শরিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, তবে বিভেদ নেই: তারেক রহমান
ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, তবে কোনো বিভেদ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, 'আমরা একসাথে আছি, একসাথে ছিলাম, ইনশা আল্লাহ ভবিষ্যতেও একসাথে থাকব। আমাদের মধ্যে ডিফেন্স অব অপিনিয়ন হতে পারে। কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির কারণ আমাদের মধ্যে আছে বলে আমি মনে করি না। ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা একটি জায়গায় একত্র হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য এক।'
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যমুনার অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শরিক নেতাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। কুশল বিনিময় পর্বের পর নেতাদের সঙ্গে রাতের খাবার খান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখার জন্য আমাদের যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মানুষের আস্থা ধরে রাখার জন্য আমরা একসাথে কাজ করব। কারণ, জনগণের প্রত্যাশা আমাদের কাছে। জনগণ প্রত্যাশা নিয়ে আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে।'
অতীতের আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একটু পেছনে নিয়ে যাই। আমরা যখন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। আজ অনেকেই দাবি করে, কারো নাম আমি উল্লেখ করতে চাই না। যাদের 'গুপ্ত' শব্দ ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদের চেনে। এদের কিন্তু ওই সময়ে আমরা অনেক খুঁজেছি, তাদের আমরা পাইনি। আপনারা কি কেউ পেয়েছিলেন রাজপথে তাদের? তাদের কিন্তু রাজপথে আমরা দেখিনি।'
৩১ দফা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একসাথে বসে আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশের মানুষের সামনে। আমি মনে করি, নির্বাচনে জনগণ ৩১ দফার পক্ষে রায় দিয়েছে। এখন এই ৩১ দফা শুধু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নয়, বরং দেশের জনগণের ৩১ দফা হয়ে গেছে।'
প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া বিধ্বস্ত অর্থনীতি, জ্বালানি বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন এবং এসবের মোকাবিলা নিয়েও কথা বলেন।
