারণ, এই জোটের উদ্দেশ্যের সাথে জড়িত আছে হুথিরা। ইয়েমেন বা হুথিদের সঙ্গে যেহেতু আমাদের খুব বেশি ব্যবসাবাণিজ্য ওই অর্থে নেই, আবার আমাদেরও তাদের সঙ্গে তেমন কোনো বিরোধ নেই–সুতরাং হুথিরা এটা নিয়ে খুব বেশি নেতিবাচক হবে বলে মনে করছি না। এখানে একটা নীতিগত অবস্থান ঘোষণার প্রয়োজন ছিল, সেটা আমরা করেছি। এটা যত প্রতীকী থাকবে, ততোই আমাদের জন্যও ভাল। যাতে ইরানের সাথে আমাদের একটা মতান্তর হওয়ার সুযোগ তৈরি না হয়।
